अन्नपूर्णा योजना पर ममता के आरोपों को मुख्यमंत्री शुभेंदु ने किया खारिज*

*कोलकाता:* अन्नपूर्णा योजना का पैसा नहीं मिलने और आम लोगों से धोखाधड़ी के आरोपों को लेकर पूर्व मुख्यमंत्री ममता बनर्जी द्वारा लगाए गए सभी आरोपों को मुख्यमंत्री शुभेंदु अधिकारी ने खारिज कर दिया।

सोमवार को पत्रकार वार्ता में मुख्यमंत्री ने बताया कि अब तक राज्य की 1 करोड़ 46 लाख से अधिक योग्य महिलाओं के बैंक खातों में सीधे अन्नपूर्णा योजना की राशि भेजी जा चुकी है। उन्होंने दावा किया कि यह राशि बिना किसी राजनीतिक या धार्मिक भेदभाव के बांटी गई है।

इससे पहले सोमवार शाम को सोशल मीडिया पर लाइव आकर ममता बनर्जी ने नई भाजपा सरकार की अन्नपूर्णा योजना पर नाराजगी जताई थी। उनका आरोप था कि चुनाव से पहले भत्ते का लालच देकर वोट लेने के बाद अब कई तरह की शर्तें लगाकर महिलाओं को वंचित किया जा रहा है।

इस पर पलटवार करते हुए शुभेंदु ने कहा, "हमारी सरकार किसी धर्म के आधार पर भेदभाव नहीं करती। इस योजना के तहत करीब 19 लाख मुस्लिम परिवारों के खातों में भी पैसा पहुंच चुका है।" पात्र-अपात्र के सवाल पर उन्होंने कहा कि सरकारी नियमों के अनुसार ही स्क्रूटनी की जा रही है। करीब साढ़े 4 लाख आवेदनों से जुड़ी शिकायतें मिली हैं, जिनकी जांच की जा रही है।

साथ ही मतुआ और हिंदू शरणार्थियों के लिए मुख्यमंत्री ने बड़ा ऐलान किया। उन्होंने बताया कि CAA के तहत नागरिकता प्रमाण पत्र देने की प्रक्रिया शुरू हो रही है। इस संबंध में जिलाधिकारियों को निर्देश भेज दिया गया है। वर्तमान में लंबित 2 लाख 7 हजार आवेदनों के साथ-साथ नए आवेदनों का भी तेजी से निपटारा कर सभी योग्य शरणार्थियों को भारतीय नागरिकता का आधिकारिक सर्टिफिकेट दिया जाएगा।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মমতার অভিযোগ খারিজ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু*
*কলকাতা:* অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না মেলা এবং সাধারণ মানুষকে প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই রাজ্যের ১ কোটি ৪৬ লক্ষেরও বেশি যোগ্য মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাঠানো হয়েছে। কোনও রাজনৈতিক বা ধর্মীয় ভেদাভেদ ছাড়াই এই টাকা বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর আগে সোমবার বিকেলে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে নয়া বিজেপি সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ ছিল, ভোটের আগে ভাতার লোভ দেখিয়ে পরে নানা শর্ত চাপিয়ে মহিলাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে।

এর পাল্টা জবাবে শুভেন্দু বলেন, "আমাদের সরকার কোনও ধর্মের বিভাজন করে না। প্রায় ১৯ লক্ষ মুসলিম পরিবারের অ্যাকাউন্টেও টাকা পৌঁছেছে।" যোগ্য-অযোগ্যের প্রশ্নে তিনি জানান, সরকারি নিয়ম মেনেই স্ক্রুটিনি চলছে। প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ আবেদন সংক্রান্ত অভিযোগ জমা পড়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

একইসঙ্গে মতুয়া ও হিন্দু শরণার্থীদের জন্য বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান,সিএএ অনুযায়ী নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। জেলাশাসকদের এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঝুলে থাকা ২ লক্ষ ৭ হাজার আবেদন-সহ নতুন আবেদনগুলিও দ্রুত নিষ্পত্তি করে যোগ্যদের নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
গ্রেফতারি পরোয়ানায় রক্ষাকবচ পেলেন মহুয়া মৈত্র*
*কলকাতা:* নির্দেশ মেনে হাজিরা না দেওয়ায় তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল নদিয়ার কৃষ্ণনগর আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। সোমবার হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি আর্য্যক দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মহুয়ার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না। আগামী ২৭ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

উল্লেখ্য, তৃণমূল নেতাদের ওপর ডিম হামলার ঘটনায় একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন মহুয়া। সেখানে তিনি পাল্টা পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন এবং অভিযোগ ওঠে, তিনি ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দিয়ে মন্তব্য করেছেন। এই ঘটনায় কৃষ্ণনগর আদালতে মামলা দায়ের হয়।

আদালতের অভিযোগ, বারবার হাজিরা এড়িয়েছেন মহুয়া। এরপরই ১৯ আগস্ট তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। যদিও মহুয়ার আইনজীবীর দাবি, তাঁর বক্তব্য না শুনেই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। ১৮ আগস্ট তিনি আদালতে হাজির হয়েছিলেন, কিন্তু বার অ্যাসোসিয়েশনের ধর্মঘটের জেরে সেদিন শুনানি হয়নি।
হাড়োয়ায় বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি-সন্ত্রাসের অভিযোগ, ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভে আদিবাসী মহিলারা
বসিরহাট : সুন্দরবনের প্রত্যন্ত আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় তোলাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় তোলাবাজি ও সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার চালানোর অভিযোগ তুলে ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ দেখালেন এলাকার মহিলারা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয়ভীতি তৈরি করে জমির মালিকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের চেষ্টা চলছে। ঘটনাটি বসিরহাটের হাড়োয়া থানার গোপালপুর ১নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মুন্সীঘেরি এলাকার। বিক্ষোভকারী আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলাদের দাবি, বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি রাজেন্দ্র সাহা এবং বিজেপির হাড়োয়ার মণ্ডল সভাপতি রজত বরণ সাহার মদতে ও নেতৃত্বে এলাকার কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে এই তোলাবাজি চালানো হচ্ছে।

জমির মালিকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা দাবি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই তোলাবাজির প্রতিবাদ করলেই তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, রাতের অন্ধকারে এলাকায় গিয়ে শূন্যে গুলি চালানো, বোমাবাজি এবং সাধারণ মানুষকে মারধরের মতো ঘটনা ঘটছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলারাও হেনস্থা ও অত্যাচারের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। বিক্ষোভকারী মহিলাদের আরও অভিযোগ, গোটা বিষয়টি নিয়ে পুলিশের কাছে একাধিকবার জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত তারা প্রত্যাশিত ব্যবস্থা পাননি। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। তাদের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে তোলাবাজি ও সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

এদিন ঝাঁটা হাতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখিয়ে মহিলারা স্পষ্ট বার্তা দেন, এলাকার সাধারণ মানুষ কোনওভাবেই তোলাবাজি বা সন্ত্রাস মেনে নেবেন না। তাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে এবং এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। অভিযুক্ত বিজেপি নেতাদের বক্তব্য জানা যায়নি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে মুন্সীঘেরির বাসিন্দারা।

ছবি:সৌমাভ মণ্ডল।
ময়দান মার্কেট খালি করে মেট্রোর কাজ শুরুর নির্দেশ হাইকোর্টের*

*কলকাতা:* কলকাতার ধর্মতলা-জোকা মেট্রোর কাজে বাধা কাটাল কলকাতা হাইকোর্টে। ৭ দিনের মধ্যে কাজ শুরুর নির্দেশ দিলেন বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়।

আদালতের নির্দেশ, ১৯৫৪ সালের ঐতিহাসিক বিধানচন্দ্র রায় মার্কেটের ৩২১টি স্টলকে ৭ দিনের মধ্যে খালি করতে হবে। জোকা-এসপ্ল্যানেড করিডরের গুরুত্বপূর্ণ এসপ্ল্যানেড স্টেশনটি ওই মার্কেটের নীচেই তৈরি হবে। ইতিমধ্যেই ভিক্টোরিয়া স্টেশনের কাজ শুরু হয়েছে এবং টানেল বোরিং মেশিনও সেখানে পৌঁছেছে।

তবে ব্যবসায়ীদের স্বার্থে একাধিক শর্ত দিয়েছে আদালত। মেট্রো সম্প্রসারণের কাজ শেষ হলে ব্যবসায়ীরা পুরনো জায়গায় ফিরতে পারবেন। আপাতত তাঁদের পুনর্বাসনের দায়িত্ব মেট্রো কর্তৃপক্ষের। বিকল্প জায়গা হিসেবে কলকাতা পুলিশের মাউন্টেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অস্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেখানে জল, শৌচালয়, বিদ্যুৎ ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং স্টল বণ্টনের লে-আউটও দিতে হবে।
সুমিত রায়ের মামলা ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুলতুবি*

*কলকাতা:* অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের মামলা ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুলতুবি রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত জানিয়েছে, সুমিতের বিরুদ্ধে মোট কতগুলি এফআইআর হয়েছে, তার তথ্য দিতে হবে রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তকে। ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট দিয়ে আদালতে তা জানাতে হবে।

চাকরি ও জমি দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া এফআইআর-কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুমিত। চাকরির মামলায় রক্ষাকবচ পেলেও জমি দুর্নীতি মামলায় আবেদন খারিজ হয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে সাময়িক রক্ষাকবচ পেয়েছেন তিনি। সুপ্রিম কোর্টে আগামী ৩১ অগস্ট শুনানি রয়েছে।

এদিন সুমিতের আইনজীবী বিকাশ পাহওয়ার অভিযোগ, ৫ জুন প্রথম এফআইআর-এর পর প্রায় প্রতিদিনই তাঁর বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করা হচ্ছে।ইতিমধ্যে ৮ বার সিআইডির তদন্তে হাজিরা দিয়েছেন সুমিত।

অন্যদিকে, রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদারের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিতের মাধ্যমে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২০ কোটি টাকা ঢুকেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ না আসা পর্যন্ত শুনানি মুলতুবি রাখার আবেদন জানান তিনি।

আদালত মৌখিক ভাবে জানিয়েছে, ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুমিতের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারবে না পুলিশ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখার পর ই আদালত সিদ্ধান্ত নেবে।
बिशरपाड़ा में कार सर्विस सेंटर में लगी भीषण आग, 30 गाड़ियां जलकर खाक

*बिशरपाड़ा, उत्तर 24 परगना:* आज तड़के उत्तर 24 परगना के बिशरपाड़ा के बांकड़ा इलाके में भीषण आग लग गई। एक कार सर्विस सेंटर में आग लगने से करीब 30 गाड़ियां जलकर राख हो गईं।

स्थानीय सूत्रों के अनुसार, आज सुबह करीब 4 बजे स्थानीय लोगों ने उस सर्विस सेंटर से पहली बार धुआं निकलते देखा। देखते ही देखते आग ने विकराल रूप ले लिया। गैरेज के अंदर ज्वलनशील पदार्थ, मोबिल और कई गाड़ियां होने की वजह से आग तेजी से फैल गई।

सूचना मिलते ही मौके पर दमकल की 8 गाड़ियां पहुंचीं। कई घंटों की मशक्कत के बाद दमकल कर्मियों ने आग पर काबू पाया। लेकिन तब तक सर्विस सेंटर के अंदर खड़ी करीब 30 गाड़ियां पूरी तरह से जलकर खाक हो चुकी थीं। शुरुआती अनुमान के मुताबिक नुकसान कई करोड़ रुपये का है।

आग कैसे लगी, यह अभी तक स्पष्ट नहीं है। दमकल विभाग का शुरुआती अनुमान है कि शॉर्ट सर्किट की वजह से यह आग लगी है। घटना में किसी के हताहत होने की खबर नहीं है। मौके पर बिशरपाड़ा थाने की पुलिस पहुंच गई है। घटना की जांच शुरू कर दी गई है। * तस्वीर: अंकित मुखर्जी।*
বিশরপাড়ায় গাড়ির সার্ভিস সেন্টারে বিধ্বংসী আগুন, ভস্মীভূত ৩০টি গাড়ি

*বিশরপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনা:* আজ ভোররাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড উত্তর ২৪ বিশরপাড়ার বাঁকড়া অঞ্চলে। একটি গাড়ির সার্ভিস সেন্টারে আগুন লেগে পুড়ে ছাই হয়ে গেল প্রায় ৩০টি গাড়ি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ ভোর প্রায় ৪ টে নাগাদ ওই সার্ভিস সেন্টার থেকে প্রথম ধোঁয়া বেরোতে দেখেন স্থানীয়রা। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার নেয়। গ্যারেজের ভিতরে থাকা দাহ্য পদার্থ, মোবিল এবং একাধিক গাড়ি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ৮ টি ইঞ্জিন। প্রায় কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল বাহিনী। তবে ততক্ষণে সার্ভিস সেন্টারের ভিতরে থাকা প্রায় ৩০টি গাড়ি সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা বলে প্রাথমিক অনুমান।

কীভাবে আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়। শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করছে দমকল। ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশরপাড়া থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। বি:অঙ্কিত মুখার্জি।
২২ বছর পর ডুরান্ড জয় ইস্টবেঙ্গলের, ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত
*খেলা*


*কলকাতা:* ২২ বছরের খরা কাটল। রবিবার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হল ইস্টবেঙ্গল। গ্রুপ পর্বে এই মোহনবাগানের কাছেই হারতে হয়েছিল লাল-হলুদকে, ফাইনালে তারই মধুর প্রতিশোধ নিল তারা।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ২২ মিনিটের মধ্যেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় তারা। এডমুন্ড লালরিনডিকার জোড়া গোল এবং বিপিন সিংয়ের একটি গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় লাল-হলুদ ব্রিগেড। মোহনবাগানের হয়ে একটি গোল শোধ করেন মনবীর সিং। তবে প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক পূরণ করেন এডমুন্ড।

দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। অন্যদিকে মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদের অনবদ্য পারফরম্যান্সে ভর করে আধিপত্য বজায় রাখে ইস্টবেঙ্গল।

এই জয়ের ফলে কোচ আন্তোনিয়ো লোপেজ হাবাস প্রমাণ করে দিলেন তাঁর যোগ্যতা। একসময় মোহনবাগানের কোচ হিসেবে সফল হাবাসকে ছেড়ে দেওয়া যে ভুল ছিল, তা এদিনের ম্যাচেই স্পষ্ট হয়ে গেল।

অন্যদিকে, মোহনবাগানের রক্ষণভাগের দুর্বলতা এদিন প্রকট হয়ে ওঠে। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজরা প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ। মাঝমাঠে আপুইয়া, অনিরুদ্ধ থাপা এবং ফরোয়ার্ডে জেমি ম্যাকলারেনও হতাশ করেন। বি:সঞ্জয় হাজরা।
রাঁধুনিদের সম্মান, ক্যাশলেস চিকিৎসা কার্ড বিতরণ: পিএম পোষণ যোজনার আওতায় সাম্মানিক বৃদ্ধি ও সুবিধা

*নীতেশ শ্রীবাস্তব,ভদোহি:* ভদোহিতে পিএম পোষণ যোজনার আওতায় কর্মরত রাঁধুনিদের সম্মান জানাতে এবং ক্যাশলেস চিকিৎসা কার্ড বিতরণের জন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল রবিবার। এই অনুষ্ঠানে জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পঞ্চায়েত সভাপতি অনিরুদ্ধ ত্রিপাঠী, জ্ঞানপুরের বিধায়ক বিপুল দুবে এবং বিজেপির জেলা সভাপতি ভদোহি দীপক মিশ্র প্রমুখ।

শিক্ষা দফতর থেকে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক ভদোহি অংশুমান, জেলা বেসিক শিক্ষা আধিকারিক ভদোহি শিবম পাণ্ডে, খণ্ড শিক্ষা আধিকারিক জ্ঞানপুর রমাকান্ত সিহরৌর এবং খণ্ড শিক্ষা আধিকারিক দীঘ মনোজ সিংও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে রাজ্য সরকারের তরফে রাঁধুনিদের স্বার্থে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও সুবিধার কথা জানানো হয়। জানানো হয় যে, মুখ্যমন্ত্রী রাঁধুনিদের সাম্মানিক ২,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩,০০০ টাকা করে দিয়েছেন। এই পদক্ষেপ তাঁদের আর্থিক ক্ষমতায়নের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
রাঁধুনিদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষার জন্য অন্যান্য সুবিধার কথাও জানানো হয়। এর মধ্যে দুর্ঘটনায় কোনও রাঁধুনির মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে স্টেট ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ২ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
এছাড়াও, রাঁধুনি ও তাঁদের পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসা সুবিধাও দেওয়া হচ্ছে। এই উদ্যোগের ফলে তাঁরা আরও ভালো এবং সময়মতো চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন।

অনুষ্ঠানে শিশুদের পুষ্টিকর ও গুণগত মানের খাবার সরবরাহে রাঁধুনিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করা হয়। এই সময় শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, শিশুদের পুষ্টির উন্নতি এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির কার্যকর বাস্তবায়ন নিয়েও আলোচনা হয়।