/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz বিরোধী দলনেতা মামলায় সোমনাথ প্রসঙ্গ, রায়দান স্থগিত রাখল হাইকোর্ট * West Bengal Bangla
বিরোধী দলনেতা মামলায় সোমনাথ প্রসঙ্গ, রায়দান স্থগিত রাখল হাইকোর্ট *

কলকাতা:* পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ রায়দান স্থগিত রাখে।

শুনানির সময় লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ তোলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "নিরপেক্ষতা কাকে বলে তা সোমনাথবাবুর কাছ থেকে শেখা উচিত।" তিনি অধ্যক্ষের সিদ্ধান্ত খারিজের দাবি জানান।

বিধানসভার অধ্যক্ষের আইনজীবী জানান, ৫৮ জন বিধায়ক স্বাক্ষর করে বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব করেছিলেন। সেই প্রস্তাব মানা ছাড়া অধ্যক্ষের উপায় ছিল না।

ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, "এক পক্ষ ক্ষমতায়, আরেক পক্ষ বাইরে। কিন্তু দুই পক্ষই একই দলের।" আদালত জানায়, বিষয়টি বিধানসভার বিতর্কের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়, তাই হস্তক্ষেপের সুযোগ আছে।

প্রসঙ্গত, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
বারাসাত রথযাত্রা উদযাপন কমিটির রথযাত্রায় উপস্থিত বিধায়ক
নিজস্ব প্রতিনিধি: অতীতের ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে বৃহস্পতিবার সাড়ম্বরে পালিত হল বারাসাত রথযাত্রা উদযাপন কমিটির রথযাত্রা। ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করা এই বর্ণাঢ্য রথযাত্রাকে ঘিরে বারাসাত শহরে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। নবীন থেকে প্রবীণ—সমাজের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে রথযাত্রা হয়ে ওঠে এক মিলনমেলা। বারাসাত নবপল্লী শিবমন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে রথযাত্রার সূচনা হয়। এরপর নবপল্লী কাঁঠালতলা হয়ে অশোক কলোনি গিয়ে শেষ হয় শোভাযাত্রা। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বারাসাতের বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট চিকিৎসক, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
এবারের রথযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল বারাসাত ছান্দিকের পরিচালনায় চলমান বর্ণাঢ্য নৃত্যানুষ্ঠান, যা শোভাযাত্রাকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। বিশেষ পূজার মাধ্যমে জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রাকে রথে অধিষ্ঠিত করার পর ঢাক, ডঙ্কা ও বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের তালে শুরু হয় রথযাত্রা। শোভাযাত্রায় অংশ নেন মতুয়া সম্প্রদায়ের ভক্তরাও।
রথযাত্রায় অংশগ্রহণকারী সকলের মধ্যে জগন্নাথদেবের প্রসাদ হিসেবে খাজা ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। রথযাত্রার উদ্বোধনের পর বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায় বলেন, "সমাজের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই এই রথযাত্রার সবচেয়ে বড় সাফল্য"।

ছবি:কমল গুহ।
বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব কমিটির খুঁটি পুজো
নিজস্ব প্রতিনিধি: শুভ রথযাত্রায় কলকাতার বেলগাছিয়ার টালা পার্কে ৭৯ তম বর্ষের খুঁটি পূজো সম্পন্ন হল বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব কমিটির। এদিন সকাল থেকেই পূজো মণ্ডপের ময়দানে খুঁটি পূজো উপলক্ষ্যে পূজো কমিটির সদস্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পূজো কমিটির সভাপতি অরিন্দম সাহা জানালেন, “ আমাদের এই পূজো বিগত বেশ কিছু বছর ধরে নানান রাজনৈতিক কারণ এবং পাশের  থিম পূজোর চাকচিক্যের অন্তরালে তার পুরানো গরিমা হারিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু এই বছর বেলগাছিয়া পল্লীবাসীদের সহযোগীতায় এবং নতুন পূজো কমিটির উদ্যোগে থিম পূজোর পরিবর্তে মায়ের সনাতনী রূপে সেই হারানো ঐতিহ্যকে সম্পূর্ণ রূপে ফিরিয়ে আনা হবে।” কার্য নির্বাহী কমিটির ওপর সদস্য অনির্বাণ ভট্টাচ্যার্জী জানালেন, “ এই পূজোর সাথে আমার ছোটবেলার নানান স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বেশ কিছু বছর ধরে থিম পূজোর প্রতিযোগীতার দৌড়ে এই পূজো যেন কিছুটা তার জৌলুস হারিয়ে ফেলেছিল। এই বছর আমরা পূজো কমিটির সবাই মিলে আমাদের পাড়ার মানুষদের কাছে উমা মায়ের সেই সাবেকী রূপকে ফিরিয়ে আনতে চলেছি। যেখানে মাতৃ আরাধনার মধ্যে দিয়ে উৎসবের এই দিনগুলিতে আমরা সবাই মেতে উঠবো একসাথে। যেখানে উমা মা স্বপরিবারে সাবেকী রূপে আগমন করবেন। এলাকার স্থানীয় মহিলারা ভোগ বিতরণ সহ পূজোয় নানান ভাবে যুক্ত থাকার পাশাপাশি অংশগ্রহণ করবেন দশমীর সিঁদুর খেলায়। দ্বাদশীতে এলাকার মানুষদের জন্যে থাকবে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সব মিলিয়ে আমাদের পুরানো পূজো আবার আমাদের কাছে ফিরে আসবে উৎসবের আনন্দে ঘিরে।”
নতুন সরকারের পরেও জেলা আদালতে সরকারি আইনজীবী প্যানেল নেই, মামলা জটে ভুগছেন বিচারপ্রার্থীরা

কলকাতা:রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার প্রায় দু'মাস ঘুরলেও এখনও রাজ্যের জেলা আদালতগুলিতে সরকারি আইনজীবীদের প্যানেল গঠন করা সম্ভব হয়নি। এর জেরে সরকার পক্ষের মামলাগুলি পরিচালনা করতে গিয়ে চরম সমস্যার মুখে পড়ছেন নিম্ন আদালতের বিচারক থেকে শুরু করে সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা।

এই অভিযোগ তুলেই বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মামলাকারী আইনজীবী মনোজ কৃষ্ণ রায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চের সামনে বিষয়টি উল্লেখ করেন।

মামলার আবেদনে বলা হয়, সরকার বদলের পর স্বাভাবিকভাবেই পুরনো প্যানেল বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু নতুন প্যানেল তৈরি না হওয়ায় জেলায় জেলায় সরকারি মামলাগুলি অচলাবস্থার মধ্যে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে জরুরি শুনানি পিছিয়ে যাচ্ছে। এতে বিচার ব্যবস্থার উপর সরাসরি প্রভাব পড়ছে।

উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত রাজ্যের লিগ্যাল রিমেমব্রান্সার বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে আগামী ২০ জুলাই, ২০২৬ তারিখের মধ্যে রাজ্য জুড়ে জেলা আদালতগুলির জন্য সরকারি আইনজীবী প্যানেলের সম্পূর্ণ তালিকা প্রস্তুত করে তা আদালতে জমা দিতে হবে।

আইনজ্ঞদের মতে, সরকারি আইনজীবী না থাকলে ফৌজদারি মামলা থেকে শুরু করে সরকার বিরোধী দেওয়ানি মামলাও ঠিকমতো লড়া যায় না। ফলে বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয় এবং সরকারকেও আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

আদালতের এই নির্দেশের পর এখন রাজ্য সরকার কত দ্রুত নতুন প্যানেল তৈরি করে, সেদিকেই নজর আইনি দফতর।
১৬ বছর আইনি লড়াইয়ের পর আদলতের নিদের্শে স্বস্তি প্রাক্তন পুলিশকর্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরের বাসিন্দা প্রণব দত্ত ১৯৭৮সালে রাজ্য পুলিশের যোগদান করেন।২০০০ সালে হাবড়া থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ওই বছরেই  অগাস্ট মাসে থানার লকাপ থেকে নিখোঁজ হয়ে যান এক ব্যাক্তি। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৩ই অগাস্ট নিখোঁজ ব্যাক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে হাবরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।

পুলিশি হেফাজত থেকে আসামি নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন হাবরা থানার অফিসার ইনচার্জ এবং থানার অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ।

একদিকে বিভাগীয় তদন্ত চলছে, অন্যদিকে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ব্যক্তির পরিবারের করা এফআইআরের ভিত্তিতে শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। এবং নির্দিষ্ট দিনেই চার্জসিট দাখিল করে পুলিশ। নিম্ন আদালতে মামলা চলতে চলতেই অফিসার ইনচার্জ প্রণব দত্ত চাকরি থেকে অবসর নেয়। অবসর নেওয়ার পর তার অবসরকালীন সমস্ত বকেয়া তাকে মিটিয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময় সরকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ। এরপর তিনি স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানান। যেহেতু প্রাক্তন পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা চলছে তাই তার অবসরকালীন ভাতা পাওয়ার কোন অধিকার নেই বলেই জানিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল।

স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ২০১৩ সালের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তা। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানি চলাকালীন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা প্রণব দত্তের পক্ষে আইনজীবী আশীষ কুমার চৌধুরী ও  আদালতে জানান, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ও গ্রাচুইটি সরকারের কোন অনুদান নয়, বা সরকারের দানের বিষয় নয়। সরকারি কর্মচারীদের এটা তাদের কর্মজীবনের অর্জিত সম্পত্তি। সেটা অনন্তকাল ধরে আটকে রাখা যায় না। মামলাকারি দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতায় দিন কাটাচ্ছেন। বর্তমানে তার ডায়ালিসিস চলছে। সেক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলার অজুহাত দেখিয়ে তার প্রাপ্য অর্থ আটকে রাখা সম্পূর্ণ বেআইনি।
বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ যে রুলের ভিত্তিতে সরকারি কর্মচারীর টাকা আটকে রাখা হয়েছে তা অসংবিধানিক। তাই সরকারকে নির্দেশ দিচ্ছি আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে গ্র্যাচুইটির সুদ সমেত টাকা মিটিয়ে দিতে হবে মামলাকারীকে।
তিন দিনে কাঠে প্রাণ, জগন্নাথ-সুভদ্রা-বলরাম গড়ে উড কার্ভিং শিল্প বাঁচানোর লড়াই পিতা-পুত্রের

সৌমাভ মণ্ডল,বসিরহাট : শহর বসিরহাটের সাঁইপালা এলাকার বাসিন্দা কলা সরস্বতী শিল্পী তরুণ চন্দ্র এবং তার বাবা, প্রখ্যাত উড কার্ভিং শিল্পী সুবোল চন্দ্র, শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় দিন-রাত এক করে তৈরি করছেন কাঠের জগন্নাথ, বলভদ্র (বলরাম) ও সুভদ্রার বিগ্রহ। রথযাত্রা উপলক্ষে রথ কমিটির কাছ থেকে শেষ মুহূর্তের বায়না আসে। সময় ছিল হাতে মাত্র চার দিন। যে কাজ সম্পূর্ণ করতে সাধারণত অন্তত এক মাস সময় লাগে, সেই কাজই টানা তিন দিন-তিন রাত পরিশ্রম করে শেষ করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন এই পিতা-পুত্র জুটি।
উড কার্ভিং বা কাঠ খোদাই এমন এক প্রাচীন শিল্প, যেখানে ছেনি, বাটালি, হাতুড়ি, ছুরি কিংবা আধুনিক বৈদ্যুতিক যন্ত্রের সাহায্যে কাঠে নকশা, মূর্তি ও নানা ধরনের শৈল্পিক সৃষ্টি করা হয়। এই শিল্পের মাধ্যমে তৈরি হয় দেবদেবীর বিগ্রহ, অলংকৃত দরজা-জানালা, আসবাবপত্র, নামফলক, শোপিস থেকে শুরু করে নানান উপহারসামগ্রী। সাধারণত সেগুন, শাল, গামারি, মহগনি, আম কিংবা নিম কাঠ ব্যবহার করা হলেও, তরুণ চন্দ্র ও সুবোল চন্দ্র জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার বিগ্রহ তৈরিতে ব্যবহার করছেন নিম কাঠ। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জগন্নাথ দেবের বিগ্রহ নির্মাণে নিম কাঠের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তরুণ চন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্পচর্চার সঙ্গে যুক্ত। তার শিল্পকর্মের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন। কাজ করতে করতেই তিনি বলেন, "একটা জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার সেট তৈরি করতে সাধারণত প্রায় এক মাস সময় লাগে। কিন্তু রথ কমিটির অনুরোধে এবার হাতে মাত্র চার দিন সময় পেয়েছি। তাই বাবা-ছেলে মিলে দিন-রাত এক করে কাজ করছি। আমাদের কাছে এটা শুধু কাজ নয়, ভক্তি ও শিল্প দুটোই।"
অন্যদিকে, সুবোল চন্দ্রের হাত ধরে কয়েক দশক ধরে রাজ‍্যে বেঁচে রয়েছে এই প্রাচীন শিল্প। তার কথায়, "আগে এই কাজের খুব কদর ছিল। এখন অনেক শিল্পীই পর্যাপ্ত পারিশ্রমিক না পেয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। আমরা এখনও এই শিল্প ছাড়িনি। যতদিন হাত চলবে, ততদিন কাঠে প্রাণ দেওয়ার কাজ করে যাব। নতুন প্রজন্ম যদি এগিয়ে আসে, তাহলে উড কার্ভিং আবার আগের সম্মান ফিরে পাবে।" এবার বসিরহাটের কাছে মেরুদণ্ডী এলাকার প্রায় ৮০ বছরের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা কমিটি শেষ মুহূর্তে তাদের কাছে বিগ্রহ তৈরির বায়না দেয়। সময়ের স্বল্পতা সত্ত্বেও কাজ ফিরিয়ে না দিয়ে শিল্পের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন তারা। দিনের আলো থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ছেনি-বাটালির শব্দে মুখর তাদের কর্মশালা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিগ্রহ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন পিতা-পুত্র। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, কাশ্মীর, রাজস্থান ও কর্ণাটক সহ বিভিন্ন রাজ্যে উড কার্ভিং শিল্পের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে পর্যাপ্ত মজুরির অভাব, বাজার সংকুচিত হওয়া এবং নতুন প্রজন্মের অনাগ্রহের কারণে ধীরে ধীরে এই শিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন অনেক কারিগর। ফলে বিলুপ্তির মুখে পড়েছে শতাব্দীপ্রাচীন এই শিল্প।
তবে এই প্রতিকূলতার মধ্যেও হাল ছাড়তে নারাজ তরুণ চন্দ্র ও সুবোল চন্দ্র। তাদের বিশ্বাস, শিল্পীর যথাযথ সম্মান ও প্রাপ্য মূল্য মিললে উড কার্ভিং শিল্প আবারও নতুন করে মাথা তুলে দাঁড়াবে। তাই রথযাত্রার বিগ্রহ নির্মাণের পাশাপাশি নিজেদের শিল্পসাধনার মাধ্যমে এই ঐতিহ্যকে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বসিরহাটের এই পিতা-পুত্র জুটি।
২১ জুলায়ের সভা নিয়ে হাইকোর্টে কালীঘাট তৃণমূল
নিজস্ব প্রতিনিধি:ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস চত্বরে যে কোন জমায়েতের উপর কেন ৬০ দিন ধরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলে এ বার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল কালীঘাট তৃণমূল। কলকাতা পুলিশের সাম্প্রতিক নির্দেশিকাকে চ্যালেঞ্জ করেছে তারা। এ নিয়ে সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি মামলা দায়েরের অনুমতি দেন। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতা পুলিশ সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২ জুলাই থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত মধ্য কলকাতার একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা (চার বা তার বেশি জনের জমায়েত নিষিদ্ধ) জারি করা হয়। ঘটনাচক্রে তাতে ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস চত্বরও রয়েছে। যে সময়কালের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে, তার মধ্যে পড়ছে ২১ জুলাইও। তাই এবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে তারা।
খেলা মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণ, প্রকাশ স্পনসর লোগো

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা:  রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটি এবং ক্লাবের ভবিষ্যৎ রূপরেখা ঘোষণা করা হল।সাংবাদিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন নবনিযুক্ত  সভাপতি হুমায়ুন কবীর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাম্মানিক সাধারণ সম্পাদক এস.কে. ওয়াসিম আক্রম-সহ অন্যান্য নবনিযুক্ত পদাধিকারীরা।  কমিটি জানিয়েছে, স্বচ্ছতা ও উচ্চ-কার্যক্ষমতার কাঠামোর মাধ্যমে ক্লাবকে আবার শীর্ষে ফেরানোই তাদের মূল লক্ষ্য। 

এদিন একইসঙ্গে ক্লাব ২০২৬-২৭ মরসুমের বহু প্রতীক্ষিত জার্সিও প্রকাশ করেছে। এই মরসুমের জন্য বিশ্বখ্যাত স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড *Lotto*-কে অফিসিয়াল কিট স্পনসর হিসেবে ঘোষণা করেছে মহামেডান।

ছবি:সঞ্জয় হাজরা।
।। গুলি-কাণ্ডের অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রাস্তায় বিক্ষোভ, তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ বসিরহাট-পিফা রোড ।।
বসিরহাট : দুষ্কৃতীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে সোমবার ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল বসিরহাট। বসিরহাট রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গত ৬ মে বিজেপি কর্মী রোহিত রায় ওরফে চিন্টুকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে খুনের চেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত দুই কুখ্যাত দুষ্কৃতী মেঘনাথ দাস ওরফে ভোলা এবং বুদ্ধদেব মণ্ডল ওরফে বুধো এখনও অধরা থাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। অভিযুক্তরা তৃণমূল আশ্রিত বলে অভিযোগ তুলে তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে বসিরহাট-পিফা রোড অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হন স্থানীয়রা। বিক্ষোভকারীরা রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে তাদের ক্ষোভ উগরে দেন। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা এই অবরোধে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েন নিত্যযাত্রী ও সাধারণ মানুষ। দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় গোটা এলাকায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত মে মাসে গুলি চালানোর ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দুই দুষ্কৃতী পলাতক। একাধিকবার পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত তাদের গ্রেপ্তার করা যায়নি। এর আগেও একাধিকবার প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত হলেও পুলিশের তরফে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলেই দাবি বিক্ষোভকারীদের। সেই কারণেই এদিন ফের রাস্তায় নেমে আন্দোলনের পথে হাঁটেন তারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বসিরহাট থানার পুলিশ। প্রথমে পুলিশ আধিকারিকরা অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে অবরোধ তুলে নেওয়ার আবেদন জানালেও তাতে সাড়া দেননি বিক্ষোভকারীরা। তাদের স্পষ্ট দাবি ছিল, বসিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (আইসি) ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের বিষয়ে লিখিত আশ্বাস না দেওয়া পর্যন্ত অবরোধ তোলা হবে না। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বসিরহাট থানার আইসি। তিনি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। আইসির আশ্বাসের পর অবশেষে প্রায় তিন ঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করেন আন্দোলনকারীরা। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় যান চলাচল।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা। এদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বসিরহাট দক্ষিণের বিজেপি নেতা ডাঃ শৌর্য্য ব্যানার্জি বলেন, "তৃণমূল আমল থেকেই এই ভোলা ও বুধোর অত্যাচার সহ্য করছে ওই এলাকার মানুষ। পুলিশের একাংশের মদতেই তারা অপরাধ করেও সমাজে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ ভুলে গিয়েছে এখন তৃণমূল সরকার নেই এখন ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার চলছে। এই সমস্ত অপরাধীর অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া উচিত।"
मामलों की तेज सुनवाई के लिए ट्रैकिंग सिस्टम चाहता है हाईकोर्ट
*कोलकाता:* ज्यादातर फौजदारी मामलों में एक ही दिक्कत आती है। एक बार चार्जशीट जमा होने के बाद मामले की फाइल कहीं गुम हो जाती है। इसकी वजह से सुनवाई में देरी होती है। जिस थाने का मामला है, अगर जांच अधिकारी वहां से ट्रांसफर हो जाए तो ट्रायल कराने की पहल और भी ठंडे बस्ते में चली जाती है। 

इसी स्थिति और सालों से लंबित मामलों की भारी संख्या को देखते हुए कलकत्ता हाईकोर्ट ने कोलकाता और राज्य पुलिस को इस मामले में आपसी समन्वय बढ़ाने का निर्देश दिया है।

हाल ही में जस्टिस तीर्थंकर घोष की अदालत ने टिप्पणी की कि किसी भी फौजदारी मामले में चार्जशीट पेश होने के बाद अलग-अलग स्तर पर मामले की क्या प्रगति हो रही है, इस पर थाने या जांच एजेंसी को नियमित नजर रखनी चाहिए। इसके लिए थाने या जांच एजेंसी के साथ समन्वय बनाकर कोलकाता या राज्य पुलिस मुख्यालय में एक स्थायी व्यवस्था या नए नियम बनाए जाने चाहिए, ऐसा अदालत ने कहा है। अदालत सूत्रों के अनुसार जस्टिस घोष ने 5 मामलों के आधार पर यह रुख अपनाया है।

दीर्घकालिक समाधान के तौर पर अदालत ने राज्य को निर्देश दिया है कि मौजूदा व्यवस्था के तहत ही यह तय किया जाए कि किसी फौजदारी मामले के जांच अधिकारी को मामले की स्थिति से अपडेट कैसे रखा जाए। यह निर्देश कोलकाता पुलिस, राज्य पुलिस और CID सभी पर लागू होगा। वकीलों और पुलिस अधिकारियों का कहना है कि इसके लिए केस ट्रैकिंग सिस्टम जरूरी है।

हालांकि प्रशासन सूत्रों के मुताबिक 2015 में ही राज्य में ऐसा एक ऐप तैयार हो चुका है। CID के तत्कालीन IG संजय सिंह की पहल पर बना ‘क्राइम क्रिमिनल सर्च’ नाम का यह ऐप अब तक करीब 12 लाख केस और उनकी पूरी जानकारी रखता है। लेकिन राज्य पुलिस ने अब तक इसे सरकारी मान्यता नहीं दी है।

चार्जशीट जमा होने के बाद मामले की क्या स्थिति है, चार्जशीट के बाद मामला कितना आगे बढ़ा, इस बारे में जानकारी लेने में कई जगह बड़ी खामी सामने आई है, यह हाईकोर्ट ने जाना। जबकि 2015 में CID द्वारा बनाए गए इस ऐप में किसी भी मामले की पूरी जानकारी से लेकर चार्जशीट जमा होने तक का पूरा ब्योरा मौजूद है। चार्जशीट जमा होने के बाद ट्रायल के लिए कैलेंडर भी बना दिया जाता है। इस ऐप का इस्तेमाल करने पर सुनवाई की तय तारीख से 3 दिन पहले थाने के OC और जिले के SP या मामले के प्रभारी अधिकारी के पास अपने आप SMS चला जाता है।

राज्य पुलिस सूत्रों का कहना है कि अभी कुछ अन्य जिलों के साथ कृष्णनगर पुलिस जिले के थाने और अधिकारी इस ऐप का बेहतर इस्तेमाल कर रहे हैं। लेकिन वरिष्ठ अधिकारियों का अफसोस है कि 11 साल पहले बना यह ऐप शुरू हुआ था। इसके बाद राज्य पुलिस के 5-6 IPS अफसर DG बन चुके हैं, लेकिन किसी ने भी इसे सरकारी तौर पर इस्तेमाल करने का आदेश जारी नहीं किया। ऐसे में अभी ऐप का इस्तेमाल पुलिस के लिए वैकल्पिक है। कई पुलिस अधिकारियों की राय है कि अगर इस ऐप का इस्तेमाल अनिवार्य कर दिया जाता तो हाईकोर्ट में पुलिस की फजीहत नहीं होती।

अगली सुनवाई 4 अगस्त को होगी। उस दिन फौजदारी मामलों के लिए ट्रैकिंग सिस्टम या नियम बनाने की प्रगति रिपोर्ट कोलकाता पुलिस, राज्य पुलिस और CID को हाईकोर्ट में जमा करनी होगी। कुछ वकीलों का कहना है कि ट्रायल की सुस्ती और देरी को खत्म करने के लिए भारतीय नागरिक सुरक्षा संहिता यानी BNSS में चार्जशीट जमा होने के बाद बाकी प्रक्रिया पूरी करने के लिए समय सीमा तय की गई है।