/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz পুজোর থিমে ফুটে উঠবে শীষ মহল! খুঁটি পুজো থেকেই নজর কাড়তে চলেছে বসিরহাটের প্রগতি সংঘ West Bengal Bangla
পুজোর থিমে ফুটে উঠবে শীষ মহল! খুঁটি পুজো থেকেই নজর কাড়তে চলেছে বসিরহাটের প্রগতি সংঘ
বসিরহাট : দূর থেকে দেখলে মনে হবে, যেন বসিরহাটেই গড়ে উঠেছে এক টুকরো ‘শীষ মহল’। আয়না ও দর্পণের কারুকার্যের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠবে দেবী দুর্গার অপূর্ব দর্শন। বসিরহাট পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ডের আস্তানা রোড সংলগ্ন প্রগতি সংঘের এবারের দুর্গাপুজোর থিমের নাম ‘রূপদর্পণ’। থিমের অভিনবত্বে ইতিমধ্যেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে শহর জুড়ে।
গত কয়েক বছরে দুর্গাপুজোয় থিমের ছোঁয়া শহর ছাড়িয়ে গ্রামাঞ্চলেও পৌঁছে গিয়েছে। কলকাতার পার্শ্ববর্তী বসিরহাটের বহু পুজো এখন আয়োজন, শিল্পভাবনা ও দর্শক আকর্ষণের নিরিখে মহানগরীর বড় বড় পুজোকেও টেক্কা দিচ্ছে। সেই তালিকায় বরাবরের মতোই নিজের জায়গা ধরে রেখেছে বসিরহাটের প্রগতি সংঘের পুজো। এবছরও তার ব্যতিক্রম নয়।
পুজো কমিটির সম্পাদক প্রিয়ঙ্কর মিত্রের দাবি, প্রগতি সংঘের প্রায় ৭০ ফুট উঁচু মণ্ডপে ফুটিয়ে তোলা হবে ‘শীষ মহল’-এর আদলে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্যপট। অসংখ্য আয়নার প্রতিফলনে দেবী দুর্গার রূপ দর্শনার্থীদের সামনে ধরা দেবে এক অনন্য অনুভূতিতে। শুধু মণ্ডপ নয়, প্রতিমাতেও থাকছে নতুনত্বের ছোঁয়া, যা দর্শকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করবে বলেই মনে করছেন উদ্যোক্তারা। মণ্ডপ চত্বরকে ঘিরে তৈরি করা হবে আলোর ঝলমলে আবহ। খুঁটি পূজার সময় থেকেই সেই প্রস্তুতির ইঙ্গিত মিলেছে। খুঁটি পূজার সেই আনন্দে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সন্দেশখালির বিধায়ক সনৎ সর্দার ও বিশিষ্ট সমাজসেবী তাপস ঘোষ সহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তাদের বক্তব্য, এই পুজো শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, শিল্প ও সংস্কৃতিরও এক গুরুত্বপূর্ণ মেলবন্ধন।
প্রতিবছরই দুর্গাপুজোর সময় বসিরহাট শহর ও আশপাশের এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষের ভিড় নামে আস্তানা রোডের এই পুজো মণ্ডপে। গোটা বছর ধরে যে উৎসবের অপেক্ষায় থাকেন বাঙালি, সেই দুর্গোৎসবকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে এবার রূপদর্পণের মাধ্যমে চমক দিতে চলেছে প্রগতি সংঘ।
সব মিলিয়ে, আয়নার প্রতিফলনে দেবী দর্শনের অনন্য অভিজ্ঞতা, বিশাল মণ্ডপ, আলোর নান্দনিক সাজ এবং শিল্পসম্মত উপস্থাপনায় এবারের দুর্গাপুজোয় বসিরহাটের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠতে চলেছে আস্তানা রোড প্রগতি সংঘের ‘রূপদর্পণ’। দর্শনার্থীদের জন্য এখন শুধু অপেক্ষা মহালয়ার পর সেই স্বপ্নের শীষ মহলকে চোখের সামনে দেখার।
শিডিউল রেট থেকে ডিএলপি—একাধিক দাবিতে সরব পিডব্লিউডি ঠিকাদার সংগঠন
কলকাতা: শিডিউল রেট বাজারমূল্যের সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বৃদ্ধি, দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা দ্রুত মেটানো, ডিফেক্ট লাইবিলিটি পিরিয়ড (ডিএলপি) কমানো এবং রয়্যালটি সংক্রান্ত একাধিক সমস্যার সমাধানের দাবিতে অষ্টম বার্ষিক সাধারণ সভায় সরব হলেন গ্রেটার কলকাতা পিডব্লিউডি কন্ট্রাক্টর্স’ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সংগঠক ও সদস্যরা। সম্প্রতি কলকাতার ভারত সভা হলে আয়োজিত এই সভায় বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা, পেশার বর্তমান পরিস্থিতি এবং ঠিকাদারদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় সভায়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে রাজা মুখার্জি বলেন, “দীর্ঘ দুই দশকের পথচলায় আমাদের সংগঠন আজ কলকাতার পিডব্লিউডি ঠিকাদার সমাজের কাছে আস্থা, ঐক্য ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই অর্জন কোনও একক ব্যক্তির নয়, এটি সকল সদস্যের নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও পারস্পরিক সহযোগিতার ফল।”
এসআইআর ইস্যুতে সিপিআই(এম)-ডিওয়াইএফআইয়ের কর্মসূচি, আইনি লড়াইয়ের ডাক শামীম আহমেদের
বসিরহাট : হিঙ্গলগঞ্জ ও বসিরহাটে সিপিআই(এম)-ডিওয়াইএফআইয়ের সভায় এসআইআর নিয়ে সরব আইনজীবী শামীম আহমেদ। হিঙ্গলগঞ্জ ও বসিরহাটে শনিবার পৃথক দুটি কর্মসূচিতে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী শামীম আহমেদ। তার অভিযোগ, আইন বহির্ভূতভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চালিয়ে বহু বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যার অধিকাংশই গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষ। সিপিআই(এম) হিঙ্গলগঞ্জ দক্ষিণ এরিয়া কমিটির উদ্যোগে যোগেশগঞ্জ কমিউনিটি হলে ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারী এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া ব্যক্তিদের নিয়ে একটি আইনি সহায়তা শিবিরের আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টি নেতা তপন মণ্ডল। উপস্থিত ছিলেন এরিয়া কমিটির সম্পাদক রবি বিশ্বাসও। সেখানে শামীম আহমেদ বলেন, যাদের নাম বাদ পড়েছে তাদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। ভারতের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে অধিকার দিয়েছে এবং সেই অধিকার ফিরে পেতে আদালতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি গণআন্দোলনও চালিয়ে যেতে হবে।
অন্যদিকে, ডিওয়াইএফআই বসিরহাট দক্ষিণ লোকাল কমিটির উদ্যোগে শাঁকচূড়া বাজার এলাকায় একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রেশমা বিবি। উপস্থিত ছিলেন সিপিআই(এম) নেতা সায়নদীপ মিত্র, রাজু আহমেদ, কিঙ্করকান্তি রায়, ডিওয়াইএফআইয়ের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি দেবজ্যোতি চক্রবর্তী, সম্পাদক সপ্তর্ষি দেব, অরিত্র বিশ্বাস ও সুমিত ঘোষ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সেখানেও শামীম আহমেদ ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারী ও নাম বাদ পড়া ভোটারদের আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। শাঁকচূড়ার সভায় ডিওয়াইএফআই নেতৃত্ব এসআইআর ইস্যুর পাশাপাশি হকার উচ্ছেদ, স্মার্ট মিটার, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে হয়রানি, রান্নার গ্যাস, পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি, বারুইপুরের এনকাউন্টার এবং গণপিটুনির ঘটনাকে কেন্দ্র করেও কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়। নেতৃবৃন্দের দাবি, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলন আরও জোরদার করতে বুথভিত্তিক যুব সংগঠনকে শক্তিশালী করা হবে এবং সেই লড়াই আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে।
বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ বিশ্বকাপ তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ,আজ ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে মহারণ
স্পোর্টস ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালের আগে শেষ লড়াই। ট্রফি না থাকলেও সম্মানের লড়াইটা কোনও অংশে কম নয়। শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বিশ্ব ফুটবলের দুই শক্তি ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ড। 

ভারতীয় জাতীয় দলের সিনিয়র গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধুর চোখে এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট হতে পারেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন।

গুরপ্রীত বলেন, "যদি হ্যারি কেন শুর একাদশে থাকেন, তিনি নিঃসন্দেহে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় হুমকি। তাঁর সবচেয়ে বড় গুণ হল মাঝমাঠে নেমে এসে খেলা তৈরি করা। তিনি শুধু গোলই করেন না, সতীর্থদের জন্য জায়গা তৈরি করে দেন।" 

সেমিফাইনালেও ইংল্যান্ড এই কৌশলেই প্রতিপক্ষকে সমস্যায় ফেলেছিল বলে মনে করেন তিনি। তার মতে,"ফ্রান্সের সেন্টার-ব্যাকদের এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে—তারা কেনকে অনুসরণ করবে, নাকি নিজেদের ডিফেন্সিভ শেপ ধরে রাখবে। এই ভারসাম্যটা ঠিক রাখতে না পারলেই সমস্যা। এটাই ম্যাচের সবচেয়ে বড় কৌশলগত লড়াই হতে চলেছে।"

সেমিফাইনালে হারের পর দুই দলের কোচের সামনেই বড় চ্যালেঞ্জ—দলের মনোবল ধরে রাখা। গুরপ্রীতের মতে, "ফাইনালে উঠতে না পারার পর অনুপ্রেরণা ধরে রাখা স্বাভাবিকভাবেই কঠিন। কিন্তু বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে দেশের জার্সি গায়ে নামাটাই সবচেয়ে বড় প্রেরণা।"  তিনি আভাস দেন, একাদশে কিছু বদল আসতে পারে। তবে কিলিয়ান এমবাপের মতো তারকাকে তিনি বেঞ্চে দেখছেন না। "গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এমবাপে এখনও রয়েছেন। ওর মতো খেলোয়াড় সবসময় মাঠে থাকতে চায়। ব্যক্তিগত মাইলস্টোনও দল নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।"

ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের সমস্যা দু’রকম।  সেটা হল,"ফ্রান্সের গোল খাওয়া শুধু ব্যক্তিগত ভুল ছিল না। দ্বিতীয় গোলের সময় দুই ডিফেন্ডার একই খেলোয়াড়ের দিকে ছুটে গিয়েছিল, আর মাঝমাঠ থেকে আসা রানারদের কেউ মার্ক করেনি। এটা ট্যাকটিক্যাল ভুল।অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের সমস্যা ছিল মানসিকতা। "এগিয়ে যাওয়ার পর তারা খুব বেশি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়েছিল। অভিজাত দলের বিরুদ্ধে অনেকক্ষণ ধরে ডিপ ডিফেন্স করলে ক্লান্তি আসবেই, আর তখনই ভুল হয়।"

তৃতীয় স্থানের ম্যাচ হার-জিতের বাইরেও দুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গুরপ্রীত মনে করেন, ফলাফল যাই হোক, ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ড এখনও বিশ্বের সেরা দলগুলোর মধ্যে থাকবে। তবে,"দুই দলই অভিজ্ঞ এবং তরুণ ফুটবলারের দারুণ মিশ্রণ তৈরি করেছে। বড় টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ে নিয়মিত পৌঁছানো কাকতালীয় নয়। এই বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা ওদের আরও শক্তিশালী করবে। আমি অবাক হব না যদি আগামী দিনে এই দুই দেশ আবার বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়।"

শনিবারের লড়াই তাই শুধু ব্রোঞ্জের জন্য নয়। এটা আত্মসম্মান, কৌশল এবং ভবিষ্যতের প্রস্তুতির লড়াই।


ছবি:সংগৃহীত।
ছাত্র-ছাত্রীদের মনোবল বাড়াতে স্কুলে পাওয়ার লিফটিং প্রতিযোগিতা
নিজস্ব প্রতিনিধি: সরকারি স্কুলের মান নিয়ে সর্বদাই ভ্রু কোচকানো লোকের সংখ্যা বেশি। কিন্তু পরিবেশ বদলাতে এগিয়ে আসা মানুষের সংখ্যা কম। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জেটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিভাড়া সরস্বতী বিদ্যামন্দির উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের মনোবল গড়ে তুলতে পাওয়ার লিফটিং চ্যাম্পিয়ান শিপের আয়োজন করেছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তিনশো প্রতিযোগি এখানে অংশগ্রহণ করেছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুভাষ পাল বলেন, "ইদানিং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে মানষিক দুর্বলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সঙ্গে শারীর গঠনে খামতি রয়েছে। বহু পরিবার এই ব্যাপারে উদাসীন। তাই সেই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে পাওয়ার লিফটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা স্কুলের খেলাধূলায় ও ঠাঁই পেয়েছে। এর মাধ্যমে পড়ুয়াদের শারীরিক ও মানষিক শক্তির বিকাশ ঘটবে"।

ছবি: প্রবীর রায়।
১৫ বছরের বেহাল রাস্তা সংস্কারের দাবিতে হাসনাবাদে পথ অবরোধ, দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ স্থানীয়দের
বসিরহাট : বসিরহাটের টাকি পৌরসভার ১৬ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের বেহাল রাস্তার সংস্কারের দাবিতে শনিবার ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিনোদ কলোনি এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন শতাধিক মানুষ। তাদের অভিযোগ, প্রায় ১৫ বছর ধরে বিনোদ কলোনি থেকে সুভাষ কলোনি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার কোনও স্থায়ী সংস্কার হয়নি। ফলে প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেই গর্তে জল জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এই রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, কর্মজীবী মানুষ এবং সাধারণ পথচারীদের যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে একাধিকবার দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং ছোট ছোট স্কুলপড়ুয়া সহ কয়েকজনের অকাল মৃত্যু হয়েছে। তবুও প্রশাসনের তরফে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তাদের দাবি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়ে তৃণমূল পরিচালিত টাকি পৌরসভার চেয়ারম্যান, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মনোরঞ্জন পাত্র ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর গোবিন্দ সরকারের কাছে একাধিকবার আবেদন করা হলেও কোনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। আশ্বাস ছাড়া বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি বলেই অভিযোগ তাদের।
বিক্ষোভকারীরা আরও গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেন, রাস্তা সংস্কারের নামে বিগত কয়েক বছর ধরে তৃণমূল সরকারের আমলে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা হলেও সেই টাকা কাজে লাগানো হয়নি। তাদের দাবি, ওই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। এই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তোলেন তারা। স্থানীয় এক মহিলা জানান, সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় গর্ভবতী মহিলাদের। প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় ভাঙাচোরা রাস্তায় অ্যাম্বুল্যান্স বা গাড়ি চলাচল করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। তার অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একই পরিস্থিতি চললেও প্রশাসনের কোনও হেলদোল নেই। রাস্তা অবরোধের জেরে কিছু সময়ের জন্য ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অবিলম্বে রাস্তার সংস্কারের কাজ শুরু না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তারা।
খেলা কলকাতা ফুটবল লিগ

*মহামেডান স্পোর্টিং-এর দুরন্ত শুরু, ৩-১ গোলে জয় এরিয়ানের বিরুদ্ধে*

*নিজস্ব প্রতিনিধি:* কলকাতা ফুটবল লিগ ২০২৬-এ জয়ের ধারা বজায় রাখল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। বৃহস্পতিবার মহামেডান স্পোর্টিং ময়দানে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এরিয়ান ক্লাবকে ৩-১ গোলে হারাল তারা। এই জয়ের ফলে টানা দু’ম্যাচে জয় পেয়ে লিগে অপরাজিত থাকল সাদা-কালো শিবির।

শুরুতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় মহামেডান। ম্যাচের শুরুতেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ইসরাফিল। তাঁর নিখুঁত ফিনিশিং-এ উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ায় মহামেডান। অর্পিত ছেত্রীর আক্রমণাত্মক দৌড় থেকে আসা জোরালো শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। ফলে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ঘরের দল।

তবে বিরতির কিছুক্ষণ আগেই গোল শোধ করে এরিয়ান। ব্যবধান কমিয়ে ২-১ করে তারা।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও সংঘবদ্ধ ফুটবল উপহার দেয় মহামেডান। ম্যাচের মাঝামাঝি সময়ে ক্রস থেকে দুরন্ত হেডে নিজের এবং দলের তৃতীয় গোলটি করেন ইসরাফিল দেওয়ান। এই গোলেই ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মহামেডান।

শেষ পর্যন্ত রক্ষণে কোনও ভুল না করে ৩ পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।

এই জয়ের ফলে লিগের শুরুতেই শক্তিশালী বার্তা দিল সাদা-কালো ব্রিগেড। *ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
স্বচ্ছতার অভাবে জাদুঘরের রক্ষক পদে নিয়োগ বাতিল, উচ্চ আদালতের নির্দেশে নতুন প্রক্রিয়া

*কলকাতা:* রাজ্য প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘরের 'কিপার' পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ লোকসেবা কমিশন(পিএসসি )১৯৮২ সালের কার্যপ্রণালী বিধি এবং ২০২২ সালের ১২ নম্বর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত যথাযথভাবে পালন করেনি।বিচারপতি কৃষ্ণ রাও-এর একক বেঞ্চ বুধবার এই রায় দেন। ড. বনানি ভট্টাচার্য সহ আরও এক অকৃতকার্য প্রার্থী জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন।

মামলাকারীর আইনজীবী আদালতে জানান ,গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব ছিল। কমিশন সাক্ষাৎকারে প্রাপ্ত নম্বর প্রকাশ করেনি। মূল্যায়নের কী মানদণ্ড ছিল এবং কীসের ভিত্তিতে চূড়ান্ত প্রার্থীকে বেছে নেওয়া হল তাও জানানো হয়নি। তাঁদের আরও অভিযোগ, তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কাজের অভিজ্ঞতা নির্বাচিত প্রার্থীর তুলনায় বেশি থাকা সত্ত্বেও তাঁদের অগ্রাহ্য করা হয়েছে।

লোকসেবা কমিশনের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, সমস্ত নিয়ম মেনেই নিয়োগ করা হয়েছে। তিন সদস্যের সাক্ষাৎকার পর্ষদ যোগ্যতা বিচার করে নির্বাচিত প্রার্থীকে সবচেয়ে উপযুক্ত বলে সুপারিশ করেছে।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত কমিশনের যুক্তি মানতে নারাজ হয়। বিচারপতি জানান, নিজেদের বিধি না মানায় গোটা প্রক্রিয়াই আইনবিরুদ্ধ। তাই শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়াই নয়, ইতিমধ্যে যে প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল তাঁর নিয়োগও বাতিল করা হল।

একইসঙ্গে আদালত কমিশনকে আইন ও বিধি মেনে নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্বচ্ছ পদ্ধতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে।
বিরোধী দলনেতা মামলায় সোমনাথ প্রসঙ্গ, রায়দান স্থগিত রাখল হাইকোর্ট *

কলকাতা:* পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ রায়দান স্থগিত রাখে।

শুনানির সময় লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ তোলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "নিরপেক্ষতা কাকে বলে তা সোমনাথবাবুর কাছ থেকে শেখা উচিত।" তিনি অধ্যক্ষের সিদ্ধান্ত খারিজের দাবি জানান।

বিধানসভার অধ্যক্ষের আইনজীবী জানান, ৫৮ জন বিধায়ক স্বাক্ষর করে বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব করেছিলেন। সেই প্রস্তাব মানা ছাড়া অধ্যক্ষের উপায় ছিল না।

ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, "এক পক্ষ ক্ষমতায়, আরেক পক্ষ বাইরে। কিন্তু দুই পক্ষই একই দলের।" আদালত জানায়, বিষয়টি বিধানসভার বিতর্কের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়, তাই হস্তক্ষেপের সুযোগ আছে।

প্রসঙ্গত, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
বারাসাত রথযাত্রা উদযাপন কমিটির রথযাত্রায় উপস্থিত বিধায়ক
নিজস্ব প্রতিনিধি: অতীতের ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে বৃহস্পতিবার সাড়ম্বরে পালিত হল বারাসাত রথযাত্রা উদযাপন কমিটির রথযাত্রা। ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করা এই বর্ণাঢ্য রথযাত্রাকে ঘিরে বারাসাত শহরে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। নবীন থেকে প্রবীণ—সমাজের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে রথযাত্রা হয়ে ওঠে এক মিলনমেলা। বারাসাত নবপল্লী শিবমন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে রথযাত্রার সূচনা হয়। এরপর নবপল্লী কাঁঠালতলা হয়ে অশোক কলোনি গিয়ে শেষ হয় শোভাযাত্রা। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বারাসাতের বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট চিকিৎসক, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
এবারের রথযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল বারাসাত ছান্দিকের পরিচালনায় চলমান বর্ণাঢ্য নৃত্যানুষ্ঠান, যা শোভাযাত্রাকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। বিশেষ পূজার মাধ্যমে জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রাকে রথে অধিষ্ঠিত করার পর ঢাক, ডঙ্কা ও বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের তালে শুরু হয় রথযাত্রা। শোভাযাত্রায় অংশ নেন মতুয়া সম্প্রদায়ের ভক্তরাও।
রথযাত্রায় অংশগ্রহণকারী সকলের মধ্যে জগন্নাথদেবের প্রসাদ হিসেবে খাজা ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। রথযাত্রার উদ্বোধনের পর বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায় বলেন, "সমাজের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এই রথযাত্রার সবচেয়ে বড় সাফল্য"।

ছবি:কমল গুহ।