ससुराल के खिलाफ अस्पष्ट आरोप पर 498A का केस नहीं चलेगा - हाईकोर्ट का बड़ा फैसला*

#CalcuttaHighCourt

रिपोर्ट: स्वरूप रॉय

कोलकाता, 11 सितंबर:

पति-पत्नी के झगड़े में पूरे ससुराल को फंसा देने के चलन पर कलकत्ता हाईकोर्ट ने ब्रेक लगा दिया है। कोर्ट ने साफ कह दिया है कि सिर्फ घिसे-पिटे और अस्पष्ट आरोपों के आधार पर ससुराल वालों के खिलाफ 498A का केस नहीं टिकेगा।

जस्टिस शम्पा दत्त (पॉल) की बेंच ने डॉ. शैबल अधिकारी और अन्य की याचिका पर सुनवाई करते हुए ससुराल पक्ष के खिलाफ चल रही पूरी कार्यवाही को रद्द कर दिया।

क्या था पूरा मामला?

एक महिला ने अपने पति और ससुराल के लोगों पर दहेज के लिए मानसिक और शारीरिक प्रताड़ना का आरोप लगाकर 498A / 406 / 323 / 506 / 34 के तहत FIR दर्ज कराई थी।

ससुराल पक्ष ने हाईकोर्ट में कहा कि वे अलग रहते हैं। उनका इस झगड़े से कोई लेना-देना नहीं है, सिर्फ पति के रिश्तेदार होने के कारण उन्हें फंसाया गया है।

वहीं पत्नी पक्ष का आरोप था कि ससुराल वालों ने सब कुछ जानते हुए भी बेटे को रोका नहीं, बल्कि उसे उकसाया।

हाईकोर्ट की 5 बड़ी टिप्पणियां:

1. शिकायत में कोई तारीख, समय या घटना का जिक्र नहीं है। आरोप बेहद सामान्य हैं।

2. सिर्फ यह जानकर चुप रहना कि बेटा बहू को प्रताड़ित कर रहा है, 498A के तहत क्रूरता नहीं है।

3. केस डायरी में ससुराल वालों के खिलाफ कोई मेडिकल रिपोर्ट, बरामदगी या स्वतंत्र गवाह नहीं है।

4. सुप्रीम कोर्ट के भजनलाल, प्रीति गुप्ता और गीता मेहरोत्रा फैसलों का हवाला, जहां पूरे परिवार को घसीटने से मना किया गया है।

5. ऐसे केस को चलने देना कानून की प्रक्रिया का दुरुपयोग होगा।

कोर्ट का अंतिम आदेश: ससुराल वालों के खिलाफ केस खारिज। पति के खिलाफ केस चलता रहेगा।

শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অস্পষ্ট অভিযোগে ৪৯৮এ মামলা টিকবে না, বড় রায় হাইকোর্টের*

#CalcuttaHighCourt (Paul)

কলকাতা, ১১ সেপ্টেম্বর: বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া হলেই শ্বশুরবাড়ির সবাইকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার দিন শেষ। এমনই কড়া বার্তা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়ে দিল, শুধুমাত্র সাধারণ ও অস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ৪৯৮এ ধারায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা চলতে পারে না।বিচারপতি শম্পা দত্ত (পাল)-এর একক বেঞ্চ ডাঃ শৈবাল অধিকারী ও অন্যদের করা একটি মামলা খারিজ করতে গিয়ে এই পর্যবেক্ষণ দেন।

কী হয়েছিল?

এক মহিলা তাঁর স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে পণের জন্য অত্যাচারের অভিযোগে থানায় এফআইআর করেছিলেন। অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাসহ একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়।

শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দাবি ছিল, তাঁরা আলাদা থাকেন। স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ঝগড়ার সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। শুধু স্বামীর আত্মীয় হওয়ার কারণে তাঁদের জড়ানো হয়েছে। তাই তাঁরা হাইকোর্টে মামলা খারিজের আবেদন করেন।

স্ত্রীর পক্ষ কী বলেছিল?

স্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হয়, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা সব জানতেন। ছেলে বউয়ের উপর অত্যাচার করছে জেনেও তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নেননি। তাঁরা স্বামীকে প্ররোচনা দিয়েছেন।

হাইকোর্ট কী বলল? এই রায় কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কেস ডায়েরি ও চার্জশিট খতিয়ে দেখে বিচারপতি পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন:

১. অভিযোগে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই: অভিযোগপত্রে কোথাও বলা নেই কবে, কোথায়, কীভাবে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা অত্যাচার করেছেন। পুরো অভিযোগটাই খুব সাধারণ ভাবে লেখা।

২. চুপ থাকা মানেই অপরাধ নয়: আদালতের সবচেয়ে বড় পর্যবেক্ষণ, শুধু ছেলে বউকে অত্যাচার করছে জেনে চুপ থাকা বা বাধা না দেওয়াটা ৪৯৮এ ধারায় ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসাবে ধরা হবে না।

৩. কোনও প্রমাণ নেই: পুলিশের কেস ডায়েরিতে এই সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনও মেডিকেল রিপোর্ট, কোনও উদ্ধার হওয়া জিনিস বা কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষীর বয়ান নেই।

৪. সুপ্রিম কোর্টের রায়: সুপ্রিম কোর্ট আগেও বহুবার বলেছে, বৈবাহিক বিরোধে পুরো পরিবারকে টেনে আনা যাবে না। হাইকোর্ট সেই ভজনলাল, প্রীতি গুপ্তা ও গীতা মেহরোত্রা মামলার রায়গুলির কথা উল্লেখ করে।

৫. আইনের অপব্যবহার: এই ধরনের অস্পষ্ট মামলা চলতে দেওয়া মানে আদালতের সময় নষ্ট এবং আইনের অপব্যবহার।

আদালতের নির্দেশ

আদালত শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে চলা মামলা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছে। তবে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা আগের মতোই চলবে।

এই রায়ের ফলে রাজ্যে ৪৯৮এ ধারার অপব্যবহার রুখতে একটি বড় নজির তৈরি হল বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

বেআইনি বহুতল নির্মাণে দুর্নীতি, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের*

#CalcuttaHighCourt

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: শহরে বেআইনি বহুতল নির্মাণে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। প্রয়োজনে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করতে পারবে সিবিআই। আগামী ১৪ অক্টোবর প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করতে হবে।

মামলাটি বেলেঘাটা, মানিকতলা, রাজাবাজার এবং ক্যানাল ইস্ট রোড এলাকার ৫০টির বেশি বেআইনি বহুতল নির্মাণ সংক্রান্ত। অভিযোগ, এর আগে আদালত নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দিলেও তা কার্যকর হয়নি।

আবেদনকারী পক্ষের দাবি, এই নির্মাণ ব্যবসায় কয়েক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। কালো টাকা সাদা করা এবং বেআইনি ভাবে বিদেশি মুদ্রা বিনিয়োগের অভিযোগও রয়েছে। বহু ক্ষেত্রে ন্যূনতম অনুমতি ছাড়াই বহুতল গড়ে উঠেছে। এর জেরে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, “কেন এতোদিন স্বতঃপ্রণোদিত অনুসন্ধান করা হয়নি? এটা পুরসভা বা রাজ্যের করার কথা। বেআইনি নির্মাণ হয়েই চলেছে। কলকাতায় যেমন, মুম্বইতেও তেমন। পুরসভার স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করা জরুরি। কেন বেআইনি হলে পুরসভা নিজে তা ভাঙবে না?”

এ সময় পুরসভার আইনজীবী সময় চেয়ে বলেন, তাঁরা বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে চান। তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বেঞ্চ বলে, “এটা সময় নষ্ট করার একটা পদ্ধতি। প্রয়োজনে আমরা কমিশনারকে ডেকে পাঠাচ্ছি। তাঁরা বেতন পাচ্ছেন কাজ করার জন্য, কাজ না করার জন্য নয়।”

আদালত জানায়, পুরসভার নিজের রিপোর্ট অনুযায়ীও নির্মাণগুলি বেআইনি। মামলাকারী পক্ষ জানায়, বহু নির্মাণের প্রকৃত মালিক কে, তার হদিস নেই। বিশাল অঙ্কের কালো টাকা লগ্নি হয়েছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগজনক। ইতিমধ্যেই ৪২টি বেআইনি বাড়ি চিহ্নিত করা হয়েছে।

এর পরই বেঞ্চ সিবিআইকে প্রাথমিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয়। পুরসভা ও পুলিশের থেকে নথি নিয়ে তদন্ত এগোবে সংস্থা।

একতরফা বিচ্ছেদের পরেও প্রাক্তন স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে হবে, জানাল হাইকোর্ট*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: স্বামী একতরফা আদালত থেকে বিচ্ছেদের(ডিভোর্স )কাগজ নিয়ে এলেই খোরপোশের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। যদি প্রাক্তন স্ত্রী দ্বিতীয় বিয়ে না করেন এবং নিজে রোজগার করে চলতে না পারেন, তাহলে স্বামীকেই তাঁকে খোরপোশ দিতে হবে। এমনই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে আদালত আরও জানিয়েছে, যে অবিবাহিত মেয়ে মামলা করার আগেই ১৮ বছর পেরিয়ে গেছে এবং সে শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে অসুস্থ নয়, সে বাবার কাছে খোরপোশ চাইতে পারবে না।

কী হয়েছিল ঘটনাটা?

হাওড়ার উলুবেড়িয়া আদালতে এক মহিলা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে খোরপোশের মামলা করেছিলেন। সেটা ২০১৯ সালের মামলা। পরে সেই খোরপোশের টাকা না দেওয়ায় টাকা আদায়ের জন্য আরেকটি মামলা হয় ২০২১ সালে।

এর মাঝে স্বামী একতরফা ভাবে বিচ্ছেদের(ডিভোর্স )ডিক্রি পেয়ে যান। তখন তিনি আদালতে গিয়ে বলেন, বিচ্ছেদ হয়ে গেছে তাই খোরপোশের মামলা আর চলতে পারে না। উলুবেড়িয়া আদালত তাঁর কথা মানেনি। তাঁকে খোরপোশ দিতে বলা হয় এবং টাকা না দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।

সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে স্বামী সমর পাল কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন,তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না পালের বিরুদ্ধে এই মামলা।

হাইকোর্ট কী বলল?

বিচারপতি উদয় কুমার সমর পালের আবেদনটি আংশিক মঞ্জুর করেন। তিনি বলেন,

১. আইনে পরিষ্কার বলা আছে, ডিভোর্সী স্ত্রীও স্ত্রী হিসেবেই গণ্য হবেন, যদি তিনি দ্বিতীয় বিয়ে না করেন। তাই একতরফা বিচ্ছেদ (ডিভোর্স)হয়ে গেলেও খোরপোশের দায় শেষ হয় না।

২. এই খোরপোশের আইনের উদ্দেশ্য হলো, কোনো অসহায় মহিলা যাতে ভবঘুরে হয়ে না যান, সেটা দেখা। এটা সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য করা হয়েছে।

৩. তাই স্ত্রীর খোরপোশ বহাল থাকবে। স্বামীকে তা দিতেই হবে।

৪. কিন্তু মেয়ের ক্ষেত্রে আদালত বলে, মেয়ে মামলা করার আগেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গেছে। সে সুস্থ। তাই আইন অনুযায়ী সে আর বাবার কাছে খোরপোশ পাবে না।

এই রায়ে আদালত স্ত্রীর খোরপোশ বহাল রাখলেও, প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের খোরপোশের দাবি খারিজ করে দিয়েছে।

কলকাতা হাইকোর্টের ৪৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাজ্যপাল আর. এন. রবি তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জুন তিনি বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জুন মাসে তিনি বোম্বে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজনেরা:

এদিনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের আইনমন্ত্রী বিরাজ বিশ্বাস, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র সহ হাইকোর্টের একাধিক বিচারপতি ও আইনজীবীরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ধীরাজ ত্রিবেদী, বার লাইব্রেরি ক্লাবের সভাপতি সুদীপ্ত সরকার, বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অশোক কুমার ধান্দানিয়া এবং ইনকর্পোরেটেড ল সোসাইটির সম্পাদক পরিতোষ সিংহ।

আইনজীবীদের বার্তা দিলেন প্রধান বিচারপতি:

আইনজীবীদের পক্ষ থেকে স্বাগত ভাষণের উত্তরে প্রধান বিচারপতি ঘুগে কলকাতা বার পরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আমি সব সময় বারের জন্য উন্মুক্ত। বারের যে কোনও সমস্যা নিয়ে আপনারা আমার কাছে আসতে পারেন। অন্যান্য বিচারপতিদের সহযোগিতায় আমি সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।"

জুনিয়র আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "পেশার প্রথম দিকে আমি সাইকেলে চড়ে বাড়ি থেকে আদালতে যাতায়াত করতাম। সততা এবং পেশার প্রতি ভালোবাসা থাকলে সাফল্য আসবেই।"

আবেগঘন প্রধান বিচারপতি:

নিজের বক্তব্যে আবেগঘন হয়ে পড়েন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, "আমার শৈশবের কথা খুব মনে পড়ে। আমার কর্মজীবনে সাড়ে সাত বছর মোটরসাইকেলই ছিল আমার সঙ্গী। আমি কখনও হেলমেট পরতে ভুলিনি। আমার জীবন সংগ্রামে আমার স্ত্রী সব সময় আমার সঙ্গী। এই যাত্রা একা সম্ভব হতো না। আমার পরিবারের সমর্থন এবং আমার প্রয়াত মায়ের নীরব আত্মত্যাগের কথা মনে পড়ছে। এই মুহূর্তে আমার প্রয়াত মাকে খুব মনে পড়ছে। তিনি যেখানেই থাকুন, আমাকে আশীর্বাদ করছেন। আমি নিজেকে সব সময় একজন আইনজীবী বলেই মনে করি। আমার দরজা সবার জন্য খোলা।"

তিনি আরও বলেন, "আমার স্ত্রীর সমর্থনের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমার দুই মেয়ে সহ আমার পরিবারের কাছে তিনি ঢালের মতো।" শেষে পশ্চিমবঙ্গের বিচার বিভাগের সকল সদস্যের মঙ্গল কামনা করেন প্রধান বিচারপতি।

ছবি:সৌজন্যে লাইভ ল।

গ্রেফতারি পরোয়ানা খারিজ, বড় স্বস্তিতে মহুয়া মৈত্র!
#MahuaMoitra #CalcuttaHighCourt #MPMLACourt #Krishnanagar #TMC #BreakingNews #BengalPolitics .

*কলকাতা:* কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে বড় স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। খারিজ হয়ে গেল তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা।

সোমবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি আর্য্যক দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, কৃষ্ণনগর আদালতের সমস্ত নির্দেশ বাতিল করা হল। মামলাটি আর কৃষ্ণনগরে চলবে না, স্থানান্তরিত করা হল বিধাননগরের এমপি-এমএলএ বিশেষ আদালতে।

*কি ছিল অভিযোগ?*

ভারতীয় সেনাবাহিনী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য এবং মহিলাদের তুলসীমালা, বোরখা ও হিজাব পরা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কৃষ্ণনগরের এক বাসিন্দা BNSS ও BNS-এর একাধিক ধারায় মামলা করেন।

অভিযোগ ছিল, তিনি নারীর শালীনতা ক্ষুণ্ণ করেছেন, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছেন ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বে উস্কানি দিয়েছেন।

সমনের পরেও হাজিরা না দেওয়ায় কৃষ্ণনগর আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যান মহুয়া।

আইনজীবীর যুক্তি ছিল, বর্তমান সাংসদ হওয়ায় তাঁর মামলার এক্তিয়ার এমপি-এমএলএ কোর্টের। সেই যুক্তি মেনেই রায় দিল হাইকোর্ট।আপাতত স্বস্তিতে মহুয়া শিবির।
অবশেষে স্থায়ী প্রধান বিচারপতি পাচ্ছে কলকাতা হাই কোর্ট, একসঙ্গে দেশের ৮ হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ

#CalcuttaHighCourt

নয়াদিল্লি / কলকাতা: দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। অবশেষে স্থায়ী প্রধান বিচারপতি পেতে চলেছে কলকাতা হাই কোর্ট। কলকাতার নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিঠালরাও ঘুগে।

বর্তমানে বম্বে হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। শনিবার কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের তরফে ৮টি হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে গত ৯ ও ৩১ আগস্ট এই নামগুলি সুপারিশ করেছিল। রাষ্ট্রপতি সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই নিয়োগে সম্মতি দিয়েছেন বলে এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।

দীর্ঘদিন ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির হাতে চলছিল কলকাতা হাই কোর্ট। স্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগে বিচার ব্যবস্থায় গতি আসবে বলে মনে করছে আইনজীবী মহল।

১৯৯০ সালে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। শুরুতে শ্রমিক ইউনিয়নের হয়ে প্রায় দু'হাজার মামলায় সওয়াল করেছেন। পরে বহু শিল্প সংস্থা ও বহুজাতিক সংস্থার হয়েও মামলা লড়েছেন। দীর্ঘ ১৩ বছর বিচারপতি পদে থাকার পর এবার কলকাতা হাই কোর্টের শীর্ষ পদে আসছেন তিনি।

আর কোন কোন হাই কোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি?

- পাটনা: বিচারপতি ভি কামেশ্বর রাও (দিল্লি হাই কোর্ট)

- রাজস্থান: বিচারপতি সঞ্জয়কুমার আগরওয়াল (ছত্তিসগড় হাই কোর্ট)

- বম্বে: বিচারপতি মহেশচন্দ্র ত্রিপাঠী (এলাহাবাদ হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি)

- পাঞ্জাব ও হরিয়ানা: বিচারপতি অশ্বিনীকুমার মিশ্র

- ছত্তিসগড়: বিচারপতি কৃষ্ণরাম মহাপাত্র (ওড়িশা হাই কোর্ট)

- মধ্যপ্রদেশ: বিচারপতি অল্পেশ যশবন্ত কোগজে (গুজরাট হাই কোর্ট)

- জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ: বিচারপতি পুষ্পেন্দ্র সিং ভাটি (রাজস্থান হাই কোর্ট)

কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির পরই এই নিয়োগ কার্যকর হবে।

ससुराल के खिलाफ अस्पष्ट आरोप पर 498A का केस नहीं चलेगा - हाईकोर्ट का बड़ा फैसला*

#CalcuttaHighCourt

रिपोर्ट: स्वरूप रॉय

कोलकाता, 11 सितंबर:

पति-पत्नी के झगड़े में पूरे ससुराल को फंसा देने के चलन पर कलकत्ता हाईकोर्ट ने ब्रेक लगा दिया है। कोर्ट ने साफ कह दिया है कि सिर्फ घिसे-पिटे और अस्पष्ट आरोपों के आधार पर ससुराल वालों के खिलाफ 498A का केस नहीं टिकेगा।

जस्टिस शम्पा दत्त (पॉल) की बेंच ने डॉ. शैबल अधिकारी और अन्य की याचिका पर सुनवाई करते हुए ससुराल पक्ष के खिलाफ चल रही पूरी कार्यवाही को रद्द कर दिया।

क्या था पूरा मामला?

एक महिला ने अपने पति और ससुराल के लोगों पर दहेज के लिए मानसिक और शारीरिक प्रताड़ना का आरोप लगाकर 498A / 406 / 323 / 506 / 34 के तहत FIR दर्ज कराई थी।

ससुराल पक्ष ने हाईकोर्ट में कहा कि वे अलग रहते हैं। उनका इस झगड़े से कोई लेना-देना नहीं है, सिर्फ पति के रिश्तेदार होने के कारण उन्हें फंसाया गया है।

वहीं पत्नी पक्ष का आरोप था कि ससुराल वालों ने सब कुछ जानते हुए भी बेटे को रोका नहीं, बल्कि उसे उकसाया।

हाईकोर्ट की 5 बड़ी टिप्पणियां:

1. शिकायत में कोई तारीख, समय या घटना का जिक्र नहीं है। आरोप बेहद सामान्य हैं।

2. सिर्फ यह जानकर चुप रहना कि बेटा बहू को प्रताड़ित कर रहा है, 498A के तहत क्रूरता नहीं है।

3. केस डायरी में ससुराल वालों के खिलाफ कोई मेडिकल रिपोर्ट, बरामदगी या स्वतंत्र गवाह नहीं है।

4. सुप्रीम कोर्ट के भजनलाल, प्रीति गुप्ता और गीता मेहरोत्रा फैसलों का हवाला, जहां पूरे परिवार को घसीटने से मना किया गया है।

5. ऐसे केस को चलने देना कानून की प्रक्रिया का दुरुपयोग होगा।

कोर्ट का अंतिम आदेश: ससुराल वालों के खिलाफ केस खारिज। पति के खिलाफ केस चलता रहेगा।

শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অস্পষ্ট অভিযোগে ৪৯৮এ মামলা টিকবে না, বড় রায় হাইকোর্টের*

#CalcuttaHighCourt (Paul)

কলকাতা, ১১ সেপ্টেম্বর: বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া হলেই শ্বশুরবাড়ির সবাইকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার দিন শেষ। এমনই কড়া বার্তা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়ে দিল, শুধুমাত্র সাধারণ ও অস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ৪৯৮এ ধারায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা চলতে পারে না।বিচারপতি শম্পা দত্ত (পাল)-এর একক বেঞ্চ ডাঃ শৈবাল অধিকারী ও অন্যদের করা একটি মামলা খারিজ করতে গিয়ে এই পর্যবেক্ষণ দেন।

কী হয়েছিল?

এক মহিলা তাঁর স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে পণের জন্য অত্যাচারের অভিযোগে থানায় এফআইআর করেছিলেন। অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাসহ একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়।

শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দাবি ছিল, তাঁরা আলাদা থাকেন। স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ঝগড়ার সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। শুধু স্বামীর আত্মীয় হওয়ার কারণে তাঁদের জড়ানো হয়েছে। তাই তাঁরা হাইকোর্টে মামলা খারিজের আবেদন করেন।

স্ত্রীর পক্ষ কী বলেছিল?

স্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হয়, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা সব জানতেন। ছেলে বউয়ের উপর অত্যাচার করছে জেনেও তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নেননি। তাঁরা স্বামীকে প্ররোচনা দিয়েছেন।

হাইকোর্ট কী বলল? এই রায় কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কেস ডায়েরি ও চার্জশিট খতিয়ে দেখে বিচারপতি পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন:

১. অভিযোগে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই: অভিযোগপত্রে কোথাও বলা নেই কবে, কোথায়, কীভাবে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা অত্যাচার করেছেন। পুরো অভিযোগটাই খুব সাধারণ ভাবে লেখা।

২. চুপ থাকা মানেই অপরাধ নয়: আদালতের সবচেয়ে বড় পর্যবেক্ষণ, শুধু ছেলে বউকে অত্যাচার করছে জেনে চুপ থাকা বা বাধা না দেওয়াটা ৪৯৮এ ধারায় ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসাবে ধরা হবে না।

৩. কোনও প্রমাণ নেই: পুলিশের কেস ডায়েরিতে এই সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনও মেডিকেল রিপোর্ট, কোনও উদ্ধার হওয়া জিনিস বা কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষীর বয়ান নেই।

৪. সুপ্রিম কোর্টের রায়: সুপ্রিম কোর্ট আগেও বহুবার বলেছে, বৈবাহিক বিরোধে পুরো পরিবারকে টেনে আনা যাবে না। হাইকোর্ট সেই ভজনলাল, প্রীতি গুপ্তা ও গীতা মেহরোত্রা মামলার রায়গুলির কথা উল্লেখ করে।

৫. আইনের অপব্যবহার: এই ধরনের অস্পষ্ট মামলা চলতে দেওয়া মানে আদালতের সময় নষ্ট এবং আইনের অপব্যবহার।

আদালতের নির্দেশ

আদালত শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে চলা মামলা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছে। তবে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা আগের মতোই চলবে।

এই রায়ের ফলে রাজ্যে ৪৯৮এ ধারার অপব্যবহার রুখতে একটি বড় নজির তৈরি হল বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

বেআইনি বহুতল নির্মাণে দুর্নীতি, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের*

#CalcuttaHighCourt

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: শহরে বেআইনি বহুতল নির্মাণে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। প্রয়োজনে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করতে পারবে সিবিআই। আগামী ১৪ অক্টোবর প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করতে হবে।

মামলাটি বেলেঘাটা, মানিকতলা, রাজাবাজার এবং ক্যানাল ইস্ট রোড এলাকার ৫০টির বেশি বেআইনি বহুতল নির্মাণ সংক্রান্ত। অভিযোগ, এর আগে আদালত নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দিলেও তা কার্যকর হয়নি।

আবেদনকারী পক্ষের দাবি, এই নির্মাণ ব্যবসায় কয়েক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। কালো টাকা সাদা করা এবং বেআইনি ভাবে বিদেশি মুদ্রা বিনিয়োগের অভিযোগও রয়েছে। বহু ক্ষেত্রে ন্যূনতম অনুমতি ছাড়াই বহুতল গড়ে উঠেছে। এর জেরে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, “কেন এতোদিন স্বতঃপ্রণোদিত অনুসন্ধান করা হয়নি? এটা পুরসভা বা রাজ্যের করার কথা। বেআইনি নির্মাণ হয়েই চলেছে। কলকাতায় যেমন, মুম্বইতেও তেমন। পুরসভার স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করা জরুরি। কেন বেআইনি হলে পুরসভা নিজে তা ভাঙবে না?”

এ সময় পুরসভার আইনজীবী সময় চেয়ে বলেন, তাঁরা বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে চান। তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বেঞ্চ বলে, “এটা সময় নষ্ট করার একটা পদ্ধতি। প্রয়োজনে আমরা কমিশনারকে ডেকে পাঠাচ্ছি। তাঁরা বেতন পাচ্ছেন কাজ করার জন্য, কাজ না করার জন্য নয়।”

আদালত জানায়, পুরসভার নিজের রিপোর্ট অনুযায়ীও নির্মাণগুলি বেআইনি। মামলাকারী পক্ষ জানায়, বহু নির্মাণের প্রকৃত মালিক কে, তার হদিস নেই। বিশাল অঙ্কের কালো টাকা লগ্নি হয়েছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগজনক। ইতিমধ্যেই ৪২টি বেআইনি বাড়ি চিহ্নিত করা হয়েছে।

এর পরই বেঞ্চ সিবিআইকে প্রাথমিক অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয়। পুরসভা ও পুলিশের থেকে নথি নিয়ে তদন্ত এগোবে সংস্থা।

একতরফা বিচ্ছেদের পরেও প্রাক্তন স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে হবে, জানাল হাইকোর্ট*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: স্বামী একতরফা আদালত থেকে বিচ্ছেদের(ডিভোর্স )কাগজ নিয়ে এলেই খোরপোশের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। যদি প্রাক্তন স্ত্রী দ্বিতীয় বিয়ে না করেন এবং নিজে রোজগার করে চলতে না পারেন, তাহলে স্বামীকেই তাঁকে খোরপোশ দিতে হবে। এমনই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে আদালত আরও জানিয়েছে, যে অবিবাহিত মেয়ে মামলা করার আগেই ১৮ বছর পেরিয়ে গেছে এবং সে শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে অসুস্থ নয়, সে বাবার কাছে খোরপোশ চাইতে পারবে না।

কী হয়েছিল ঘটনাটা?

হাওড়ার উলুবেড়িয়া আদালতে এক মহিলা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে খোরপোশের মামলা করেছিলেন। সেটা ২০১৯ সালের মামলা। পরে সেই খোরপোশের টাকা না দেওয়ায় টাকা আদায়ের জন্য আরেকটি মামলা হয় ২০২১ সালে।

এর মাঝে স্বামী একতরফা ভাবে বিচ্ছেদের(ডিভোর্স )ডিক্রি পেয়ে যান। তখন তিনি আদালতে গিয়ে বলেন, বিচ্ছেদ হয়ে গেছে তাই খোরপোশের মামলা আর চলতে পারে না। উলুবেড়িয়া আদালত তাঁর কথা মানেনি। তাঁকে খোরপোশ দিতে বলা হয় এবং টাকা না দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।

সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে স্বামী সমর পাল কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন,তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না পালের বিরুদ্ধে এই মামলা।

হাইকোর্ট কী বলল?

বিচারপতি উদয় কুমার সমর পালের আবেদনটি আংশিক মঞ্জুর করেন। তিনি বলেন,

১. আইনে পরিষ্কার বলা আছে, ডিভোর্সী স্ত্রীও স্ত্রী হিসেবেই গণ্য হবেন, যদি তিনি দ্বিতীয় বিয়ে না করেন। তাই একতরফা বিচ্ছেদ (ডিভোর্স)হয়ে গেলেও খোরপোশের দায় শেষ হয় না।

২. এই খোরপোশের আইনের উদ্দেশ্য হলো, কোনো অসহায় মহিলা যাতে ভবঘুরে হয়ে না যান, সেটা দেখা। এটা সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য করা হয়েছে।

৩. তাই স্ত্রীর খোরপোশ বহাল থাকবে। স্বামীকে তা দিতেই হবে।

৪. কিন্তু মেয়ের ক্ষেত্রে আদালত বলে, মেয়ে মামলা করার আগেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গেছে। সে সুস্থ। তাই আইন অনুযায়ী সে আর বাবার কাছে খোরপোশ পাবে না।

এই রায়ে আদালত স্ত্রীর খোরপোশ বহাল রাখলেও, প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের খোরপোশের দাবি খারিজ করে দিয়েছে।

কলকাতা হাইকোর্টের ৪৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে*

#CalcuttaHighCourt

কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিট্টলরাও ঘুগে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাজ্যপাল আর. এন. রবি তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জুন তিনি বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জুন মাসে তিনি বোম্বে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজনেরা:

এদিনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের আইনমন্ত্রী বিরাজ বিশ্বাস, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র সহ হাইকোর্টের একাধিক বিচারপতি ও আইনজীবীরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ধীরাজ ত্রিবেদী, বার লাইব্রেরি ক্লাবের সভাপতি সুদীপ্ত সরকার, বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অশোক কুমার ধান্দানিয়া এবং ইনকর্পোরেটেড ল সোসাইটির সম্পাদক পরিতোষ সিংহ।

আইনজীবীদের বার্তা দিলেন প্রধান বিচারপতি:

আইনজীবীদের পক্ষ থেকে স্বাগত ভাষণের উত্তরে প্রধান বিচারপতি ঘুগে কলকাতা বার পরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আমি সব সময় বারের জন্য উন্মুক্ত। বারের যে কোনও সমস্যা নিয়ে আপনারা আমার কাছে আসতে পারেন। অন্যান্য বিচারপতিদের সহযোগিতায় আমি সমস্যা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।"

জুনিয়র আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "পেশার প্রথম দিকে আমি সাইকেলে চড়ে বাড়ি থেকে আদালতে যাতায়াত করতাম। সততা এবং পেশার প্রতি ভালোবাসা থাকলে সাফল্য আসবেই।"

আবেগঘন প্রধান বিচারপতি:

নিজের বক্তব্যে আবেগঘন হয়ে পড়েন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, "আমার শৈশবের কথা খুব মনে পড়ে। আমার কর্মজীবনে সাড়ে সাত বছর মোটরসাইকেলই ছিল আমার সঙ্গী। আমি কখনও হেলমেট পরতে ভুলিনি। আমার জীবন সংগ্রামে আমার স্ত্রী সব সময় আমার সঙ্গী। এই যাত্রা একা সম্ভব হতো না। আমার পরিবারের সমর্থন এবং আমার প্রয়াত মায়ের নীরব আত্মত্যাগের কথা মনে পড়ছে। এই মুহূর্তে আমার প্রয়াত মাকে খুব মনে পড়ছে। তিনি যেখানেই থাকুন, আমাকে আশীর্বাদ করছেন। আমি নিজেকে সব সময় একজন আইনজীবী বলেই মনে করি। আমার দরজা সবার জন্য খোলা।"

তিনি আরও বলেন, "আমার স্ত্রীর সমর্থনের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমার দুই মেয়ে সহ আমার পরিবারের কাছে তিনি ঢালের মতো।" শেষে পশ্চিমবঙ্গের বিচার বিভাগের সকল সদস্যের মঙ্গল কামনা করেন প্রধান বিচারপতি।

ছবি:সৌজন্যে লাইভ ল।

গ্রেফতারি পরোয়ানা খারিজ, বড় স্বস্তিতে মহুয়া মৈত্র!
#MahuaMoitra #CalcuttaHighCourt #MPMLACourt #Krishnanagar #TMC #BreakingNews #BengalPolitics .

*কলকাতা:* কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে বড় স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। খারিজ হয়ে গেল তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা।

সোমবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি আর্য্যক দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, কৃষ্ণনগর আদালতের সমস্ত নির্দেশ বাতিল করা হল। মামলাটি আর কৃষ্ণনগরে চলবে না, স্থানান্তরিত করা হল বিধাননগরের এমপি-এমএলএ বিশেষ আদালতে।

*কি ছিল অভিযোগ?*

ভারতীয় সেনাবাহিনী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য এবং মহিলাদের তুলসীমালা, বোরখা ও হিজাব পরা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কৃষ্ণনগরের এক বাসিন্দা BNSS ও BNS-এর একাধিক ধারায় মামলা করেন।

অভিযোগ ছিল, তিনি নারীর শালীনতা ক্ষুণ্ণ করেছেন, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছেন ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বে উস্কানি দিয়েছেন।

সমনের পরেও হাজিরা না দেওয়ায় কৃষ্ণনগর আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যান মহুয়া।

আইনজীবীর যুক্তি ছিল, বর্তমান সাংসদ হওয়ায় তাঁর মামলার এক্তিয়ার এমপি-এমএলএ কোর্টের। সেই যুক্তি মেনেই রায় দিল হাইকোর্ট।আপাতত স্বস্তিতে মহুয়া শিবির।
অবশেষে স্থায়ী প্রধান বিচারপতি পাচ্ছে কলকাতা হাই কোর্ট, একসঙ্গে দেশের ৮ হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ

#CalcuttaHighCourt

নয়াদিল্লি / কলকাতা: দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। অবশেষে স্থায়ী প্রধান বিচারপতি পেতে চলেছে কলকাতা হাই কোর্ট। কলকাতার নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি রবীন্দ্র ভিঠালরাও ঘুগে।

বর্তমানে বম্বে হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। শনিবার কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের তরফে ৮টি হাই কোর্টে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে গত ৯ ও ৩১ আগস্ট এই নামগুলি সুপারিশ করেছিল। রাষ্ট্রপতি সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই নিয়োগে সম্মতি দিয়েছেন বলে এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।

দীর্ঘদিন ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির হাতে চলছিল কলকাতা হাই কোর্ট। স্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগে বিচার ব্যবস্থায় গতি আসবে বলে মনে করছে আইনজীবী মহল।

১৯৯০ সালে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। শুরুতে শ্রমিক ইউনিয়নের হয়ে প্রায় দু'হাজার মামলায় সওয়াল করেছেন। পরে বহু শিল্প সংস্থা ও বহুজাতিক সংস্থার হয়েও মামলা লড়েছেন। দীর্ঘ ১৩ বছর বিচারপতি পদে থাকার পর এবার কলকাতা হাই কোর্টের শীর্ষ পদে আসছেন তিনি।

আর কোন কোন হাই কোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি?

- পাটনা: বিচারপতি ভি কামেশ্বর রাও (দিল্লি হাই কোর্ট)

- রাজস্থান: বিচারপতি সঞ্জয়কুমার আগরওয়াল (ছত্তিসগড় হাই কোর্ট)

- বম্বে: বিচারপতি মহেশচন্দ্র ত্রিপাঠী (এলাহাবাদ হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি)

- পাঞ্জাব ও হরিয়ানা: বিচারপতি অশ্বিনীকুমার মিশ্র

- ছত্তিসগড়: বিচারপতি কৃষ্ণরাম মহাপাত্র (ওড়িশা হাই কোর্ট)

- মধ্যপ্রদেশ: বিচারপতি অল্পেশ যশবন্ত কোগজে (গুজরাট হাই কোর্ট)

- জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ: বিচারপতি পুষ্পেন্দ্র সিং ভাটি (রাজস্থান হাই কোর্ট)

কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির পরই এই নিয়োগ কার্যকর হবে।