খেলা
![]()
*আই এস এল*
মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ৩-২ গোলে হারিয়েছে পাঞ্জাব এফ সি কে।![]()
ছ
বি:সঞ্জয় হাজরা ( খবর কলকাতা)।
দুয়ারে দুয়ারে ঝর্না! সন্দেশখালিতে বাড়ি বাড়ি প্রচারে তৃণমূল প্রার্থীর জোরদার রোড শো
বসিরহাট : সন্দেশখালির রাজনৈতিক মাটিতে ফের সরগরম প্রচার। একসময় যে এলাকা ২০২৪ সালের নারী আন্দোলনের কারণে রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছিল, সেই সন্দেশখালিতেই এখন অন্য ছবি। বাড়ি বাড়ি পৌঁছে সরাসরি জনসংযোগে জোর দিচ্ছেন তৃণমূল প্রার্থী ঝর্না সরদার। তার প্রচারের ধরন দেখে অনেকেই বলছেন, “এ যেন দুয়ারে সরকার নয়, দুয়ারে প্রার্থী!”
রবিবার সন্দেশখালি বিধানসভার বয়ারমারী ১নং গ্রাম পঞ্চায়েতের ঢেকনামারী, বয়ারমারী ও মঠবাড়ী সহ একাধিক এলাকায় জোরকদমে প্রচার চালান তিনি। কখনও হুড খোলা গাড়িতে চড়ে রোড শো, আবার কখনও সরাসরি মানুষের বাড়িতে গিয়ে কথা বলা দু’ধরনের কৌশলই একসঙ্গে ব্যবহার করছেন ঝর্না সরদার। তার সঙ্গে ছিলেন সন্দেশখালি ১নং ব্লক তৃণমূল সভাপতি ইমাম আলী গাজী এবং বয়ারমারী ১নং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রতিনিধি আব্দুল ওহিদ ঢালী। ঝর্না সরদার প্রচারে বেরিয়ে বারবারই স্থানীয় মানুষের সমস্যার কথা তুলে ধরছেন। তার বক্তব্য, “সন্দেশখালির মানুষ অনেক কিছু দেখেছেন, অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে থেকেছেন। এখন সময় উন্নয়নের ধারাকে আরও শক্তিশালী করার। তাই আমি নিজেই মানুষের কাছে যাচ্ছি, তাদের কথা শুনছি।” তিনি আরও বলেন, ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি নয়, বরং কাজের ভিত্তিতেই মানুষের আস্থা অর্জন করতে চান তিনি।
অন্যদিকে ইমাম আলী গাজী সংগঠনের শক্তির ওপর জোর দিয়ে বলেন, “সন্দেশখালিতে তৃণমূল কংগ্রেস মাটির সঙ্গে যুক্ত দল। তাই আমরা মানুষের দরজায় দরজায় পৌঁছে যাচ্ছি। মানুষ আমাদের সাড়া দিচ্ছেন, সেটাই সবচেয়ে বড় শক্তি।” তার দাবি, গত দু’বছরে এলাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে এবং সেই পরিবর্তনই এই প্রচারে প্রতিফলিত হচ্ছে।
আব্দুল ওহিদ ঢালী স্থানীয় স্তরের কাজের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “গ্রামের রাস্তা, পানীয় জল, বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প এই সমস্ত ক্ষেত্রেই কাজ হয়েছে। মানুষ সেই উন্নয়ন দেখেছেন বলেই তারা আবার তৃণমূলের ওপর আস্থা রাখবেন।” তিনি আরও জানান, প্রত্যন্ত এলাকাতেও প্রচার পৌঁছে দিতে দলীয় কর্মীরা সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। ২০২৪ সালের নারী আন্দোলনের পর লোকসভা ভোটে এই এলাকায় শাসকদলের পিছিয়ে পড়া রাজনৈতিক সমীকরণকে বদলে দিয়েছিল। তবে এখন সেই সমীকরণ ফের পাল্টাতে মরিয়া তৃণমূল নেতৃত্ব। তাই বড় সভার পাশাপাশি ছোট ছোট জনসংযোগ, রোড শো এবং বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাওয়ার ওপরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, সন্দেশখালিতে এবার প্রচারের রং একেবারেই আলাদা। মাইক আর মঞ্চের বাইরে বেরিয়ে সরাসরি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়ার এই কৌশল কতটা ফল দেবে, সেটাই এখন দেখার। তবে আপাতত একটাই স্পষ্ট।সন্দেশখালিতে ভোটের লড়াই জমে উঠেছে, আর সেই লড়াইয়ের কেন্দ্রে রয়েছেন ঝর্না সরদার।
ভোটের মঞ্চে ‘মালাবদল’! বক্তৃতার শেষে বাবুলের আবদারে জমে গেল মিনাখাঁর নির্বাচনী সভা
বসিরহাট : সুন্দরবনের হাওয়ায় রাজনীতি, আর তার মাঝেই একটু “বিনোদনের বাতাস”-এই দুইয়ের মিশেলে বসিরহাটের মিনাখাঁ যেন এক অন্যরকম নির্বাচনী মঞ্চের সাক্ষী থাকল। মিনাখাঁ বিধানসভার মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মুচিখোলা এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী ঊষারাণী মণ্ডলের সমর্থনে আয়োজিত সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। শুরুটা ছিল একেবারে চেনা রাজনৈতিক ছন্দে। কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা, এসআইআর নিয়ে তোপ, আর ভোটের বার্তা। কিন্তু শেষটা? সেটাই হয়ে গেল দিনের আসল “হাইলাইট”।
বক্তব্যের একেবারে শেষে হঠাৎ করেই বাবুলের গলায় ভেসে এল এক অন্যরকম অনুরোধ “এবার একটু মালাবদল হোক!” মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূল প্রার্থী ঊষারাণী মণ্ডল এবং তার স্বামী তথা উত্তর ২৪ পরগণা জেলা পরিষদের তৃণমূলের পরিষদীয় দলনেতা মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডল প্রথমে একটু অপ্রস্তুত হলেও, সাংসদের আবদার তো আর ফেলা যায় না! ফলাফল ভরা সভায়, দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের সামনে, হেসে খেলে মালা বদল করে ফেললেন দু’জন। রাজনৈতিক সভা যেন মুহূর্তে পরিণত হল “লাইভ ফ্যামিলি ফাংশন”-এ! মঞ্চের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কর্মীদের মধ্যে শুরু হল ফিসফাস, তারপরই হেসে গড়াগড়ি অবস্থা। কেউ বলছেন, “এটা কি প্রচার সভা না বৌভাত?” আবার কেউ মোবাইল বার করে ভিডিও তুলতে ব্যস্ত।
ঊষারাণী মণ্ডল পরে অবশ্য পুরো বিষয়টাকে হাল্কা মেজাজেই নিলেন। তার কথায়, “সাংসদের আবদার, আর প্রচারের মধ্যে একটু বিনোদন, খারাপ কী?”অন্যদিকে, স্থানীয়দের বক্তব্য, "এমন দৃশ্য তারা আগে কোনো নির্বাচনী সভায় দেখেননি।" রাজনৈতিক বক্তব্যের মাঝে এমন “রোমান্টিক টুইস্ট” যে আসতে পারে, তা অনেকেরই কল্পনার বাইরে ছিল।
সব মিলিয়ে, ভোটের লড়াই যতই গম্ভীর হোক না কেন, মিনাখাঁর এই সভা প্রমাণ করে দিল রাজনীতিতেও মাঝে মাঝে হাসির খোরাক দরকার। আর সেই দায়িত্বটা সেদিন বেশ ভালোভাবেই সামলাল এই “মালাবদল এপিসোড”।
ভাটপাড়া বড় শ্রীরামপুরে বিজেপি কর্মী হামলার ঘটনায় ধৃত মূল অভিযুক্ত
![]()
প্রবীর রায়: জগদ্দল বিধানসভার অন্তর্গত ভাটপাড়া পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে বড় শ্রীরামপুরে বিজেপি কর্মী রাজ কুমার সাউ ওরফে মনুর বাড়িতে গত ৯ই মার্চ দুপুরে হামলা চালানোর হয়।হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ বিজেপি দলের পরিবর্তন যাত্রায় যোগ দিয়েছিল এই রাজু। সেই আক্রোশে ওইদিন দুপুরে রাজুর বাড়িতে হামলা চালায় দুষ্কৃতী সুজিত চৌধুরী ও তার দলবল। পরদিন রাজুর দাদা অমিত সাউ ভাটপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল সুজিত। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নারাণপুর বাদামতলা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করল। পুলিশ ধৃতের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে। ও পাঁচটি কার্তুজ উদ্ধার করে।
*প্রচার* *বিজেপি প্রার্থীদের*
![]()
নিজস্ব প্রতিনিধি: রবিবারের প্রচারে জগদ্দল বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী রাজেশ কুমারের সাথে নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং পদযাত্রা। এদিন দুই কেন্দ্রের দুই প্রার্থী দুজনে জনসংযোগ করলেন স্থিরপাড়া রেলগেট থেকে বুড়ি বটতলা পর্যন্ত।
অন্যদিকে,বীজপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস প্রচার করলেন অভিনেতা উত্তম কুমারের ক্যালেন্ডার দিয়ে। প্রচারের মাঝখানে তিনি মাঠে গিয়ে ক্রিকেট খেললেন। তারপর মন্দিরে পূজো দিয়ে সেখান থেকে প্রচার শুরু করলেন।তার মধ্যে থেকেও এক সাধারণ বয়স্ক মহিলা প্রার্থীর হাতে উপহার তুলে দিলেন। তিনি বলেন ,"এই উপহার বিজেপির বাংলার পরিবর্তন লড়াইয়ে এই উপহার বিশেষ করে প্রয়োজন।"![]()
ছবি: প্রবীর রায়
*খেলা* *আই এস এল* আগামীকাল আইএসএল এর ম্যাচে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের মুখোমুখি পাঞ্জাব এফসি
নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল অর্থাৎ রবিবার কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আইএসএল এর ম্যাচে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের মুখোমুখি হচ্ছে পাঞ্জাব এফসি। খেলা শুরু হবে সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিটে।শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন মোহনবাগানের কোচ সের্জিও লোবেরা রদ্রিগেজ এবং দলে নতুন সই করা ফুটবলার অভিষেক সিং টেকচাম। উল্লেখ্য, অভিষেক এর আগে পাঞ্জাব এফ সিতেই খেলতেন।পাঞ্জাব এফ সি থেকেই নিয়ে এসে সই করায় মোহনবাগান। আগামীকাল অভিষেক খেলতে নামবে তার একসময়ে খেলা দলের বিরুদ্ধে।
ছবি: সঞ্জয় হাজরা (খবর কলকাতা)।
*খেলা* ক্যালকাটা প্রিমিয়ার হকি লিগে ইস্টবেঙ্গল কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান
Sports Desk: আজ কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী হকি স্টেডিয়ামে ক্যালকাটা প্রিমিয়ার হকি লিগে মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাব ইস্টবেঙ্গল কে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিজয়ী শিরোপা অর্জন করল। খেলার প্রথমার্ধে মোহনবাগান ২-১ গোলে এগিয়ে থাকে। শেষে দ্বিতীয়ার্ধে আরও একটি গোল করে ৩-১ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে। দুই পক্ষের সমর্থকদের উল্লাস ছিল আজ চোখে পড়ার মত। মাঠে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন অলিম্পিয়ান হকি তারকা গুরুবক্স সিং , হিটকোর চেয়ারম্যান সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। খেলার শেষে মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের সভাপতি দেবাশীষ দত্ত দলের খেলোয়াড়দের প্রশংসা করে জানান, "মোহনবাগান ক্লাব আগামী দিনে একটি হকি একাডেমি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে।"
![]()
ছ
![]()
বি: সঞ্জয় হাজরা।
মনোনয়নপত্র জমা
![]()
বুধবার উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের AJUP এর প্রার্থী Afsana Khatoon ও উত্তর ২৪ পরগনার খরদহ বিধানসভা AJUP প্রার্থী Nasir Khan তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন।![]()
বসিরহাটের মিনাখাঁর সভা থেকে উন্নয়ন ও ভোটের অঙ্কে জোর দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
![]()
সৌমাভ মন্ডল,বসিরহাট : বসিরহাটের মিনাখাঁয় নির্বাচনী জনসভা ঘিরে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি উঠে এল সুন্দরবনকেন্দ্রিক বড় রাজনৈতিক বার্তা। বৃহস্পতিবার হাড়োয়া সার্কাস ময়দানে জনসভা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিনাখাঁ বিধানসভায় তৃণমূল প্রার্থী ঊষারানি মণ্ডল এবং হাড়োয়া কেন্দ্রের প্রার্থী মুফতি আব্দুল মাতিনের সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সভাস্থলের পরিস্থিতি কিন্তু ছিল প্রতিকূল। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মাঠের একাধিক অংশ জল ও কাদায় ভরে যায়। তবুও সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে সভাস্থলে। কাদা মাড়িয়েই দলীয় কর্মী-সমর্থকদের এই উপস্থিতি রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছে তৃণমূল নেতৃত্ব।
এই আবেগঘন পরিবেশের মাঝেই মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতায় বিশেষ গুরুত্ব পায় সুন্দরবন। তিনি ঘোষণা করেন, সুন্দরবনকে আলাদা জেলা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তার বক্তব্য, সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে এখনও বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজের জন্য অনেক দূর যেতে হয়, যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। আলাদা জেলা হলে সেই সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, বসিরহাটকে ইতিমধ্যেই আলাদা স্বাস্থ্য জেলা হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে এবং সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে, যাতে সীমান্ত ও সুন্দরবন এলাকার মানুষ উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা পেতে পারেন।
মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, রাজ্য সরকারের ১০৫টি প্রকল্প বর্তমানে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছে এবং সুন্দরবনের সব এলাকাতেই মানুষ তার সুফল পাচ্ছেন। তার কথায়, উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতাই আগামী দিনে আরও জোরদার করা হবে। তবে রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন উদ্বেগও তৈরি হয়েছে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে। পরিসংখ্যান বলছে, মিনাখাঁ এলাকায় প্রায় ১৬ হাজার ৪৯১ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। গত নির্বাচনে ঊষারানি মণ্ডল প্রায় ৫৫ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু এবারের এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে কিছুটা চিন্তায় রয়েছে দলীয় নেতৃত্ব। একইভাবে হাড়োয়া কেন্দ্রেও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টি বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। গতবার এই কেন্দ্রে শেখ হাজি নুরুল ইসলাম ৪২ হাজার ৪০৭ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন, আর এবার সেই আসনে লড়ছেন মুফতি আব্দুল মাতিন।
সব মিলিয়ে, একদিকে প্রতিকূল আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে জনসমাগম, অন্যদিকে সুন্দরবনকে আলাদা জেলা ঘোষণার প্রতিশ্রুতি। এই দুইয়ের সমন্বয়ে মিনাখাঁর সভা থেকে স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী। ভোট যত এগোচ্ছে, ততই উন্নয়ন, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং জনসংযোগ এই তিনকেই সামনে রেখে প্রচারে ঝাঁজ বাড়াচ্ছে তৃণমূল।
1 hour and 34 min ago
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1