সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার পুকুরে তল্লাশি, উদ্ধার ৩ আগ্নেয়াস্ত্র ও ৪০ রাউন্ড গুলি
বসিরহাট : সন্দেশখালিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করলো পুলিশ। বুধবার বসিরহাটের সন্দেশখালি থানার কোড়াকাটি এলাকায় তৃণমূল নেতা সমীর সর্দারের পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং প্রায় ৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সন্দেশখালি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বলাই ঘোষের নেতৃত্বে পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালায়। তল্লাশির সময় পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হয়। ঘটনায় সমীর সর্দারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত সমীর সর্দার সন্দেশখালির তৎকালীন প্রভাবশালী নেতা শেখ শাহাজাহানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিগুলি কোথা থেকে এলো, সেগুলি কোথায় ব্যবহার করা হত এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুরো ঘটনার সঙ্গে অস্ত্র পাচার বা অন্য কোনও অপরাধচক্রের যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বসিরহাটে ৪৪৩৮ পিস ফেনসিডিল উদ্ধার, পিকআপ ভ্যান-সহ গ্রেফতার পাচারকারী

বসিরহাট : বসিরহাটে নাকা তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ বা ফেন্সিডিল উদ্ধার করলো পুলিশ। ঘটনায় একটি পিকআপ ভ্যান সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ফেন্সিডিলের পরিমাণ ৩৭ বস্তায় মোট ৪৪৩৮ পিস। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বসিরহাট থানার আমতলা চড়কতলা এলাকায় রাজ্য সড়ক-২ অর্থাৎ টাকি রোডে নাকা তল্লাশি চালাচ্ছিল বসিরহাট থানার পুলিশ। সেই সময় বসিরহাট পুলিশ জেলার ডিএসপি হেডকোয়ার্টার দিপাঞ্জন চট্টোপাধ্যায় এবং বসিরহাট থানার আইসি মহম্মদ ফিরোজ আলীর নেতৃত্বাধীন পুলিশ একটি পিকআপ ভ্যানকে দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির সময় গাড়িটি থেকে উদ্ধার হয় ৩৭ বস্তা ফেন্সিডিল, যাতে মোট ৪৪৩৮ পিস নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, পিকআপ ভ্যানটির রেজিস্ট্রেশন কালিম্পংয়ের। গাড়িটি এবং বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তির নাম হোসেন বিশ্বাস। তার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগণার বারাসাতের কাজীপাড়া এলাকায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের দাবি, কলকাতা থেকে ওই বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল নিয়ে সোলাদানার দিকে যাচ্ছিল গাড়িটি। সেখান থেকে বাংলাদেশে পাচারের পরিকল্পনা ছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। এই পাচারচক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ফেনসিডিল পাচারের মূল চক্র এবং এর সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিদের সন্ধানের চেষ্টা চলছে। ধৃত হোসেন বিশ্বাসকে বুধবার বারাসাত জেলা আদালতে পেশ করা হয়।
মেজারার্সকে ৩-২ গোলে হারাল সাদা-কালো ব্রিগেড*
*খেলা*

*কলকাতা আই লিগ*

*নিজস্ব প্রতিনিধি:* নৈহাটি স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর ম্যাচে মেজারার্স ক্লাবকে ৩-২ গোলে হারাল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। শেষ মুহূর্তে মহিতোষের গোলে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করল সাদা-কালো শিবির।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে মহামেডান। রেমসাঙ্গা গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর লালংগাইসাকা ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।

প্রথমার্ধে দাপট দেখিয়ে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় মহামেডান।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় মেজারার্স ক্লাব। একটি গোল শোধ করে ম্যাচ ২-২ করে দেয় তারা। ফলে শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা তৈরি হয় নৈহাটি স্টেডিয়ামে।

ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে, তখনই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মহামেডান। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগেই জয়সূচক গোল করেন মহিতোষ।

শেষ বাঁশি বাজতেই ৩-২ ব্যবধানে কষ্টার্জিত জয় নিশ্চিত করে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। এই জয়ের ফলে অভিযানে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ জয় যোগ করল দল।

*ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
টিএমসিপির দুই গোষ্ঠীকেই শর্তসাপেক্ষে প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের অনুমতি হাইকোর্টের
*হাইকোর্ট*


*কলকাতা:* তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দুই গোষ্ঠীকেই শর্তসাপেক্ষে প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী শুক্রবার, ২৮ অগস্ট টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবস।

এতো বছর ওই দিনে ধর্মতলার মেয়ো রোডে সভা করত তৃণমূলের ছাত্র শাখা। এবার দলে বিভাজনের পর দুই গোষ্ঠীই মেয়ো রোডে সভা করার আবেদন জানিয়েছিল। তবে আদালত কাউকেই মেয়ো রোডে সভার অনুমতি দেয়নি।

হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, কালীঘাটপন্থী গোষ্ঠী ওই দিন ক্যাথিড্রাল রোডে কর্মসূচি করবে এবং ঋতব্রতপন্থী শিবির কর্মসূচি পালন করবে ধর্মতলার রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে।

মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। আদালত দুই গোষ্ঠীর জমায়েতের সংখ্যা বেঁধে দিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, কোনও সভাতেই ১৫০০ জনের বেশি জমায়েত করা যাবে না। সভার সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে — দুপুর ১২টা থেকে ৩টে পর্যন্ত।

শুনানির সময় বিচারপতি দুই গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে বলেন, "একযোগে অনুষ্ঠান করুন। ব্রিগেডে ১০ হাজার জমায়েতের অনুমতি দেব।"

এছাড়া আদালত নির্দেশ দিয়েছে, শুক্রবারের কর্মসূচির জন্য বুধবারের মধ্যে দুই পক্ষকেই ২০ জন করে স্বেচ্ছাসেবকের ফোন নম্বর পুলিশের কাছে জমা দিতে হবে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার দায়িত্ব থাকবে স্বেচ্ছাসেবকদের উপর। কলকাতা পুলিশকে ওই দিন পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
अन्नपूर्णा योजना पर ममता के आरोपों को मुख्यमंत्री शुभेंदु ने किया खारिज*

*कोलकाता:* अन्नपूर्णा योजना का पैसा नहीं मिलने और आम लोगों से धोखाधड़ी के आरोपों को लेकर पूर्व मुख्यमंत्री ममता बनर्जी द्वारा लगाए गए सभी आरोपों को मुख्यमंत्री शुभेंदु अधिकारी ने खारिज कर दिया।

सोमवार को पत्रकार वार्ता में मुख्यमंत्री ने बताया कि अब तक राज्य की 1 करोड़ 46 लाख से अधिक योग्य महिलाओं के बैंक खातों में सीधे अन्नपूर्णा योजना की राशि भेजी जा चुकी है। उन्होंने दावा किया कि यह राशि बिना किसी राजनीतिक या धार्मिक भेदभाव के बांटी गई है।

इससे पहले सोमवार शाम को सोशल मीडिया पर लाइव आकर ममता बनर्जी ने नई भाजपा सरकार की अन्नपूर्णा योजना पर नाराजगी जताई थी। उनका आरोप था कि चुनाव से पहले भत्ते का लालच देकर वोट लेने के बाद अब कई तरह की शर्तें लगाकर महिलाओं को वंचित किया जा रहा है।

इस पर पलटवार करते हुए शुभेंदु ने कहा, "हमारी सरकार किसी धर्म के आधार पर भेदभाव नहीं करती। इस योजना के तहत करीब 19 लाख मुस्लिम परिवारों के खातों में भी पैसा पहुंच चुका है।" पात्र-अपात्र के सवाल पर उन्होंने कहा कि सरकारी नियमों के अनुसार ही स्क्रूटनी की जा रही है। करीब साढ़े 4 लाख आवेदनों से जुड़ी शिकायतें मिली हैं, जिनकी जांच की जा रही है।

साथ ही मतुआ और हिंदू शरणार्थियों के लिए मुख्यमंत्री ने बड़ा ऐलान किया। उन्होंने बताया कि CAA के तहत नागरिकता प्रमाण पत्र देने की प्रक्रिया शुरू हो रही है। इस संबंध में जिलाधिकारियों को निर्देश भेज दिया गया है। वर्तमान में लंबित 2 लाख 7 हजार आवेदनों के साथ-साथ नए आवेदनों का भी तेजी से निपटारा कर सभी योग्य शरणार्थियों को भारतीय नागरिकता का आधिकारिक सर्टिफिकेट दिया जाएगा।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মমতার অভিযোগ খারিজ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু*
*কলকাতা:* অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না মেলা এবং সাধারণ মানুষকে প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই রাজ্যের ১ কোটি ৪৬ লক্ষেরও বেশি যোগ্য মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাঠানো হয়েছে। কোনও রাজনৈতিক বা ধর্মীয় ভেদাভেদ ছাড়াই এই টাকা বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর আগে সোমবার বিকেলে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে নয়া বিজেপি সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ ছিল, ভোটের আগে ভাতার লোভ দেখিয়ে পরে নানা শর্ত চাপিয়ে মহিলাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে।

এর পাল্টা জবাবে শুভেন্দু বলেন, "আমাদের সরকার কোনও ধর্মের বিভাজন করে না। প্রায় ১৯ লক্ষ মুসলিম পরিবারের অ্যাকাউন্টেও টাকা পৌঁছেছে।" যোগ্য-অযোগ্যের প্রশ্নে তিনি জানান, সরকারি নিয়ম মেনেই স্ক্রুটিনি চলছে। প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ আবেদন সংক্রান্ত অভিযোগ জমা পড়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

একইসঙ্গে মতুয়া ও হিন্দু শরণার্থীদের জন্য বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান,সিএএ অনুযায়ী নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। জেলাশাসকদের এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঝুলে থাকা ২ লক্ষ ৭ হাজার আবেদন-সহ নতুন আবেদনগুলিও দ্রুত নিষ্পত্তি করে যোগ্যদের নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
গ্রেফতারি পরোয়ানায় রক্ষাকবচ পেলেন মহুয়া মৈত্র*
*কলকাতা:* নির্দেশ মেনে হাজিরা না দেওয়ায় তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল নদিয়ার কৃষ্ণনগর আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। সোমবার হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি আর্য্যক দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মহুয়ার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। আগামী ২৭ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

উল্লেখ্য, তৃণমূল নেতাদের ওপর ডিম হামলার ঘটনায় একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন মহুয়া। সেখানে তিনি পাল্টা পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন এবং অভিযোগ ওঠে, তিনি ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দিয়ে মন্তব্য করেছেন। এই ঘটনায় কৃষ্ণনগর আদালতে মামলা দায়ের হয়।

আদালতের অভিযোগ, বারবার হাজিরা এড়িয়েছেন মহুয়া। এরপরই ১৯ আগস্ট তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। যদিও মহুয়ার আইনজীবীর দাবি, তাঁর বক্তব্য না শুনেই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। ১৮ আগস্ট তিনি আদালতে হাজির হয়েছিলেন, কিন্তু বার অ্যাসোসিয়েশনের ধর্মঘটের জেরে সেদিন শুনানি হয়নি।
হাড়োয়ায় বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি-সন্ত্রাসের অভিযোগ, ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভে আদিবাসী মহিলারা
বসিরহাট : সুন্দরবনের প্রত্যন্ত আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় তোলাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় তোলাবাজি ও সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার চালানোর অভিযোগ তুলে ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ দেখালেন এলাকার মহিলারা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয়ভীতি তৈরি করে জমির মালিকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের চেষ্টা চলছে। ঘটনাটি বসিরহাটের হাড়োয়া থানার গোপালপুর ১নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মুন্সীঘেরি এলাকার। বিক্ষোভকারী আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলাদের দাবি, বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি রাজেন্দ্র সাহা এবং বিজেপির হাড়োয়ার মণ্ডল সভাপতি রজত বরণ সাহার মদতে ও নেতৃত্বে এলাকার কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে এই তোলাবাজি চালানো হচ্ছে।

জমির মালিকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা দাবি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই তোলাবাজির প্রতিবাদ করলেই তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, রাতের অন্ধকারে এলাকায় গিয়ে শূন্যে গুলি চালানো, বোমাবাজি এবং সাধারণ মানুষকে মারধরের মতো ঘটনা ঘটছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলারাও হেনস্থা ও অত্যাচারের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। বিক্ষোভকারী মহিলাদের আরও অভিযোগ, গোটা বিষয়টি নিয়ে পুলিশের কাছে একাধিকবার জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত তারা প্রত্যাশিত ব্যবস্থা পাননি। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। তাদের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে তোলাবাজি ও সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

এদিন ঝাঁটা হাতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখিয়ে মহিলারা স্পষ্ট বার্তা দেন, এলাকার সাধারণ মানুষ কোনওভাবেই তোলাবাজি বা সন্ত্রাস মেনে নেবেন না। তাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে এবং এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। অভিযুক্ত বিজেপি নেতাদের বক্তব্য জানা যায়নি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে মুন্সীঘেরির বাসিন্দারা।

ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।
ময়দান মার্কেট খালি করে মেট্রোর কাজ শুরুর নির্দেশ হাইকোর্টের*

*কলকাতা:* কলকাতার ধর্মতলা-জোকা মেট্রোর কাজে বাধা কাটাল কলকাতা হাইকোর্টে। ৭ দিনের মধ্যে কাজ শুরুর নির্দেশ দিলেন বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়।

আদালতের নির্দেশ, ১৯৫৪ সালের ঐতিহাসিক বিধানচন্দ্র রায় মার্কেটের ৩২১টি স্টলকে ৭ দিনের মধ্যে খালি করতে হবে। জোকা-এসপ্ল্যানেড করিডরের গুরুত্বপূর্ণ এসপ্ল্যানেড স্টেশনটি ওই মার্কেটের নীচেই তৈরি হবে। ইতিমধ্যেই ভিক্টোরিয়া স্টেশনের কাজ শুরু হয়েছে এবং টানেল বোরিং মেশিনও সেখানে পৌঁছেছে।

তবে ব্যবসায়ীদের স্বার্থে একাধিক শর্ত দিয়েছে আদালত। মেট্রো সম্প্রসারণের কাজ শেষ হলে ব্যবসায়ীরা পুরনো জায়গায় ফিরতে পারবেন। আপাতত তাঁদের পুনর্বাসনের দায়িত্ব মেট্রো কর্তৃপক্ষের। বিকল্প জায়গা হিসেবে কলকাতা পুলিশের মাউন্টেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অস্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেখানে জল, শৌচালয়, বিদ্যুৎ ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং স্টল বণ্টনের লে-আউটও দিতে হবে।
সুমিত রায়ের মামলা ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুলতুবি*

*কলকাতা:* অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের মামলা ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুলতুবি রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত জানিয়েছে, সুমিতের বিরুদ্ধে মোট কতগুলি এফআইআর হয়েছে, তার তথ্য দিতে হবে রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তকে। ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট দিয়ে আদালতে তা জানাতে হবে।

চাকরি ও জমি দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া এফআইআর-কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুমিত। চাকরির মামলায় রক্ষাকবচ পেলেও জমি দুর্নীতি মামলায় আবেদন খারিজ হয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে সাময়িক রক্ষাকবচ পেয়েছেন তিনি। সুপ্রিম কোর্টে আগামী ৩১ অগস্ট শুনানি রয়েছে।

এদিন সুমিতের আইনজীবী বিকাশ পাহওয়ার অভিযোগ, ৫ জুন প্রথম এফআইআর-এর পর প্রায় প্রতিদিনই তাঁর বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করা হচ্ছে।ইতিমধ্যে ৮ বার সিআইডির তদন্তে হাজিরা দিয়েছেন সুমিত।

অন্যদিকে, রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদারের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিতের মাধ্যমে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২০ কোটি টাকা ঢুকেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ না আসা পর্যন্ত শুনানি মুলতুবি রাখার আবেদন জানান তিনি।

আদালত মৌখিক ভাবে জানিয়েছে, ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুমিতের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারবে না পুলিশ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখার পর ই আদালত সিদ্ধান্ত নেবে।