এসআইআর ইস্যুতে সিপিআই(এম)-ডিওয়াইএফআইয়ের কর্মসূচি, আইনি লড়াইয়ের ডাক শামীম আহমেদের
বসিরহাট : হিঙ্গলগঞ্জ ও বসিরহাটে সিপিআই(এম)-ডিওয়াইএফআইয়ের সভায় এসআইআর নিয়ে সরব আইনজীবী শামীম আহমেদ। হিঙ্গলগঞ্জ ও বসিরহাটে শনিবার পৃথক দুটি কর্মসূচিতে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী শামীম আহমেদ। তার অভিযোগ, আইন বহির্ভূতভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চালিয়ে বহু বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যার অধিকাংশই গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষ। সিপিআই(এম) হিঙ্গলগঞ্জ দক্ষিণ এরিয়া কমিটির উদ্যোগে যোগেশগঞ্জ কমিউনিটি হলে ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারী এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া ব্যক্তিদের নিয়ে একটি আইনি সহায়তা শিবিরের আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টি নেতা তপন মণ্ডল। উপস্থিত ছিলেন এরিয়া কমিটির সম্পাদক রবি বিশ্বাসও। সেখানে শামীম আহমেদ বলেন, যাদের নাম বাদ পড়েছে তাদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। ভারতের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে অধিকার দিয়েছে এবং সেই অধিকার ফিরে পেতে আদালতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি গণআন্দোলনও চালিয়ে যেতে হবে।
অন্যদিকে, ডিওয়াইএফআই বসিরহাট দক্ষিণ লোকাল কমিটির উদ্যোগে শাঁকচূড়া বাজার এলাকায় একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রেশমা বিবি। উপস্থিত ছিলেন সিপিআই(এম) নেতা সায়নদীপ মিত্র, রাজু আহমেদ, কিঙ্করকান্তি রায়, ডিওয়াইএফআইয়ের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি দেবজ্যোতি চক্রবর্তী, সম্পাদক সপ্তর্ষি দেব, অরিত্র বিশ্বাস ও সুমিত ঘোষ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সেখানেও শামীম আহমেদ ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারী ও নাম বাদ পড়া ভোটারদের আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। শাঁকচূড়ার সভায় ডিওয়াইএফআই নেতৃত্ব এসআইআর ইস্যুর পাশাপাশি হকার উচ্ছেদ, স্মার্ট মিটার, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে হয়রানি, রান্নার গ্যাস, পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি, বারুইপুরের এনকাউন্টার এবং গণপিটুনির ঘটনাকে কেন্দ্র করেও কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়। নেতৃবৃন্দের দাবি, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলন আরও জোরদার করতে বুথভিত্তিক যুব সংগঠনকে শক্তিশালী করা হবে এবং সেই লড়াই আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে।

বসিরহাট : হিঙ্গলগঞ্জ ও বসিরহাটে সিপিআই(এম)-ডিওয়াইএফআইয়ের সভায় এসআইআর নিয়ে সরব আইনজীবী শামীম আহমেদ। হিঙ্গলগঞ্জ ও বসিরহাটে শনিবার পৃথক দুটি কর্মসূচিতে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী শামীম আহমেদ। তার অভিযোগ, আইন বহির্ভূতভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চালিয়ে বহু বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যার অধিকাংশই গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষ। সিপিআই(এম) হিঙ্গলগঞ্জ দক্ষিণ এরিয়া কমিটির উদ্যোগে যোগেশগঞ্জ কমিউনিটি হলে ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারী এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া ব্যক্তিদের নিয়ে একটি আইনি সহায়তা শিবিরের আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টি নেতা তপন মণ্ডল। উপস্থিত ছিলেন এরিয়া কমিটির সম্পাদক রবি বিশ্বাসও। সেখানে শামীম আহমেদ বলেন, যাদের নাম বাদ পড়েছে তাদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। ভারতের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে অধিকার দিয়েছে এবং সেই অধিকার ফিরে পেতে আদালতে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি গণআন্দোলনও চালিয়ে যেতে হবে।

স্পোর্টস ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালের আগে শেষ লড়াই। ট্রফি না থাকলেও সম্মানের লড়াইটা কোনও অংশে কম নয়। শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বিশ্ব ফুটবলের দুই শক্তি ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ড।
নিজস্ব প্রতিনিধি: সরকারি স্কুলের মান নিয়ে সর্বদাই ভ্রু কোচকানো লোকের সংখ্যা বেশি। কিন্তু পরিবেশ বদলাতে এগিয়ে আসা মানুষের সংখ্যা কম। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জেটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিভাড়া সরস্বতী বিদ্যামন্দির উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের মনোবল গড়ে তুলতে পাওয়ার লিফটিং চ্যাম্পিয়ান শিপের আয়োজন করেছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তিনশো প্রতিযোগি এখানে অংশগ্রহণ করেছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুভাষ পাল বলেন, "ইদানিং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে মানষিক দুর্বলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সঙ্গে শারীর গঠনে খামতি রয়েছে। বহু পরিবার এই ব্যাপারে উদাসীন। তাই সেই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে পাওয়ার লিফটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা স্কুলের খেলাধূলায় ও ঠাঁই পেয়েছে। এর মাধ্যমে পড়ুয়াদের শারীরিক ও মানষিক শক্তির বিকাশ ঘটবে"।
বসিরহাট : বসিরহাটের টাকি পৌরসভার ১৬ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের বেহাল রাস্তার সংস্কারের দাবিতে শনিবার ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিনোদ কলোনি এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন শতাধিক মানুষ। তাদের অভিযোগ, প্রায় ১৫ বছর ধরে বিনোদ কলোনি থেকে সুভাষ কলোনি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার কোনও স্থায়ী সংস্কার হয়নি। ফলে প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
*ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
নিজস্ব প্রতিনিধি: অতীতের ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে বৃহস্পতিবার সাড়ম্বরে পালিত হল বারাসাত রথযাত্রা উদযাপন কমিটির রথযাত্রা। ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করা এই বর্ণাঢ্য রথযাত্রাকে ঘিরে বারাসাত শহরে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। নবীন থেকে প্রবীণ—সমাজের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে রথযাত্রা হয়ে ওঠে এক মিলনমেলা। বারাসাত নবপল্লী শিবমন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে রথযাত্রার সূচনা হয়। এরপর নবপল্লী কাঁঠালতলা হয়ে অশোক কলোনি গিয়ে শেষ হয় শোভাযাত্রা। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বারাসাতের বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট চিকিৎসক, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
নিজস্ব প্রতিনিধি: শুভ রথযাত্রায় কলকাতার বেলগাছিয়ার টালা পার্কে ৭৯ তম বর্ষের খুঁটি পূজো সম্পন্ন হল বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব কমিটির। এদিন সকাল থেকেই পূজো মণ্ডপের ময়দানে খুঁটি পূজো উপলক্ষ্যে পূজো কমিটির সদস্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পূজো কমিটির সভাপতি অরিন্দম সাহা জানালেন, “ আমাদের এই পূজো বিগত বেশ কিছু বছর ধরে নানান রাজনৈতিক কারণ এবং পাশের থিম পূজোর চাকচিক্যের অন্তরালে তার পুরানো গরিমা হারিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু এই বছর বেলগাছিয়া পল্লীবাসীদের সহযোগীতায় এবং নতুন পূজো কমিটির উদ্যোগে থিম পূজোর পরিবর্তে মায়ের সনাতনী রূপে সেই হারানো ঐতিহ্যকে সম্পূর্ণ রূপে ফিরিয়ে আনা হবে।” কার্য নির্বাহী কমিটির ওপর সদস্য অনির্বাণ ভট্টাচ্যার্জী জানালেন, “ এই পূজোর সাথে আমার ছোটবেলার নানান স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বেশ কিছু বছর ধরে থিম পূজোর প্রতিযোগীতার দৌড়ে এই পূজো যেন কিছুটা তার জৌলুস হারিয়ে ফেলেছিল। এই বছর আমরা পূজো কমিটির সবাই মিলে আমাদের পাড়ার মানুষদের কাছে উমা মায়ের সেই সাবেকী রূপকে ফিরিয়ে আনতে চলেছি। যেখানে মাতৃ আরাধনার মধ্যে দিয়ে উৎসবের এই দিনগুলিতে আমরা সবাই মেতে উঠবো একসাথে। যেখানে উমা মা স্বপরিবারে সাবেকী রূপে আগমন করবেন। এলাকার স্থানীয় মহিলারা ভোগ বিতরণ সহ পূজোয় নানান ভাবে যুক্ত থাকার পাশাপাশি অংশগ্রহণ করবেন দশমীর সিঁদুর খেলায়। দ্বাদশীতে এলাকার মানুষদের জন্যে থাকবে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সব মিলিয়ে আমাদের পুরানো পূজো আবার আমাদের কাছে ফিরে আসবে উৎসবের আনন্দে ঘিরে।”
Jul 19 2026, 18:38
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
2.3k