/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/ajaydev/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz s:kolkatahighcourt
শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অস্পষ্ট অভিযোগে ৪৯৮এ মামলা টিকবে না, বড় রায় হাইকোর্টের*

#CalcuttaHighCourt (Paul)

কলকাতা, ১১ সেপ্টেম্বর: বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া হলেই শ্বশুরবাড়ির সবাইকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার দিন শেষ। এমনই কড়া বার্তা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়ে দিল, শুধুমাত্র সাধারণ ও অস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ৪৯৮এ ধারায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা চলতে পারে না।বিচারপতি শম্পা দত্ত (পাল)-এর একক বেঞ্চ ডাঃ শৈবাল অধিকারী ও অন্যদের করা একটি মামলা খারিজ করতে গিয়ে এই পর্যবেক্ষণ দেন।

কী হয়েছিল?

এক মহিলা তাঁর স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে পণের জন্য অত্যাচারের অভিযোগে থানায় এফআইআর করেছিলেন। অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাসহ একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়।

শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দাবি ছিল, তাঁরা আলাদা থাকেন। স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ঝগড়ার সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। শুধু স্বামীর আত্মীয় হওয়ার কারণে তাঁদের জড়ানো হয়েছে। তাই তাঁরা হাইকোর্টে মামলা খারিজের আবেদন করেন।

স্ত্রীর পক্ষ কী বলেছিল?

স্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হয়, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা সব জানতেন। ছেলে বউয়ের উপর অত্যাচার করছে জেনেও তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নেননি। তাঁরা স্বামীকে প্ররোচনা দিয়েছেন।

হাইকোর্ট কী বলল? এই রায় কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কেস ডায়েরি ও চার্জশিট খতিয়ে দেখে বিচারপতি পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন:

১. অভিযোগে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই: অভিযোগপত্রে কোথাও বলা নেই কবে, কোথায়, কীভাবে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা অত্যাচার করেছেন। পুরো অভিযোগটাই খুব সাধারণ ভাবে লেখা।

২. চুপ থাকা মানেই অপরাধ নয়: আদালতের সবচেয়ে বড় পর্যবেক্ষণ, শুধু ছেলে বউকে অত্যাচার করছে জেনে চুপ থাকা বা বাধা না দেওয়াটা ৪৯৮এ ধারায় ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসাবে ধরা হবে না।

৩. কোনও প্রমাণ নেই: পুলিশের কেস ডায়েরিতে এই সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনও মেডিকেল রিপোর্ট, কোনও উদ্ধার হওয়া জিনিস বা কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষীর বয়ান নেই।

৪. সুপ্রিম কোর্টের রায়: সুপ্রিম কোর্ট আগেও বহুবার বলেছে, বৈবাহিক বিরোধে পুরো পরিবারকে টেনে আনা যাবে না। হাইকোর্ট সেই ভজনলাল, প্রীতি গুপ্তা ও গীতা মেহরোত্রা মামলার রায়গুলির কথা উল্লেখ করে।

৫. আইনের অপব্যবহার: এই ধরনের অস্পষ্ট মামলা চলতে দেওয়া মানে আদালতের সময় নষ্ট এবং আইনের অপব্যবহার।

আদালতের নির্দেশ

আদালত শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে চলা মামলা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছে। তবে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা আগের মতোই চলবে।

এই রায়ের ফলে রাজ্যে ৪৯৮এ ধারার অপব্যবহার রুখতে একটি বড় নজির তৈরি হল বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে তৃণমূলকে স্বস্তি দিল না হাই কোর্ট, খারিজ অন্তর্বর্তী নির্দেশের আর্জি*

*শিরোনাম:* ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড বিতর্ক: হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল, মিলল না অন্তর্বর্তী স্বস্তি, গ্রেফতার ১৩

*কলকাতা, ২৮ আগস্ট:* কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কলকাতা পুরসভার উচ্ছেদ অভিযানকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল না আদালত।

শুক্রবার সকালে বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর এজলাসে মামলাটির উল্লেখ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। আদালত মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে এবং আজই নম্বর নিয়ে আসলে শুনানির আশ্বাস দিয়েছে।

আইনজীবী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪:৪৫ নাগাদ কলকাতা পুরসভার কর্মীরা তৃণমূল ভবনে ঢুকে বিলবোর্ড ভাঙচুর করেন।

এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি বসুচৌধুরী বলেন, "মামলার নম্বর না পড়লে শুনানি সম্ভব নয়। নম্বর নিয়ে আসুন, আজকেই শুনব।" তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "ইতিমধ্যেই হোর্ডিং খুলে দেওয়া হয়েছে, ফলে এখনই আদালতের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।" তৃণমূলের হোর্ডিং পুনরায় লাগানোর আর্জিও খারিজ করে আদালত জানায়, মামলাটি এখনও অপরিণত পর্যায়ে রয়েছে। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে, তারপরই পরবর্তী শুনানি।

জানা গেছে, ক্যামাক স্ট্রিটে প্রায় ৩০০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' লেখা সাইনবোর্ড খুলে দেয় পুরসভা।

তৃণমূলের অভিযোগ, তালা ভেঙে ছাদে উঠে সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলা হয়। বাধা দিতে গিয়ে সিঁড়িতে শুয়ে পড়েন সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন সহ নেতা-কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়।

এই ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় ৩টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফ আই আর-এ নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও'ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও হুমায়ুন কবীরের।

পুরসভা বোর্ড খুলে দিলেও, বৃহস্পতিবার রাতেই ওই স্থানে ফের তৃণমূলের ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিষেকের দাবি, এটি বিজেপির প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির ফল এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে বেআইনি হস্তক্ষেপ।

*#Tags:* #CamacStreet #TMC #AbhishekBanerjee #KolkataHighCourt #KMC
শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অস্পষ্ট অভিযোগে ৪৯৮এ মামলা টিকবে না, বড় রায় হাইকোর্টের*

#CalcuttaHighCourt (Paul)

কলকাতা, ১১ সেপ্টেম্বর: বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া হলেই শ্বশুরবাড়ির সবাইকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার দিন শেষ। এমনই কড়া বার্তা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়ে দিল, শুধুমাত্র সাধারণ ও অস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ৪৯৮এ ধারায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা চলতে পারে না।বিচারপতি শম্পা দত্ত (পাল)-এর একক বেঞ্চ ডাঃ শৈবাল অধিকারী ও অন্যদের করা একটি মামলা খারিজ করতে গিয়ে এই পর্যবেক্ষণ দেন।

কী হয়েছিল?

এক মহিলা তাঁর স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে পণের জন্য অত্যাচারের অভিযোগে থানায় এফআইআর করেছিলেন। অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারাসহ একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়।

শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দাবি ছিল, তাঁরা আলাদা থাকেন। স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত ঝগড়ার সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। শুধু স্বামীর আত্মীয় হওয়ার কারণে তাঁদের জড়ানো হয়েছে। তাই তাঁরা হাইকোর্টে মামলা খারিজের আবেদন করেন।

স্ত্রীর পক্ষ কী বলেছিল?

স্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হয়, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা সব জানতেন। ছেলে বউয়ের উপর অত্যাচার করছে জেনেও তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নেননি। তাঁরা স্বামীকে প্ররোচনা দিয়েছেন।

হাইকোর্ট কী বলল? এই রায় কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কেস ডায়েরি ও চার্জশিট খতিয়ে দেখে বিচারপতি পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন:

১. অভিযোগে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই: অভিযোগপত্রে কোথাও বলা নেই কবে, কোথায়, কীভাবে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা অত্যাচার করেছেন। পুরো অভিযোগটাই খুব সাধারণ ভাবে লেখা।

২. চুপ থাকা মানেই অপরাধ নয়: আদালতের সবচেয়ে বড় পর্যবেক্ষণ, শুধু ছেলে বউকে অত্যাচার করছে জেনে চুপ থাকা বা বাধা না দেওয়াটা ৪৯৮এ ধারায় ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসাবে ধরা হবে না।

৩. কোনও প্রমাণ নেই: পুলিশের কেস ডায়েরিতে এই সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনও মেডিকেল রিপোর্ট, কোনও উদ্ধার হওয়া জিনিস বা কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষীর বয়ান নেই।

৪. সুপ্রিম কোর্টের রায়: সুপ্রিম কোর্ট আগেও বহুবার বলেছে, বৈবাহিক বিরোধে পুরো পরিবারকে টেনে আনা যাবে না। হাইকোর্ট সেই ভজনলাল, প্রীতি গুপ্তা ও গীতা মেহরোত্রা মামলার রায়গুলির কথা উল্লেখ করে।

৫. আইনের অপব্যবহার: এই ধরনের অস্পষ্ট মামলা চলতে দেওয়া মানে আদালতের সময় নষ্ট এবং আইনের অপব্যবহার।

আদালতের নির্দেশ

আদালত শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে চলা মামলা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছে। তবে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা আগের মতোই চলবে।

এই রায়ের ফলে রাজ্যে ৪৯৮এ ধারার অপব্যবহার রুখতে একটি বড় নজির তৈরি হল বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে তৃণমূলকে স্বস্তি দিল না হাই কোর্ট, খারিজ অন্তর্বর্তী নির্দেশের আর্জি*

*শিরোনাম:* ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড বিতর্ক: হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল, মিলল না অন্তর্বর্তী স্বস্তি, গ্রেফতার ১৩

*কলকাতা, ২৮ আগস্ট:* কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কলকাতা পুরসভার উচ্ছেদ অভিযানকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল না আদালত।

শুক্রবার সকালে বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর এজলাসে মামলাটির উল্লেখ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। আদালত মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে এবং আজই নম্বর নিয়ে আসলে শুনানির আশ্বাস দিয়েছে।

আইনজীবী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪:৪৫ নাগাদ কলকাতা পুরসভার কর্মীরা তৃণমূল ভবনে ঢুকে বিলবোর্ড ভাঙচুর করেন।

এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি বসুচৌধুরী বলেন, "মামলার নম্বর না পড়লে শুনানি সম্ভব নয়। নম্বর নিয়ে আসুন, আজকেই শুনব।" তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "ইতিমধ্যেই হোর্ডিং খুলে দেওয়া হয়েছে, ফলে এখনই আদালতের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।" তৃণমূলের হোর্ডিং পুনরায় লাগানোর আর্জিও খারিজ করে আদালত জানায়, মামলাটি এখনও অপরিণত পর্যায়ে রয়েছে। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে, তারপরই পরবর্তী শুনানি।

জানা গেছে, ক্যামাক স্ট্রিটে প্রায় ৩০০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' লেখা সাইনবোর্ড খুলে দেয় পুরসভা।

তৃণমূলের অভিযোগ, তালা ভেঙে ছাদে উঠে সাইনবোর্ড উপড়ে ফেলা হয়। বাধা দিতে গিয়ে সিঁড়িতে শুয়ে পড়েন সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন সহ নেতা-কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়।

এই ঘটনায় শেক্সপিয়র সরণি থানায় ৩টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এবং ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফ আই আর-এ নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও'ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও হুমায়ুন কবীরের।

পুরসভা বোর্ড খুলে দিলেও, বৃহস্পতিবার রাতেই ওই স্থানে ফের তৃণমূলের ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিষেকের দাবি, এটি বিজেপির প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির ফল এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে বেআইনি হস্তক্ষেপ।

*#Tags:* #CamacStreet #TMC #AbhishekBanerjee #KolkataHighCourt #KMC