/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz মধ্যমগ্রামের পর বারাসাত, একাধিক রেস্তোরাঁয় হানা ফুড সেফটি দফতরের, বাতিল লাইসেন্স* West Bengal Bangla
মধ্যমগ্রামের পর বারাসাত, একাধিক রেস্তোরাঁয় হানা ফুড সেফটি দফতরের, বাতিল লাইসেন্স*

নিজস্ব সংবাদদাতা,বারাসাত: উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের পর এবার বারাসাত। খাদ্যে ভেজাল রুখতে জেলাজুড়ে কড়া অভিযানে নামল ফুড সেফটি দফতর। শনিবার বারাসাতের চাঁপাডালি মোড় সংলগ্ন একাধিক রেস্তোরাঁয় হানা দেন দফতরের আধিকারিকরা।

সূত্রের খবর, এদিন দুপুর থেকেই শুরু হয় অভিযান। একের পর এক রেস্তোরাঁয় ঢুকে খাবারের গুণগত মান, খাদ্যসামগ্রী সংরক্ষণের পদ্ধতি, রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা এবং FSSAI-এর নিয়মাবলি খতিয়ে দেখা হয়।

অভিযান চলাকালীন একাধিক জায়গায় গুরুতর অনিয়ম নজরে আসে আধিকারিকদের। অভিযোগ, বহু রেস্তোরাঁতেই মানা হচ্ছিল না খাদ্য সুরক্ষা বিধি। রান্নাঘর অপরিচ্ছন্ন, খাবার সংরক্ষণে গাফিলতি এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ সামগ্রী মজুতের অভিযোগও ওঠে।

এছাড়াও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর নমুনা সংগ্রহ করা হয় পরীক্ষার জন্য। রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের ট্রেড লাইসেন্স, ফুড সেফটি লাইসেন্স-সহ প্রয়োজনীয় নথিও খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা।

নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে একাধিক রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফুড সেফটি লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলেও দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটিকে সতর্ক করে জরিমানাও করা হয়।

ফুড সেফটি দফতরের এক আধিকারিক জানান, "জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না। জেলাজুড়ে এই অভিযান লাগাতার চলবে।"

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই মধ্যমগ্রামে একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছিল।

ছবি: অঙ্কিত মুখার্জি।

নিউ ব্যারাকপুরে বড়সড় মাদক পাচারচক্রের পর্দাফাঁস, ৫৫ কেজি গাঁজা-সহ গ্রেফতার ২*

নিজস্ব সংবাদদাতা,নিউ ব্যারাকপুর: ফের বড়সড় সাফল্য উত্তর ২৪ পরগনার নিউ ব্যারাকপুর থানার পুলিশের। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫৫ কেজি গাঁজা-সহ দুই যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে সোদপুর-মধ্যমগ্রাম রোডের মায়া ব্রিক ফিল্ডের কাছে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি চারচাকা গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ গাঁজা। ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয় নিরুপম রায় ওরফে নয়ন ও সুপ্রিয় হালদার নামে দুই যুবককে। ধৃতরা দুজনেই নিউ ব্যারাকপুর থানা এলাকার বাসিন্দা।

ধৃতদের বিরুদ্ধে NDPS আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ মাদক কোথা থেকে আনা হচ্ছিল এবং কোথায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই মাদক-সহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। তারই অংশ হিসেবে এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে।

ছবি:উৎপল দাস।

কলকাতার আকাশে ৩ হাজার ড্রোনে ফুটে উঠবে দুর্গা, পুজোয় গ্লোবাল কানেক্টের পরিকল্পনা রাজ্যের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : মহালয়া থেকে অষ্টমী, কলকাতার আকাশে হতে চলেছে অভূতপূর্ব ড্রোন শো। ৩ হাজার ড্রোনের আলোয় ফুটে উঠবে দেবী দুর্গার অবয়ব। এমনই মেগা পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার।

নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী ৭ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুজো নিয়ে মেগা বৈঠক রয়েছে। তার আগেই পুজোর ব্লু-প্রিন্ট চূড়ান্ত করা হয়েছে। পর্যটন দফতরের এই কর্মসূচির নাম - 'বিশ্বজুড়ে বাঙালির আবেগ, দুর্গাপুজো গ্লোবাল কানেক্ট ২০২৬'।

কি থাকছে পরিকল্পনায়?

১. ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন থেকে শুরু হবে মূল উৎসব। ইডেন গার্ডেন্সে হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

২. থাকবে মহিষাসুরমর্দিনী, বাংলার লোক ও শাস্ত্রীয় সংস্কৃতির পরিবেশনা।

৩. সন্ধ্যায় প্রথম সারির শিল্পীদের নিয়ে মেগা কনসার্ট।

৪. ঢাক বাজিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ার পরিকল্পনা।

৫. মূল আকর্ষণ - ৩ হাজার ড্রোন দিয়ে লাইট শো। এর জন্য তৈরি হবে স্টোরিবোর্ড, থ্রি-ডি অ্যানিমেশন ও আবহসঙ্গীত।

ইউনেস্কোর হেরিটেজ স্বীকৃতিকে কাজে লাগিয়ে বাংলাকে বিশ্বের সাংস্কৃতিক পর্যটন মানচিত্রে তুলে ধরাই লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা নিয়োগের জন্য আরএফপি প্রকাশ করেছে সরকার।

ছবি:সঞ্জয় হাজরা।

স্বরূপনগরে ইছামতীর উপর ফের ভেঙে ভেসে গেল বাঁশের সেতু, বিপাকে দুই পাড়ের কয়েক লক্ষ মানুষ

বসিরহাট : বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের ইছামতী নদীর উপর ফের ভেঙে জলে ভেসে গেল বাঁশের সেতু। জল ও কচুরিপানার চাপে নতুন করে তৈরি করা সেতুটি ভেঙে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন টিপি ও কাটাবাগান এলাকার কয়েক লক্ষ মানুষ। দুই এলাকার সংযোগকারী এই বাঁশের সেতুটির উপর দিয়ে প্রতিদিন ছাত্রছাত্রী, অসুস্থ রোগী, কৃষক ও অফিস যাত্রী সহ সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৮ আগস্ট ইছামতী নদীর উপর থাকা সেতুটি ভেঙে জলে ভেসে গিয়েছিল। এরপর ফের বাঁশ দিয়ে নতুন করে সেতুটি তৈরি করা হয়। কিন্তু নতুন সেতু তৈরির প্রায় দশ দিনের মধ্যেই ফের বিপত্তি। নদীর জল ও কচুরিপানার প্রবল চাপে বাঁশের সেতুটি ভেঙে নদীর জলে ভেসে চলে যায়।

সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন দুই পাড়ের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, এই সেতুর পরিবর্তে দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী কংক্রিটের সেতু তৈরির দাবি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত সেই দাবি পূরণ হয়নি। ফলে যাতায়াতের জন্য বাঁশের সেতুর উপরই নির্ভর করতে হয় এলাকার মানুষকে। সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় বিকল্প পথে প্রায় ২০ কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হবে বলে দাবি স্থানীয়দের। বিশেষ করে পড়ুয়া, অসুস্থ রোগী ও কৃষকদের সমস্যাই সবচেয়ে বেশি। জরুরি প্রয়োজনে এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে দ্রুত যাতায়াত করাও কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কংক্রিটের সেতুর প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে এখনও কোনও স্থায়ী সমাধান হয়নি। এই বিষয়ে স্বরূপনগরের চার বারের তৃণমূল বিধায়িকা বিণা মণ্ডল বলেন, “প্রস্তাব দেওয়া আছে। দেখা যাক কী হয়।” তবে কবে স্থায়ী সেতু তৈরি হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই।

জগদ্দলে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে,ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা

জগদ্দল, ব্যারাকপুর: উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল বিধানসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের মাদরাল অভিনন্দন পল্লীতে শুক্রবার গভীর রাতে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ব্যাপক তাণ্ডবের অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম ঘনিষ্ঠ অয়ন ব্যানার্জি তার দলবল নিয়ে এই হামলা চালায়।চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, যে পরিবারের বাড়িতে এই তাণ্ডব চালানো হয়েছে, সেই পরিবারটিও তৃণমূলের সঙ্গেই যুক্ত বলে দাবি।

পরিবারের সদস্য জিতেন দাসকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। কোনওক্রমে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেও তাঁর পায়ে গুরুতর চোট লাগে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এই ঘটনার পর থেকে শুধু আক্রান্ত পরিবারই নয়, গোটা এলাকার সাধারণ বাসিন্দারাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়েছে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ব্যারাকপুরে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ বিধায়ক কৌস্তভ বাগচীর, প্রশাসনকে ভেঙে ফেলার নির্দেশ

ব্যারাকপুর: ব্যারাকপুর পৌরসভার ১৮ নম্বর এবং ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে গজিয়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণ সরেজমিনে ঘুরে দেখলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী।

স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ, ব্যারাকপুরে অবৈধ নির্মাণ, তোলাবাজি এবং জমি মাফিয়া কার্যকলাপের সঙ্গে একটাই নাম বারবার উঠে আসে - নওশাদ। তিনি ব্যারাকপুর পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর। কিছুদিন আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়েন তিনি, বর্তমানে জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

এদিন এলাকা পরিদর্শনের পর বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখেন এবং অবিলম্বে ওই সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার জন্য প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দেন।

বিধায়কের এই তৎপরতায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে এলাকাবাসী।

পচা ডিম দিয়ে পাউরুটি-বিস্কুট! কামারহাটিতে বেকারি সিল করল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যজুড়ে অভিযান

উৎপল দাস, ব্যারাকপুর: রাজ্যে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর থাকলেও বিগত সরকারের আমলে সেই দপ্তরের কোনও অস্তিত্বই ছিল না বলে অভিযোগ ছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নেতৃত্বে সরকারে আসার পর ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরকে সচল করতে চলতি মাসের ১ থেকে ৭ তারিখ পর্যন্ত 'ক্রেতা সুরক্ষা সপ্তাহ' পালনের নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর, মহকুমা শাসক, পুলিশ প্রশাসন সহ স্থানীয় প্রশাসনকে ক্রেতা সুরক্ষার জন্য কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সেই নির্দেশ মেনেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হোটেল, রেস্তোরাঁ, বেকারি সহ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে অভিযান শুরু করেছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর।

শনিবার খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা পুলিশ প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে কামারহাটির ষষ্ঠীতলায় একটি বেকারিতে হানা দেন। সেখানে গিয়ে আধিকারিকরা দেখেন, কোনও রকম খাদ্যবিধি না মেনেই তৈরি হচ্ছে পাউরুটি থেকে বিস্কুট। এমনকি বিস্কুট-পাউরুটি তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে পচা ডিম!

ঘটনাস্থলেই ওই বেকারি কারখানা বন্ধের নির্দেশ দেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। পাশাপাশি বেলঘরিয়া থানাকে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার পর এই অভিযানে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

মোবাইল আসক্তি নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর - "ভোট গেলেও ছাত্রস্বার্থে আপস নয়"

নিউ টাউন, শনিবার: শিক্ষক দিবসের মঞ্চ থেকে ছাত্রসমাজে মোবাইল ফোনের ভয়ঙ্কর কুপ্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 'বিদ্যাসাগর শিক্ষা সম্মান ২০২৬' প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতি বা জনপ্রিয়তা কমার ঝুঁকি থাকলেও সমাজ ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাঁচাতে যে কোনও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে তিনি পিছপা হবেন না।

মুখ্যমন্ত্রীর মতে, ডিজিটাল প্রযুক্তির এই মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি বর্তমান ছাত্রসমাজের ভবিষ্যৎকে আশঙ্কাজনকভাবে ধ্বংস করছে। তিনি বলেন, গুজরাটে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রদের হাতে মোবাইল ফোন দেওয়া হয় না, ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

অথচ বাংলায় বহু ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবকের চোখ এড়িয়ে গভীর রাত পর্যন্ত মোবাইল স্ক্রিনে বুঁদ হয়ে থাকছে। রাত দেড়টা-দুটোর আগে তারা ঘুমোতেই যাচ্ছে না, যা তাদের পড়াশোনা ও মানসিক বিকাশে চরম ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এই ব্যাধি দূর করা অত্যন্ত জরুরি, না হলে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষক দিবস উদযাপনের আসল গুরুত্বই হারিয়ে যাবে। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, এই লড়াইয়ে সরকারি হস্তক্ষেপের চেয়ে সামাজিক সচেতনতা ও কড়া সিদ্ধান্তই প্রধান হাতিয়ার হওয়া উচিত।

একই মঞ্চ থেকে রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষা পরিকাঠামো নিয়ে বড় আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে নিয়োগে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমরা উপযুক্ত সময়ে শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করব। সুপ্রিম কোর্ট এবং কলকাতা হাইকোর্টের সমস্ত নির্দেশ ও গাইডলাইন মেনেই এই নিয়োগ হবে। কোনও অন্যায়ের সুযোগ দেওয়া হবে না। এসএসসি ইতিমধ্যেই প্রস্তুত। আমি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি, কেবল মোবাইল ফোনে মেসেজ পাঠিয়ে আর চাকরি হবে না। লিখিত পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ওপর ভিত্তি করে যোগ্যতার নিরিখেই চূড়ান্ত নিয়োগ করা হবে।"শিক্ষক নিয়োগে ইন্টারভিউ বা মৌখিক পরীক্ষার নম্বর কমানোর বিষয়েও এসএসসি-কে পরামর্শ দেওয়ার কথা জানান তিনি।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, "মৌখিক পরীক্ষায় অত নম্বর রেখে পূর্বতন সরকার তাদের নিজেদের পছন্দের লোকদের নিয়োগ পাইয়ে দেওয়ার পথ খোলা রেখেছিল। তাই আমি পরামর্শ দিয়েছি যাতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে আনা হয়, যাতে মেধার সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব হয়।"

রাজনৈতিক মহলের মতে, শিক্ষক দিবসের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর এই জোড়া বার্তা - একদিকে মোবাইল আসক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক সংস্কার, অন্যদিকে স্বচ্ছ নিয়োগ - রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ছবি: সৌজন্যে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ উত্তর ২৪ পরগনা।

মহানায়কের জন্মশতবর্ষে বড় ঘোষণা রাজ্যের, নিউ টাউনে ২৫ কোটি টাকার ‘উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার’-এর শিলান্যাস

*নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ৪ সেপ্টেম্বর:* বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে বড় উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। জন্মশতবর্ষ উদযাপন শুরু হয়েছে গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকেই। তারই অঙ্গ হিসেবে শুক্রবার নিউ টাউনে প্রস্তাবিত ‘উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার’-এর আনুষ্ঠানিক শিলান্যাস ও ভূমিপুজো সম্পন্ন হল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহানায়কের পরিবারের সদস্যরা এবং টলিউডের প্রথম সারির তারকারা মিঠুন চক্রবর্তী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্ত ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত সহ বিশিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে উত্তম কুমারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আমি কাজ করছি ৪০ বছর। আমার বাবাও এই মাটিতেই কাজ করেছেন। কিন্তু ভিতটা পুঁতে দিয়ে গিয়েছেন উত্তম কুমার। বাংলা সিনেমা উনি ওই জায়গায় এগিয়ে না নিয়ে গেলে, আমরা আজ এই জায়গায় কাজ করতে পারতাম না।” তাঁর এই মন্তব্যে অনুষ্ঠানে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।

এ দিনের অনুষ্ঠান থেকেই ফিল্ম সেন্টার নিয়ে বিস্তারিত রোডম্যাপ তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ঘোষণা করেন, এই প্রকল্পের কালচারাল অ্যাডভাইজার হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার’-এর জন্য রাজ্য সরকারের তরফে প্রাথমিকভাবে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

*কী কী থাকছে এই ফিল্ম সেন্টারে? তিনটি পর্যায়ে গড়ে উঠবে প্রকল্প*

*১. প্রথম পর্যায়:* এখানে থাকবে দুটি অত্যাধুনিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সিনেমা হল। প্রতিটি হলে ৭৫০টি করে, অর্থাৎ মোট ১৫০০ দর্শকের বসার ব্যবস্থা থাকবে। সঙ্গে থাকবে একটি প্রিভিউ থিয়েটার, ফুড কোর্ট এবং বহুতল পার্কিংয়ের সুবিধা।

*২. দ্বিতীয় পর্যায়:* এই অংশে থাকবে ১০০০ আসন বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ অডিটোরিয়াম এবং একটি ওপেন এয়ার থিয়েটার। এখানে সিনেমা প্রদর্শনের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চলচ্চিত্র উৎসব, সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করা যাবে।

*৩. তৃতীয় পর্যায়:* এটি হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভবিষ্যতের সিনেমা ও মিডিয়া-এন্টারটেইনমেন্ট শিল্পের কথা মাথায় রেখে এখানে তৈরি হবে অ্যানিমেশন, ভিজ্যুয়াল এফেক্টস ,গেমিং, কমিক্স এবং এক্সটেন্ডেড রিয়্যালিটি-এর ল্যাবরেটরি ও স্টুডিয়ো। এছাড়াও থাকবে সিনেমার পোস্ট-প্রোডাকশনের জন্য অত্যাধুনিক পরিকাঠামো।অর্থাৎ, এটি শুধুমাত্র সিনেমা দেখার জায়গা নয়, বরং চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রশিক্ষণের একটি সম্পূর্ণ ইকোসিস্টেম হিসাবে গড়ে তোলা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, বর্ষার মরসুম শেষ হলেই জোরকদমে শুরু হবে নির্মাণ কাজ। দ্রুত প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্য।

ছবি:সৌজন্যে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ উত্তর ২৪ পরগনা।
ফিফার নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মুখ খুলল মহামেডান স্পোর্টিং*
*খেলা*


*নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা:* ফিফার ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ক্লাব তাঁবুতে আয়োজিত ওই সাংবাদিক বৈঠকে ক্লাবের জেনারেল সেক্রেটারি এস কে ওয়াসিম আক্রম নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।

সাংবাদিক বৈঠকে ওয়াসিম আক্রম জানান, আগের কমিটির সময়ের জটিলতার জেরেই ফিফার এই নিষেধাজ্ঞা। বর্তমান পরিচালন সমিতি ইতিমধ্যেই সেই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করেছে।

ক্লাবের তরফে জানানো হয়েছে, সমস্যার সমাধান প্রক্রিয়া শেষ হলে আগামী ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ফের নতুন ফুটবলারদের রেজিস্ট্রেশন করাতে পারবে মহামেডান।

সেই লক্ষ্যেই ইতিমধ্যেই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে ক্লাব। আসন্ন মরসুমের কথা মাথায় রেখে বেশ কয়েকজন নতুন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তিও সেরে ফেলা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা উঠলেই নিয়ম মেনে তাঁদের নাম নথিভুক্ত করা হবে।

ক্লাব সচিব জানান, বর্তমান প্রশাসন ক্লাবের স্থিতিশীলতা, স্বচ্ছতা এবং শক্তিশালী ক্রীড়া ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। আগামী মরসুমে শক্তিশালী দল গড়াই এখন মূল লক্ষ্য।

ক্লাবের ফুটবলার, সমর্থক এবং স্টেকহোল্ডারদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হবে এবং ক্লাব সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আপডেট সময়ে সময়ে জানানো হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে মহামেডান ম্যানেজমেন্ট।

ছবি:সঞ্জয় হাজরা।