কলকাতা হাইকোর্টের ৪৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাজ্যপাল আর. এন. রবি তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জুন তিনি বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জুন মাসে তিনি বোম্বে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজনেরা:

এদিনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের আইনমন্ত্রী বিরাজ বিশ্বাস, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র সহ হাইকোর্টের একাধিক বিচারপতি ও আইনজীবীরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ধীরাজ ত্রিবেদী, বার লাইব্রেরি ক্লাবের সভাপতি সুদীপ্ত সরকার, বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অশোক কুমার ধান্দানিয়া এবং ইনকর্পোরেটেড ল সোসাইটির সম্পাদক পরিতোষ সিংহ।

আইনজীবীদের বার্তা দিলেন প্রধান বিচারপতি:

আইনজীবীদের পক্ষ থেকে স্বাগত ভাষণের উত্তরে প্রধান বিচারপতি ঘুগে কলকাতা বার পরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আমি সব সময় বারের জন্য উন্মুক্ত। বারের যে কোনও সমস্যা নিয়ে আপনারা আমার কাছে আসতে পারেন। অন্যান্য বিচারপতিদের সহযোগিতায় আমি সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।"

জুনিয়র আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "পেশার প্রথম দিকে আমি সাইকেলে চড়ে বাড়ি থেকে আদালতে যাতায়াত করতাম। সততা এবং পেশার প্রতি ভালোবাসা থাকলে সাফল্য আসবেই।"

আবেগঘন প্রধান বিচারপতি:

নিজের বক্তব্যে আবেগঘন হয়ে পড়েন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, "আমার শৈশবের কথা খুব মনে পড়ে। আমার কর্মজীবনে সাড়ে সাত বছর মোটরসাইকেলই ছিল আমার সঙ্গী। আমি কখনও হেলমেট পরতে ভুলিনি। আমার জীবন সংগ্রামে আমার স্ত্রী সব সময় আমার সঙ্গী। এই যাত্রা একা সম্ভব হতো না। আমার পরিবারের সমর্থন এবং আমার প্রয়াত মায়ের নীরব আত্মত্যাগের কথা মনে পড়ছে। এই মুহূর্তে আমার প্রয়াত মাকে খুব মনে পড়ছে। তিনি যেখানেই থাকুন, আমাকে আশীর্বাদ করছেন। আমি নিজেকে সব সময় একজন আইনজীবী বলেই মনে করি। আমার দরজা সবার জন্য খোলা।"

তিনি আরও বলেন, "আমার স্ত্রীর সমর্থনের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমার দুই মেয়ে সহ আমার পরিবারের কাছে তিনি ঢালের মতো।" শেষে পশ্চিমবঙ্গের বিচার বিভাগের সকল সদস্যের মঙ্গল কামনা করেন প্রধান বিচারপতি।

ছবি:সৌজন্যে লাইভ ল।

গ্রেফতারি পরোয়ানা খারিজ, বড় স্বস্তিতে মহুয়া মৈত্র!
#MahuaMoitra #CalcuttaHighCourt #MPMLACourt #Krishnanagar #TMC #BreakingNews #BengalPolitics .

*কলকাতা:* কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে বড় স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। খারিজ হয়ে গেল তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা।

সোমবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি আর্য্যক দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, কৃষ্ণনগর আদালতের সমস্ত নির্দেশ বাতিল করা হল। মামলাটি আর কৃষ্ণনগরে চলবে না, স্থানান্তরিত করা হল বিধাননগরের এমপি-এমএলএ বিশেষ আদালতে।

*কি ছিল অভিযোগ?*

ভারতীয় সেনাবাহিনী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য এবং মহিলাদের তুলসীমালা, বোরখা ও হিজাব পরা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কৃষ্ণনগরের এক বাসিন্দা BNSS ও BNS-এর একাধিক ধারায় মামলা করেন।

অভিযোগ ছিল, তিনি নারীর শালীনতা ক্ষুণ্ণ করেছেন, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছেন ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বে উস্কানি দিয়েছেন।

সমনের পরেও হাজিরা না দেওয়ায় কৃষ্ণনগর আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যান মহুয়া।

আইনজীবীর যুক্তি ছিল, বর্তমান সাংসদ হওয়ায় তাঁর মামলার এক্তিয়ার এমপি-এমএলএ কোর্টের। সেই যুক্তি মেনেই রায় দিল হাইকোর্ট।আপাতত স্বস্তিতে মহুয়া শিবির।
অবশেষে স্থায়ী প্রধান বিচারপতি পাচ্ছে কলকাতা হাই কোর্ট, একসঙ্গে দেশের ৮ হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ

#CalcuttaHighCourt

নয়াদিল্লি / কলকাতা: দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। অবশেষে স্থায়ী প্রধান বিচারপতি পেতে চলেছে কলকাতা হাই কোর্ট। কলকাতার নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিঠালরাও ঘুগে।

বর্তমানে বম্বে হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। শনিবার কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের তরফে ৮টি হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে গত ৯ ও ৩১ আগস্ট এই নামগুলি সুপারিশ করেছিল। রাষ্ট্রপতি সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই নিয়োগে সম্মতি দিয়েছেন বলে এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।

দীর্ঘদিন ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির হাতে চলছিল কলকাতা হাই কোর্ট। স্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগে বিচার ব্যবস্থায় গতি আসবে বলে মনে করছে আইনজীবী মহল।

১৯৯০ সালে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। শুরুতে শ্রমিক ইউনিয়নের হয়ে প্রায় দু'হাজার মামলায় সওয়াল করেছেন। পরে বহু শিল্প সংস্থা ও বহুজাতিক সংস্থার হয়েও মামলা লড়েছেন। দীর্ঘ ১৩ বছর বিচারপতি পদে থাকার পর এবার কলকাতা হাই কোর্টের শীর্ষ পদে আসছেন তিনি।

আর কোন কোন হাই কোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি?

- পাটনা: বিচারপতি ভি কামেশ্বর রাও (দিল্লি হাই কোর্ট)

- রাজস্থান: বিচারপতি সঞ্জয়কুমার আগরওয়াল (ছত্তিসগড় হাই কোর্ট)

- বম্বে: বিচারপতি মহেশচন্দ্র ত্রিপাঠী (এলাহাবাদ হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি)

- পাঞ্জাব ও হরিয়ানা: বিচারপতি অশ্বিনীকুমার মিশ্র

- ছত্তিসগড়: বিচারপতি কৃষ্ণরাম মহাপাত্র (ওড়িশা হাই কোর্ট)

- মধ্যপ্রদেশ: বিচারপতি অল্পেশ যশবন্ত কোগজে (গুজরাট হাই কোর্ট)

- জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ: বিচারপতি পুষ্পেন্দ্র সিং ভাটি (রাজস্থান হাই কোর্ট)

কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির পরই এই নিয়োগ কার্যকর হবে।

ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে তৃণমূলকে স্বস্তি দিল না হাই কোর্ট, খারিজ অন্তর্বর্তী নির্দেশের আর্জি*

*শিরোনাম:* ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড বিতর্ক: হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল, মিলল না অন্তর্বর্তী স্বস্তি, গ্রেফতার ১৩

*কলকাতা, ২৮ আগস্ট:* কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কলকাতা পুরসভার উচ্ছেদ অভিযানকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল না আদালত।

শুক্রবার সকালে বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর এজলাসে মামলাটির উল্লেখ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। আদালত মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে এবং আজই নম্বর নিয়ে আসলে শুনানির আশ্বাস দিয়েছে।

আইনজীবী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪:৪৫ নাগাদ কলকাতা পুরসভার কর্মীরা তৃণমূল ভবনে ঢুকে বিলবোর্ড ভাঙচুর করেন।

এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি বসুচৌধুরী বলেন, "মামলার নম্বর না পড়লে শুনানি সম্ভব নয়। নম্বর নিয়ে আসুন, আজকেই শুনব।" তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "ইতিমধ্যেই হোর্ডিং খুলে দেওয়া হয়েছে, ফলে এখনই আদালতের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।" তৃণমূলের হোর্ডিং পুনরায় লাগানোর আর্জিও খারিজ করে আদালত জানায়, মামলাটি এখনও অপরিণত পর্যায়ে রয়েছে। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে, তারপরই পরবর্তী শুনানি।

জানা গেছে, ক্যামাক স্ট্রিটে প্রায় ৩০০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' লেখা সাইনবোর্ড খুলে দেয় পুরসভা।

তৃণমূলের অভিযোগ, তালা ভেঙে ছাদে উঠে সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলা হয়। বাধা দিতে গিয়ে সিঁড়িতে শুয়ে পড়েন সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন সহ নেতা-কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়।

এই ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় ৩টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফ আই আর-এ নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও'ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও হুমায়ুন কবীরের।

পুরসভা বোর্ড খুলে দিলেও, বৃহস্পতিবার রাতেই ওই স্থানে ফের তৃণমূলের ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিষেকের দাবি, এটি বিজেপির প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির ফল এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে বেআইনি হস্তক্ষেপ।

*#Tags:* #CamacStreet #TMC #AbhishekBanerjee #KolkataHighCourt #KMC
কলকাতা হাইকোর্টের ৪৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাজ্যপাল আর. এন. রবি তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জুন তিনি বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জুন মাসে তিনি বোম্বে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজনেরা:

এদিনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের আইনমন্ত্রী বিরাজ বিশ্বাস, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র সহ হাইকোর্টের একাধিক বিচারপতি ও আইনজীবীরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ধীরাজ ত্রিবেদী, বার লাইব্রেরি ক্লাবের সভাপতি সুদীপ্ত সরকার, বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অশোক কুমার ধান্দানিয়া এবং ইনকর্পোরেটেড ল সোসাইটির সম্পাদক পরিতোষ সিংহ।

আইনজীবীদের বার্তা দিলেন প্রধান বিচারপতি:

আইনজীবীদের পক্ষ থেকে স্বাগত ভাষণের উত্তরে প্রধান বিচারপতি ঘুগে কলকাতা বার পরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আমি সব সময় বারের জন্য উন্মুক্ত। বারের যে কোনও সমস্যা নিয়ে আপনারা আমার কাছে আসতে পারেন। অন্যান্য বিচারপতিদের সহযোগিতায় আমি সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।"

জুনিয়র আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "পেশার প্রথম দিকে আমি সাইকেলে চড়ে বাড়ি থেকে আদালতে যাতায়াত করতাম। সততা এবং পেশার প্রতি ভালোবাসা থাকলে সাফল্য আসবেই।"

আবেগঘন প্রধান বিচারপতি:

নিজের বক্তব্যে আবেগঘন হয়ে পড়েন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, "আমার শৈশবের কথা খুব মনে পড়ে। আমার কর্মজীবনে সাড়ে সাত বছর মোটরসাইকেলই ছিল আমার সঙ্গী। আমি কখনও হেলমেট পরতে ভুলিনি। আমার জীবন সংগ্রামে আমার স্ত্রী সব সময় আমার সঙ্গী। এই যাত্রা একা সম্ভব হতো না। আমার পরিবারের সমর্থন এবং আমার প্রয়াত মায়ের নীরব আত্মত্যাগের কথা মনে পড়ছে। এই মুহূর্তে আমার প্রয়াত মাকে খুব মনে পড়ছে। তিনি যেখানেই থাকুন, আমাকে আশীর্বাদ করছেন। আমি নিজেকে সব সময় একজন আইনজীবী বলেই মনে করি। আমার দরজা সবার জন্য খোলা।"

তিনি আরও বলেন, "আমার স্ত্রীর সমর্থনের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমার দুই মেয়ে সহ আমার পরিবারের কাছে তিনি ঢালের মতো।" শেষে পশ্চিমবঙ্গের বিচার বিভাগের সকল সদস্যের মঙ্গল কামনা করেন প্রধান বিচারপতি।

ছবি:সৌজন্যে লাইভ ল।

গ্রেফতারি পরোয়ানা খারিজ, বড় স্বস্তিতে মহুয়া মৈত্র!
#MahuaMoitra #CalcuttaHighCourt #MPMLACourt #Krishnanagar #TMC #BreakingNews #BengalPolitics .

*কলকাতা:* কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে বড় স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। খারিজ হয়ে গেল তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা।

সোমবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি আর্য্যক দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, কৃষ্ণনগর আদালতের সমস্ত নির্দেশ বাতিল করা হল। মামলাটি আর কৃষ্ণনগরে চলবে না, স্থানান্তরিত করা হল বিধাননগরের এমপি-এমএলএ বিশেষ আদালতে।

*কি ছিল অভিযোগ?*

ভারতীয় সেনাবাহিনী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য এবং মহিলাদের তুলসীমালা, বোরখা ও হিজাব পরা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কৃষ্ণনগরের এক বাসিন্দা BNSS ও BNS-এর একাধিক ধারায় মামলা করেন।

অভিযোগ ছিল, তিনি নারীর শালীনতা ক্ষুণ্ণ করেছেন, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছেন ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বে উস্কানি দিয়েছেন।

সমনের পরেও হাজিরা না দেওয়ায় কৃষ্ণনগর আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যান মহুয়া।

আইনজীবীর যুক্তি ছিল, বর্তমান সাংসদ হওয়ায় তাঁর মামলার এক্তিয়ার এমপি-এমএলএ কোর্টের। সেই যুক্তি মেনেই রায় দিল হাইকোর্ট।আপাতত স্বস্তিতে মহুয়া শিবির।
অবশেষে স্থায়ী প্রধান বিচারপতি পাচ্ছে কলকাতা হাই কোর্ট, একসঙ্গে দেশের ৮ হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ

#CalcuttaHighCourt

নয়াদিল্লি / কলকাতা: দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। অবশেষে স্থায়ী প্রধান বিচারপতি পেতে চলেছে কলকাতা হাই কোর্ট। কলকাতার নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিঠালরাও ঘুগে।

বর্তমানে বম্বে হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। শনিবার কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের তরফে ৮টি হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে গত ৯ ও ৩১ আগস্ট এই নামগুলি সুপারিশ করেছিল। রাষ্ট্রপতি সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই নিয়োগে সম্মতি দিয়েছেন বলে এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।

দীর্ঘদিন ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির হাতে চলছিল কলকাতা হাই কোর্ট। স্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগে বিচার ব্যবস্থায় গতি আসবে বলে মনে করছে আইনজীবী মহল।

১৯৯০ সালে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। শুরুতে শ্রমিক ইউনিয়নের হয়ে প্রায় দু'হাজার মামলায় সওয়াল করেছেন। পরে বহু শিল্প সংস্থা ও বহুজাতিক সংস্থার হয়েও মামলা লড়েছেন। দীর্ঘ ১৩ বছর বিচারপতি পদে থাকার পর এবার কলকাতা হাই কোর্টের শীর্ষ পদে আসছেন তিনি।

আর কোন কোন হাই কোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি?

- পাটনা: বিচারপতি ভি কামেশ্বর রাও (দিল্লি হাই কোর্ট)

- রাজস্থান: বিচারপতি সঞ্জয়কুমার আগরওয়াল (ছত্তিসগড় হাই কোর্ট)

- বম্বে: বিচারপতি মহেশচন্দ্র ত্রিপাঠী (এলাহাবাদ হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি)

- পাঞ্জাব ও হরিয়ানা: বিচারপতি অশ্বিনীকুমার মিশ্র

- ছত্তিসগড়: বিচারপতি কৃষ্ণরাম মহাপাত্র (ওড়িশা হাই কোর্ট)

- মধ্যপ্রদেশ: বিচারপতি অল্পেশ যশবন্ত কোগজে (গুজরাট হাই কোর্ট)

- জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ: বিচারপতি পুষ্পেন্দ্র সিং ভাটি (রাজস্থান হাই কোর্ট)

কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির পরই এই নিয়োগ কার্যকর হবে।

ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে তৃণমূলকে স্বস্তি দিল না হাই কোর্ট, খারিজ অন্তর্বর্তী নির্দেশের আর্জি*

*শিরোনাম:* ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড বিতর্ক: হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল, মিলল না অন্তর্বর্তী স্বস্তি, গ্রেফতার ১৩

*কলকাতা, ২৮ আগস্ট:* কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কলকাতা পুরসভার উচ্ছেদ অভিযানকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল না আদালত।

শুক্রবার সকালে বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর এজলাসে মামলাটির উল্লেখ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। আদালত মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে এবং আজই নম্বর নিয়ে আসলে শুনানির আশ্বাস দিয়েছে।

আইনজীবী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪:৪৫ নাগাদ কলকাতা পুরসভার কর্মীরা তৃণমূল ভবনে ঢুকে বিলবোর্ড ভাঙচুর করেন।

এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি বসুচৌধুরী বলেন, "মামলার নম্বর না পড়লে শুনানি সম্ভব নয়। নম্বর নিয়ে আসুন, আজকেই শুনব।" তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "ইতিমধ্যেই হোর্ডিং খুলে দেওয়া হয়েছে, ফলে এখনই আদালতের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।" তৃণমূলের হোর্ডিং পুনরায় লাগানোর আর্জিও খারিজ করে আদালত জানায়, মামলাটি এখনও অপরিণত পর্যায়ে রয়েছে। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে, তারপরই পরবর্তী শুনানি।

জানা গেছে, ক্যামাক স্ট্রিটে প্রায় ৩০০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' লেখা সাইনবোর্ড খুলে দেয় পুরসভা।

তৃণমূলের অভিযোগ, তালা ভেঙে ছাদে উঠে সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলা হয়। বাধা দিতে গিয়ে সিঁড়িতে শুয়ে পড়েন সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন সহ নেতা-কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়।

এই ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় ৩টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফ আই আর-এ নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও'ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও হুমায়ুন কবীরের।

পুরসভা বোর্ড খুলে দিলেও, বৃহস্পতিবার রাতেই ওই স্থানে ফের তৃণমূলের ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিষেকের দাবি, এটি বিজেপির প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির ফল এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে বেআইনি হস্তক্ষেপ।

*#Tags:* #CamacStreet #TMC #AbhishekBanerjee #KolkataHighCourt #KMC