/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ বিশ্বকাপ তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ,আজ ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে মহারণ West Bengal Bangla
বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ বিশ্বকাপ তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ,আজ ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে মহারণ
স্পোর্টস ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালের আগে শেষ লড়াই। ট্রফি না থাকলেও সম্মানের লড়াইটা কোনও অংশে কম নয়। শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বিশ্ব ফুটবলের দুই শক্তি ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ড। 

ভারতীয় জাতীয় দলের সিনিয়র গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধুর চোখে এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট হতে পারেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন।

গুরপ্রীত বলেন, "যদি হ্যারি কেন শুর একাদশে থাকেন, তিনি নিঃসন্দেহে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় হুমকি। তাঁর সবচেয়ে বড় গুণ হল মাঝমাঠে নেমে এসে খেলা তৈরি করা। তিনি শুধু গোলই করেন না, সতীর্থদের জন্য জায়গা তৈরি করে দেন।" 

সেমিফাইনালেও ইংল্যান্ড এই কৌশলেই প্রতিপক্ষকে সমস্যায় ফেলেছিল বলে মনে করেন তিনি। তার মতে,"ফ্রান্সের সেন্টার-ব্যাকদের এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে—তারা কেনকে অনুসরণ করবে, নাকি নিজেদের ডিফেন্সিভ শেপ ধরে রাখবে। এই ভারসাম্যটা ঠিক রাখতে না পারলেই সমস্যা। এটাই ম্যাচের সবচেয়ে বড় কৌশলগত লড়াই হতে চলেছে।"

সেমিফাইনালে হারের পর দুই দলের কোচের সামনেই বড় চ্যালেঞ্জ—দলের মনোবল ধরে রাখা। গুরপ্রীতের মতে, "ফাইনালে উঠতে না পারার পর অনুপ্রেরণা ধরে রাখা স্বাভাবিকভাবেই কঠিন। কিন্তু বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে দেশের জার্সি গায়ে নামাটাই সবচেয়ে বড় প্রেরণা।"  তিনি আভাস দেন, একাদশে কিছু বদল আসতে পারে। তবে কিলিয়ান এমবাপের মতো তারকাকে তিনি বেঞ্চে দেখছেন না। "গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এমবাপে এখনও রয়েছেন। ওর মতো খেলোয়াড় সবসময় মাঠে থাকতে চায়। ব্যক্তিগত মাইলস্টোনও দল নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।"

ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের সমস্যা দু’রকম।  সেটা হল,"ফ্রান্সের গোল খাওয়া শুধু ব্যক্তিগত ভুল ছিল না। দ্বিতীয় গোলের সময় দুই ডিফেন্ডার একই খেলোয়াড়ের দিকে ছুটে গিয়েছিল, আর মাঝমাঠ থেকে আসা রানারদের কেউ মার্ক করেনি। এটা ট্যাকটিক্যাল ভুল।অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের সমস্যা ছিল মানসিকতা। "এগিয়ে যাওয়ার পর তারা খুব বেশি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়েছিল। অভিজাত দলের বিরুদ্ধে অনেকক্ষণ ধরে ডিপ ডিফেন্স করলে ক্লান্তি আসবেই, আর তখনই ভুল হয়।"

তৃতীয় স্থানের ম্যাচ হার-জিতের বাইরেও দুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গুরপ্রীত মনে করেন, ফলাফল যাই হোক, ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ড এখনও বিশ্বের সেরা দলগুলোর মধ্যে থাকবে। তবে,"দুই দলই অভিজ্ঞ এবং তরুণ ফুটবলারের দারুণ মিশ্রণ তৈরি করেছে। বড় টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ে নিয়মিত পৌঁছানো কাকতালীয় নয়। এই বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা ওদের আরও শক্তিশালী করবে। আমি অবাক হব না যদি আগামী দিনে এই দুই দেশ আবার বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়।"

শনিবারের লড়াই তাই শুধু ব্রোঞ্জের জন্য নয়। এটা আত্মসম্মান, কৌশল এবং ভবিষ্যতের প্রস্তুতির লড়াই।


ছবি:সংগৃহীত।
ছাত্র-ছাত্রীদের মনোবল বাড়াতে স্কুলে পাওয়ার লিফটিং প্রতিযোগিতা
নিজস্ব প্রতিনিধি: সরকারি স্কুলের মান নিয়ে সর্বদাই ভ্রু কোচকানো লোকের সংখ্যা বেশি। কিন্তু পরিবেশ বদলাতে এগিয়ে আসা মানুষের সংখ্যা কম। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জেটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিভাড়া সরস্বতী বিদ্যামন্দির উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের মনোবল গড়ে তুলতে পাওয়ার লিফটিং চ্যাম্পিয়ান শিপের আয়োজন করেছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তিনশো প্রতিযোগি এখানে অংশগ্রহণ করেছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুভাষ পাল বলেন, "ইদানিং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে মানষিক দুর্বলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সঙ্গে শারীর গঠনে খামতি রয়েছে। বহু পরিবার এই ব্যাপারে উদাসীন। তাই সেই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে পাওয়ার লিফটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা স্কুলের খেলাধূলায় ও ঠাঁই পেয়েছে। এর মাধ্যমে পড়ুয়াদের শারীরিক ও মানষিক শক্তির বিকাশ ঘটবে"।

ছবি: প্রবীর রায়।
১৫ বছরের বেহাল রাস্তা সংস্কারের দাবিতে হাসনাবাদে পথ অবরোধ, দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ স্থানীয়দের
বসিরহাট : বসিরহাটের টাকি পৌরসভার ১৬ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের বেহাল রাস্তার সংস্কারের দাবিতে শনিবার ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিনোদ কলোনি এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন শতাধিক মানুষ। তাদের অভিযোগ, প্রায় ১৫ বছর ধরে বিনোদ কলোনি থেকে সুভাষ কলোনি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার কোনও স্থায়ী সংস্কার হয়নি। ফলে প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেই গর্তে জল জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এই রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, কর্মজীবী মানুষ এবং সাধারণ পথচারীদের যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে একাধিকবার দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং ছোট ছোট স্কুলপড়ুয়া সহ কয়েকজনের অকাল মৃত্যু হয়েছে। তবুও প্রশাসনের তরফে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তাদের দাবি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়ে তৃণমূল পরিচালিত টাকি পৌরসভার চেয়ারম্যান, ১২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মনোরঞ্জন পাত্র ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর গোবিন্দ সরকারের কাছে একাধিকবার আবেদন করা হলেও কোনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। আশ্বাস ছাড়া বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি বলেই অভিযোগ তাদের।
বিক্ষোভকারীরা আরও গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেন, রাস্তা সংস্কারের নামে বিগত কয়েক বছর ধরে তৃণমূল সরকারের আমলে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা হলেও সেই টাকা কাজে লাগানো হয়নি। তাদের দাবি, ওই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। এই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তোলেন তারা। স্থানীয় এক মহিলা জানান, সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় গর্ভবতী মহিলাদের। প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় ভাঙাচোরা রাস্তায় অ্যাম্বুল্যান্স বা গাড়ি চলাচল করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। তার অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে একই পরিস্থিতি চললেও প্রশাসনের কোনও হেলদোল নেই। রাস্তা অবরোধের জেরে কিছু সময়ের জন্য ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অবিলম্বে রাস্তার সংস্কারের কাজ শুরু না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তারা।
খেলা কলকাতা ফুটবল লিগ

*মহামেডান স্পোর্টিং-এর দুরন্ত শুরু, ৩-১ গোলে জয় এরিয়ানের বিরুদ্ধে*

*নিজস্ব প্রতিনিধি:* কলকাতা ফুটবল লিগ ২০২৬-এ জয়ের ধারা বজায় রাখল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। বৃহস্পতিবার মহামেডান স্পোর্টিং ময়দানে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এরিয়ান ক্লাবকে ৩-১ গোলে হারাল তারা। এই জয়ের ফলে টানা দু’ম্যাচে জয় পেয়ে লিগে অপরাজিত থাকল সাদা-কালো শিবির।

শুরুতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় মহামেডান। ম্যাচের শুরুতেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ইসরাফিল। তাঁর নিখুঁত ফিনিশিং-এ উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ায় মহামেডান। অর্পিত ছেত্রীর আক্রমণাত্মক দৌড় থেকে আসা জোরালো শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। ফলে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ঘরের দল।

তবে বিরতির কিছুক্ষণ আগেই গোল শোধ করে এরিয়ান। ব্যবধান কমিয়ে ২-১ করে তারা।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও সংঘবদ্ধ ফুটবল উপহার দেয় মহামেডান। ম্যাচের মাঝামাঝি সময়ে ক্রস থেকে দুরন্ত হেডে নিজের এবং দলের তৃতীয় গোলটি করেন ইসরাফিল দেওয়ান। এই গোলেই ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মহামেডান।

শেষ পর্যন্ত রক্ষণে কোনও ভুল না করে ৩ পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।

এই জয়ের ফলে লিগের শুরুতেই শক্তিশালী বার্তা দিল সাদা-কালো ব্রিগেড। *ছবি:সঞ্জয় হাজরা।*
স্বচ্ছতার অভাবে জাদুঘরের রক্ষক পদে নিয়োগ বাতিল, উচ্চ আদালতের নির্দেশে নতুন প্রক্রিয়া

*কলকাতা:* রাজ্য প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘরের 'কিপার' পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ লোকসেবা কমিশন(পিএসসি )১৯৮২ সালের কার্যপ্রণালী বিধি এবং ২০২২ সালের ১২ নম্বর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত যথাযথভাবে পালন করেনি।বিচারপতি কৃষ্ণ রাও-এর একক বেঞ্চ বুধবার এই রায় দেন। ড. বনানি ভট্টাচার্য সহ আরও এক অকৃতকার্য প্রার্থী জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন।

মামলাকারীর আইনজীবী আদালতে জানান ,গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব ছিল। কমিশন সাক্ষাৎকারে প্রাপ্ত নম্বর প্রকাশ করেনি। মূল্যায়নের কী মানদণ্ড ছিল এবং কীসের ভিত্তিতে চূড়ান্ত প্রার্থীকে বেছে নেওয়া হল তাও জানানো হয়নি। তাঁদের আরও অভিযোগ, তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কাজের অভিজ্ঞতা নির্বাচিত প্রার্থীর তুলনায় বেশি থাকা সত্ত্বেও তাঁদের অগ্রাহ্য করা হয়েছে।

লোকসেবা কমিশনের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, সমস্ত নিয়ম মেনেই নিয়োগ করা হয়েছে। তিন সদস্যের সাক্ষাৎকার পর্ষদ যোগ্যতা বিচার করে নির্বাচিত প্রার্থীকে সবচেয়ে উপযুক্ত বলে সুপারিশ করেছে।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত কমিশনের যুক্তি মানতে নারাজ হয়। বিচারপতি জানান, নিজেদের বিধি না মানায় গোটা প্রক্রিয়াই আইনবিরুদ্ধ। তাই শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়াই নয়, ইতিমধ্যে যে প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল তাঁর নিয়োগও বাতিল করা হল।

একইসঙ্গে আদালত কমিশনকে আইন ও বিধি মেনে নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্বচ্ছ পদ্ধতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে।
বিরোধী দলনেতা মামলায় সোমনাথ প্রসঙ্গ, রায়দান স্থগিত রাখল হাইকোর্ট *

কলকাতা:* পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ রায়দান স্থগিত রাখে।

শুনানির সময় লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ তোলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "নিরপেক্ষতা কাকে বলে তা সোমনাথবাবুর কাছ থেকে শেখা উচিত।" তিনি অধ্যক্ষের সিদ্ধান্ত খারিজের দাবি জানান।

বিধানসভার অধ্যক্ষের আইনজীবী জানান, ৫৮ জন বিধায়ক স্বাক্ষর করে বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব করেছিলেন। সেই প্রস্তাব মানা ছাড়া অধ্যক্ষের উপায় ছিল না।

ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, "এক পক্ষ ক্ষমতায়, আরেক পক্ষ বাইরে। কিন্তু দুই পক্ষই একই দলের।" আদালত জানায়, বিষয়টি বিধানসভার বিতর্কের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়, তাই হস্তক্ষেপের সুযোগ আছে।

প্রসঙ্গত, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
বারাসাত রথযাত্রা উদযাপন কমিটির রথযাত্রায় উপস্থিত বিধায়ক
নিজস্ব প্রতিনিধি: অতীতের ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে বৃহস্পতিবার সাড়ম্বরে পালিত হল বারাসাত রথযাত্রা উদযাপন কমিটির রথযাত্রা। ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করা এই বর্ণাঢ্য রথযাত্রাকে ঘিরে বারাসাত শহরে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। নবীন থেকে প্রবীণ—সমাজের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে রথযাত্রা হয়ে ওঠে এক মিলনমেলা। বারাসাত নবপল্লী শিবমন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে রথযাত্রার সূচনা হয়। এরপর নবপল্লী কাঁঠালতলা হয়ে অশোক কলোনি গিয়ে শেষ হয় শোভাযাত্রা। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বারাসাতের বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট চিকিৎসক, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
এবারের রথযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল বারাসাত ছান্দিকের পরিচালনায় চলমান বর্ণাঢ্য নৃত্যানুষ্ঠান, যা শোভাযাত্রাকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। বিশেষ পূজার মাধ্যমে জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রাকে রথে অধিষ্ঠিত করার পর ঢাক, ডঙ্কা ও বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের তালে শুরু হয় রথযাত্রা। শোভাযাত্রায় অংশ নেন মতুয়া সম্প্রদায়ের ভক্তরাও।
রথযাত্রায় অংশগ্রহণকারী সকলের মধ্যে জগন্নাথদেবের প্রসাদ হিসেবে খাজা ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। রথযাত্রার উদ্বোধনের পর বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায় বলেন, "সমাজের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এই রথযাত্রার সবচেয়ে বড় সাফল্য"।

ছবি:কমল গুহ।
বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব কমিটির খুঁটি পুজো
নিজস্ব প্রতিনিধি: শুভ রথযাত্রায় কলকাতার বেলগাছিয়ার টালা পার্কে ৭৯ তম বর্ষের খুঁটি পূজো সম্পন্ন হল বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব কমিটির। এদিন সকাল থেকেই পূজো মণ্ডপের ময়দানে খুঁটি পূজো উপলক্ষ্যে পূজো কমিটির সদস্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পূজো কমিটির সভাপতি অরিন্দম সাহা জানালেন, “ আমাদের এই পূজো বিগত বেশ কিছু বছর ধরে নানান রাজনৈতিক কারণ এবং পাশের  থিম পূজোর চাকচিক্যের অন্তরালে তার পুরানো গরিমা হারিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু এই বছর বেলগাছিয়া পল্লীবাসীদের সহযোগীতায় এবং নতুন পূজো কমিটির উদ্যোগে থিম পূজোর পরিবর্তে মায়ের সনাতনী রূপে সেই হারানো ঐতিহ্যকে সম্পূর্ণ রূপে ফিরিয়ে আনা হবে।” কার্য নির্বাহী কমিটির ওপর সদস্য অনির্বাণ ভট্টাচ্যার্জী জানালেন, “ এই পূজোর সাথে আমার ছোটবেলার নানান স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বেশ কিছু বছর ধরে থিম পূজোর প্রতিযোগীতার দৌড়ে এই পূজো যেন কিছুটা তার জৌলুস হারিয়ে ফেলেছিল। এই বছর আমরা পূজো কমিটির সবাই মিলে আমাদের পাড়ার মানুষদের কাছে উমা মায়ের সেই সাবেকী রূপকে ফিরিয়ে আনতে চলেছি। যেখানে মাতৃ আরাধনার মধ্যে দিয়ে উৎসবের এই দিনগুলিতে আমরা সবাই মেতে উঠবো একসাথে। যেখানে উমা মা স্বপরিবারে সাবেকী রূপে আগমন করবেন। এলাকার স্থানীয় মহিলারা ভোগ বিতরণ সহ পূজোয় নানান ভাবে যুক্ত থাকার পাশাপাশি অংশগ্রহণ করবেন দশমীর সিঁদুর খেলায়। দ্বাদশীতে এলাকার মানুষদের জন্যে থাকবে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সব মিলিয়ে আমাদের পুরানো পূজো আবার আমাদের কাছে ফিরে আসবে উৎসবের আনন্দে ঘিরে।”
নতুন সরকারের পরেও জেলা আদালতে সরকারি আইনজীবী প্যানেল নেই, মামলা জটে ভুগছেন বিচারপ্রার্থীরা

কলকাতা:রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার প্রায় দু'মাস ঘুরলেও এখনও রাজ্যের জেলা আদালতগুলিতে সরকারি আইনজীবীদের প্যানেল গঠন করা সম্ভব হয়নি। এর জেরে সরকার পক্ষের মামলাগুলি পরিচালনা করতে গিয়ে চরম সমস্যার মুখে পড়ছেন নিম্ন আদালতের বিচারক থেকে শুরু করে সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা।

এই অভিযোগ তুলেই বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মামলাকারী আইনজীবী মনোজ কৃষ্ণ রায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চের সামনে বিষয়টি উল্লেখ করেন।

মামলার আবেদনে বলা হয়, সরকার বদলের পর স্বাভাবিকভাবেই পুরনো প্যানেল বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু নতুন প্যানেল তৈরি না হওয়ায় জেলায় জেলায় সরকারি মামলাগুলি অচলাবস্থার মধ্যে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে জরুরি শুনানি পিছিয়ে যাচ্ছে। এতে বিচার ব্যবস্থার উপর সরাসরি প্রভাব পড়ছে।

উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত রাজ্যের লিগ্যাল রিমেমব্রান্সার বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে আগামী ২০ জুলাই, ২০২৬ তারিখের মধ্যে রাজ্য জুড়ে জেলা আদালতগুলির জন্য সরকারি আইনজীবী প্যানেলের সম্পূর্ণ তালিকা প্রস্তুত করে তা আদালতে জমা দিতে হবে।

আইনজ্ঞদের মতে, সরকারি আইনজীবী না থাকলে ফৌজদারি মামলা থেকে শুরু করে সরকার বিরোধী দেওয়ানি মামলাও ঠিকমতো লড়া যায় না। ফলে বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয় এবং সরকারকেও আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

আদালতের এই নির্দেশের পর এখন রাজ্য সরকার কত দ্রুত নতুন প্যানেল তৈরি করে, সেদিকেই নজর আইনি দফতর।
১৬ বছর আইনি লড়াইয়ের পর আদলতের নিদের্শে স্বস্তি প্রাক্তন পুলিশকর্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরের বাসিন্দা প্রণব দত্ত ১৯৭৮সালে রাজ্য পুলিশের যোগদান করেন।২০০০ সালে হাবড়া থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ওই বছরেই  অগাস্ট মাসে থানার লকাপ থেকে নিখোঁজ হয়ে যান এক ব্যাক্তি। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ই অগাস্ট নিখোঁজ ব্যাক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে হাবরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।

পুলিশি হেফাজত থেকে আসামি নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন হাবরা থানার অফিসার ইনচার্জ এবং থানার অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ।

একদিকে বিভাগীয় তদন্ত চলছে, অন্যদিকে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ব্যক্তির পরিবারের করা এফআইআরের ভিত্তিতে শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। এবং নির্দিষ্ট দিনেই চার্জসিট দাখিল করে পুলিশ। নিম্ন আদালতে মামলা চলতে চলতেই অফিসার ইনচার্জ প্রণব দত্ত চাকরি থেকে অবসর নেয়। অবসর নেওয়ার পর তার অবসরকালীন সমস্ত বকেয়া তাকে মিটিয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময় সরকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ। এরপর তিনি স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানান। যেহেতু প্রাক্তন পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা চলছে তাই তার অবসরকালীন ভাতা পাওয়ার কোন অধিকার নেই বলেই জানিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল।

স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ২০১৩ সালের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তা। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানি চলাকালীন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা প্রণব দত্তের পক্ষে আইনজীবী আশীষ কুমার চৌধুরী ও  আদালতে জানান, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ও গ্রাচুইটি সরকারের কোন অনুদান নয়, বা সরকারের দানের বিষয় নয়। সরকারি কর্মচারীদের এটা তাদের কর্মজীবনের অর্জিত সম্পত্তি। সেটা অনন্তকাল ধরে আটকে রাখা যায় না। মামলাকারি দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতায় দিন কাটাচ্ছেন। বর্তমানে তার ডায়ালিসিস চলছে। সেক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলার অজুহাত দেখিয়ে তার প্রাপ্য অর্থ আটকে রাখা সম্পূর্ণ বেআইনি।
বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ যে রুলের ভিত্তিতে সরকারি কর্মচারীর টাকা আটকে রাখা হয়েছে তা অসংবিধানিক। তাই সরকারকে নির্দেশ দিচ্ছি আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে গ্র্যাচুইটির সুদ সমেত টাকা মিটিয়ে দিতে হবে মামলাকারীকে।