/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz বাম আমলেই বিঘার পর বিঘা জমি দখল, এখনও ফেরতের আশায় দিন গুনছে মিনাখাঁর ঘোষ পরিবার West Bengal Bangla
বাম আমলেই বিঘার পর বিঘা জমি দখল, এখনও ফেরতের আশায় দিন গুনছে মিনাখাঁর ঘোষ পরিবার
সৌমাভ মণ্ডল,বসিরহাট : মিনাখাঁয় জমি দখল বিতর্কে নতুন মাত্রা। বহু বছর ধরে জমি হারানোর অভিযোগ ঘিরে ফের চর্চায় ঘোষ পরিবার। সম্প্রতি পরিবারের কয়েকজন সদস্য দাবি করেছেন, তাদের জমি সাম্প্রতিককালে জোরপূর্বক দখল করা হয়েছে। তবে একই পরিবারের সদস্য অমীয় কুমার ঘোষ এবং এলাকার বাসিন্দা মানিক প্রামানিকের বক্তব্যে উঠে এসেছে ভিন্ন ছবি। তাদের দাবি, জমি-সংক্রান্ত সমস্যার সূত্রপাত বর্তমান সময়ে নয়, বরং বামফ্রন্ট আমলেই।
অমীয় কুমার ঘোষ জানান, তাদের পূর্বপুরুষেরা ওড়িশা থেকে বসিরহাটের মিনাখাঁ ব্লকের আটপুকুর এলাকায় এসে বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটির নামে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি ছিল। কিন্তু বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ধাপে ধাপে সেই জমির বড় অংশ তাদের হাতছাড়া হয়ে যায় বলে অভিযোগ। তার বক্তব্য, কোথাও জমিকে খাস জমি ঘোষণা করা হয়, কোথাও আবার জোর করে বর্গাদার বসিয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে বিঘার পর বিঘা জমির ওপর থেকে ঘোষ পরিবারের নিয়ন্ত্রণ চলে যায়। অমীয় কুমার ঘোষের দাবি, জমি ফিরে পাওয়ার আশায় তাদের পরিবার বছরের পর বছর প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, জনপ্রতিনিধি, এমনকি আদালতের দ্বারেও কড়া নেড়েছেন তারা। কিন্তু এত দীর্ঘ সময় পেরিয়েও অধিকাংশ জমি আজও দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়নি। তার কথায়, “আমাদের জমির সমস্যা আজকের নয়। বহু বছর আগে, বাম আমল থেকেই এই সমস্যা শুরু হয়েছে। সেই সময় থেকেই আমাদের বহু জমি হাতছাড়া হয়েছে। এখনও সেই জমি পুরোপুরি ফিরে পাইনি।”
একই সুর শোনা যায় আটপুকুর এলাকার বাসিন্দা মানিক প্রামানিকের বক্তব্যেও। তার দাবি, এলাকায় জমি দখল ও বর্গাদার বসানোর ঘটনা নতুন নয়। বহু মানুষ জানেন, বামফ্রন্ট সরকারের সময়েই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। তার কথায়, “ঘোষ পরিবারের জমি আজকের দিনে দখল হয়েছে এমন কথা ঠিক নয়। এই জমি বহু বছর ধরেই অন্যের দখলে রয়েছে। গ্রামের মানুষ জানেন, বিষয়টির সূত্রপাত বাম আমলেই।” স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বর্তমানে যে অভিযোগকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। তাদের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত জটিলতাকে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুনভাবে তুলে ধরা হলেও, সমস্যার শিকড় ১৯৭৭ সালে থেকে আটকে রয়েছে। এলাকার প্রবীণদেরও দাবি, মিনাখাঁর বিভিন্ন অংশে বামফ্রন্ট শাসনকালে জমি খাস ঘোষণা, বর্গাদার নথিভুক্তকরণ এবং জমির মালিকানা নিয়ে একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই সময় বহু জমির মালিক প্রশাসনিক ও আইনি লড়াই করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মিনাখাঁ বিধানসভার বিধায়িকা ঊষারাণী মন্ডলের স্বামী তথা উত্তর ২৪ পরগণা জেলা পরিষদের পরিষদীয় দলনেতা মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল বলেন, "ঘোষ পরিবারের কিছু সদস্য বর্তমানে এই জমিকে ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি করছেন। কিন্তু এই জমি দখলের বিষয়ে আমি এবং এলাকার বিধায়িকা কোনভাবেই জড়িত নয়। শুধুমাত্র কালিমালিপ্ত করার জন্য এই ধরনের ঘটনার ঘটানো হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার রাজ্য জুড়ে আইনের শাসন চালাচ্ছে। মানুষ নিশ্চয়ই সঠিক বিচার পাবে।"
ঘোষ পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, তাদের জমি পুনরুদ্ধারের লড়াই এখনও শেষ হয়নি। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে চলা এই বিরোধে প্রশাসনিক, রাজনৈতিক এবং আইনি সব স্তরেই তারা চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু আজও সম্পূর্ণ সমাধান না হওয়ায় পরিবারের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা রয়ে গিয়েছে। সরকার পাল্টেছে, তাই ঘোষ পরিবারে সদস্যরা নতুন করে প্রহর গুনছেন তাদের জবরদখল করা জমি ফিরে পাওয়ার।
বিশ্বকাপ ফুটবল,২০২৬ রাউন্ড অফ ১৬: আর্জেন্টিনা-মিশর এবং সুইৎজারল্যান্ড-কলম্বিয়া ম্যাচে কৌশলের লড়াই

*স্পোর্টস ডেস্ক:* ফিফা বিশ্বকাপের রাউন্ড অফ ১৬ শেষ হচ্ছে দুটি হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হচ্ছে লড়াকু মিশরের, অন্যদিকে, সুইৎজারল্যান্ডের প্রতিপক্ষ টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল কলম্বিয়া। নকআউট পর্বের ফুটবল প্রায়শই সূক্ষ্ম কৌশলেই নির্ধারিত হয়। টিম ইন্ডিয়া ও এফসি গোয়ার ডিফেন্ডার বিশেষজ্ঞ সন্দেশ ঝিংগানের মতে, শৃঙ্খলা, রক্ষণের সংগঠন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণই এই দুই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।

কাবো ভার্দের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার রক্ষণের পারফরম্যান্স নিয়ে ঝিংগান বলেছেন, রাউন্ড অফ ৩২-এর ম্যাচে দুটি গোল খেলেও লিওনেল স্কালোনির দল দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াবে।

গত ১০-১৫টি ম্যাচে আর্জেন্টিনার রেকর্ড , তারা প্রায় গোলই খায়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাদের সবচেয়ে বড় শক্তির একটি হল রক্ষণের দৃঢ়তা। কাবো ভার্দে ম্যাচটাকে তারা রাস্তার ছোট একটা বাধা হিসেবেই দেখবে।

মিশরের কৌশল প্রসঙ্গে এই টিম ইন্ডিয়া ডিফেন্ডার মনে করেন, আফ্রিকান দলটি মহম্মদ সালাহ ও ওমর মারমুশকে দিয়ে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে ভরসা রাখবে। তবে আর্জেন্টিনার আগ্রাসী কাউন্টার-প্রেসিংও সমান গুরুত্বপূর্ণ হবে।"মিশর সম্ভবত ডিফেন্স করে বসে থেকে কাউন্টারে আর্জেন্টিনাকে আঘাত করতে চাইবে, কারণ এটাই তাদের শক্তি। কিন্তু আর্জেন্টিনার যে বিষয়টা আমি সবচেয়ে পছন্দ করি তা হল বল হারানোর পর তারা কত দ্রুত কাউন্টার-প্রেস করে। তারা দল বেঁধে চাপ দেয় এবং প্রতিপক্ষকে ট্রানজিশনের সুযোগই দেয় না। মেসির প্রভাব কমাতে চাইলে এক-বনাম-এক-এ তাকে আটকানোর চেষ্টা নয়, বরং রদ্রিগো ডি পল ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের মতো ফুটবলারদের কাছ থেকে তার কাছে বল যাওয়া বন্ধ করতে হবে। এটাই তার প্রভাব কমানোর একমাত্র বাস্তবসম্মত উপায়।"

সুইৎজারল্যান্ডের উচিত তাদের পজেশন-ভিত্তিক ফুটবলেই থাকা এবং কলম্বিয়ার আগ্রাসী প্রেসকে হুমকি নয়, বরং সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত বলে মনে করেন ঝিংগান।

ঝিংগান জানান,"আমার মনে হয় তাদের বিল্ড-আপের পরিকল্পনাতেই থাকা উচিত। কারণ দলগুলি বিল্ড-আপ করার অন্যতম কারণই হল প্রতিপক্ষকে চাপে আমন্ত্রণ জানানো। আপনি যখন হাই প্রেস করেন, তখন পিছনে অনেকটা জায়গা ছেড়ে দেন। সুইৎজারল্যান্ড চাইবে কলম্বিয়া নিজেদের অর্ধ থেকে বেরিয়ে আসুক, কারণ তখন এক, দুই বা তিন পাসেই যে জায়গাগুলি তারা কাজে লাগাতে পারে তা তৈরি হয়। বিল্ড-আপের মূল উদ্দেশ্যই হল চাপকে আমন্ত্রণ জানানো, যাতে পিছনের ফাঁকা জায়গা দিয়ে প্রতিপক্ষকে আঘাত করা যায়।"

কলম্বিয়ার কৌশলগত নমনীয়তা ও আক্রমণের গুণমানের প্রশংসা করার পাশাপাশি ঝিংগান সুইৎজারল্যান্ডের শৃঙ্খলা ও রক্ষণের সংগঠনকেও কুর্নিশ জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এটি একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে চলেছে।তার মতে,"কলম্বিয়া টুর্নামেন্টের অন্যতম রোমাঞ্চকর দল। জেমস রদ্রিগেজের মাধ্যমে তারা মাঝমাঠে সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি করে, দখল ধরে রাখে এবং তারপর লুইস দিয়াজের গতি দিয়ে পিছনের ফাঁকা জায়গায় আক্রমণ করে। তারা খুবই পরিপূর্ণ একটি দল। কিন্তু সুইৎজারল্যান্ডও অন্য দিক দিয়ে সমানভাবে চিত্তাকর্ষক। তারা কম্প্যাক্ট, কৌশলগতভাবে শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং খুব সংগঠিত মিড-ব্লক দিয়ে রক্ষণ করে। আমার মনে হয় মানজাম্বি তাদের এক্স-ফ্যাক্টর এবং আক্রমণে বাড়তি ধার দিয়েছে। আমার মনে হয় সুইৎজারল্যান্ড এই ম্যাচে এগিয়ে যেতে পারে, তবে দুই দলই এত সমান শক্তির যে মাঝমাঠে যে দল কম ভুল করবে এবং ভালো সিদ্ধান্ত নেবে, তারাই সম্ভবত কোয়ার্টার ফাইনালে যাবে।"

ছবি:সংগৃহীত।
ইডেন গার্ডেন্সে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালন করল সিএবি


*কলকাতা:* সোমবার ইডেন গার্ডেন্সের ক্লাব হাউস প্রাঙ্গণে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালন করল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল( সিএবি)।এই  অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন সিএবির সভাপতি  সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তাঁর নেতৃত্বে সিএবি-র পদাধিকারীরা। উপস্থিত ছিলেন ছিলেন সিএবি-র সহ-সভাপতি নিতীশ রঞ্জন দত্ত, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস, প্রাক্তন পদাধিকারীরা, অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য, বিভিন্ন কমিটির চেয়ারপার্সন, প্রাক্তন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, অন্যান্য সিএবি আধিকারিক ও সদস্যরা। সকলেই ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর প্রতিকৃতি তে মাল্যদান করে তাকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
উত্তর ২৪ জেলায় পালিত হল শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী

নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ ৬ জুলাই।ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর জন্ম দিবস। নতুন বিজেপি সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর আজ রাজ্য জুড়ে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে বারাসাত রবীন্দ্র ভবনে যথাযথ মর্যাদায় ভারত কেশরী ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন করা হল। অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন বারাসাতের বিধায়ক শঙ্কর চ্যাটার্জী মহাশয়। তিনি এদিন শ্যামাপ্রসাদের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। জেলার শিল্পীরা নাচ,গানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের শোভা বৃদ্ধি করেন।জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং উত্তর ২৪ পরগণা প্রশাসনের পক্ষ থেকে 'ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর জীবন ও উত্তরাধিকার' নিয়ে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। বি সৌজন্যে:জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর।
ইকো পার্কে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের

নিজস্ব প্রতিনিধি: ৬ জুলাই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।বিমানবন্দর থেকে সোজা চলে যান বিধাননগরের ইকো পার্কে। সেখানে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদের পৈতৃক ভিটেতে যান শাহ।কিছুক্ষণ থাকেন সেখানে। ঘুরে দেখেন শ্যামাপ্রাসাদের পৈতৃক বাড়ি।এরপর তিনি বালিগঞ্জে অভিনেতা প্রসেনজিৎ
চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।এখান থেকে বেরিয়ে মিলনমেলার উদ্দেশ্যে রওনা দেন শাহ।
ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবনী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি মন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের

নিজস্ব প্রতিনিধি: ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকীর দিন টিটাগড় টাটা গেটে অবস্থিত মন্ত্রী অর্জুন সিং এর কার্যালয়ে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে এবং বিজেপির দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং দাবি করেন,"নতুন প্রজন্মের কাছে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কথা তুলে ধরার জন্য পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জীবনী সিলেবাসে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেন।" ছবি: প্রবীর রায়।
বিশ্বকাপ ফুটবল -২০২৬

*আমেরিকা বনাম বেলজিয়াম*

*একপেশে লড়াই, তবে একটা বড় ব্যতিক্রম আছে*

স্পোর্টস ডেস্ক:আমেরিকা ও বেলজিয়াম এখনও পর্যন্ত ৭ বার মুখোমুখি হয়েছে, আর রেকর্ড প্রায় পুরোটাই একপেশে। ৬'বারই জিতেছে বেলজিয়াম। আমেরিকার একমাত্র জয় এসেছিল একেবারে প্রথম বিশ্বকাপেই, ১৯৩০ সালে ৩-০ গোলে। শেষ বিশ্বকাপের সাক্ষাত ছিল ২০১৪-র রাউন্ড অফ ১৬-তে অতিরিক্ত সময়ে ২-১ হেরেছিল আমেরিকা। ম্যাচটির মনে রাখার মতো খেলা হয়েছিল তা হল  টুর্নামেন্ট রেকর্ড ১৫টি সেভের জন্য। আর সবচেয়ে সাম্প্রতিক দেখা আরও নতুন, চলতি বছরের মার্চে আটলান্টায় প্রাক-টুর্নামেন্ট প্রীতি ম্যাচে এই আমেরিকাকেই ৫-২ গোলে হারিয়েছিল বেলজিয়াম।

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে জয়ের ম্যাচে ফোলারিন বালোগুন লাল কার্ড দেখার পর আমেরিকার প্রস্তুতি অদ্ভুত মোড় নেয়।ম্যানেজার মাউরিসিও পোচেত্তিনো সিদ্ধান্তকে ভুল বলে দাবি করেন। ফিফা রাজি হয় এবং লাল কার্ড স্থগিত করে।লাল কার্ড দেখার পরও খেলবেন যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড়, ফিফাকে ট্রাম্প ধন্যবাদ জানান।

এই টুর্নামেন্টে আমেরিকার সর্বোচ্চ গোলদাতা ৩ গোল করা বালোগুন আবার খেলতে পারবেন। কাগজে-কলমে যতটা মনে হয়, তাঁকে ফিরে পাওয়া তার চেয়েও বড় ব্যাপার। পোচেত্তিনো তাঁকে ঘিরে যে আক্রমণভাগ সাজিয়েছিলেন, সেটাই আবার ফিরে আসছে। বিকল্প দিয়ে কাজ চালাতে হচ্ছে না আমেরিকাকে। বালোগুনের লাল কার্ডের পর শেষ ৩৫ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলেও বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে ২-০ হারায় আমেরিকা। বেলজিয়ামের রাস্তা ছিল আরও নাটকীয়। সেনেগালের বিরুদ্ধে পাঁচ মিনিট বাকি থাকতে ২-০ পিছিয়ে পড়েও অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটে দু'গোল করে ম্যাচ টাই করে, তারপর ১২৫ মিনিটে ইয়োরি টিয়েলেমানসের পেনাল্টিতে জেতে। দু'দলই জানে, দরকারের সময় কীভাবে রাস্তা বের করতে হয়।

এটা আমেরিকার সপ্তম বিশ্বকাপ রাউন্ড অফ ১৬। আগের ৬ বারের মধ্যে ৫ বারই হেরেছে তারা। একমাত্র ব্যতিক্রম ২০০২ সালে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে জয়, যেটাই আমেরিকার শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা। সিয়াটলে বেলজিয়ামকে হারাতে পারলে পোচেত্তিনোর দল ২৪ বছরের পুরনো সিলিং-টা অবশেষে ভাঙবে। ঘরের মাঠের যে সমর্থকরা গোটা টুর্নামেন্টে তাদের পাশে ছিল, তাদের সামনেই।

এই বিশ্বকাপে আমেরিকা প্রতিটি ম্যাচে অন্তত ২'টি করে গোল করেছে। ইউরোপ বা দক্ষিণ আমেরিকার বাইরের প্রথম দল হিসেবে টানা ৪ টি বিশ্বকাপ ম্যাচে এটা করার নজির গড়েছে তারা। বেলজিয়ামও অপরাজিত, দু'টি জয় ও দু'টি ড্র। তবে তাদের রেকর্ড গোলদাতা রোমেলু লুকাকু একটিও ম্যাচ শুরু করেননি। ৩৩ বছরের এই স্ট্রাইকারকে শুধু বদলি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, এই সোনালি প্রজন্মের সম্ভবত শেষ টুর্নামেন্টে।

এদিন নজরে থাকবেন আমেরিকার ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, ফোলারিন বালোগুন, টাইলার অ্যাডামস এবংবেলজিয়ামের কেভিন ডি ব্রুইনে, রোমেলু লুকাকু, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার।


ছবি:সংগৃহীত।
বিশ্বকাপ ফুটবল,২০২৬

*রোনাল্ডোর শেষ নাচের সামনে স্পেনের অক্ষত ডিফেন্স, ২০০২-এর পর প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্নে আমেরিকা*

স্পোর্টস ডেস্ক: মঙ্গলবার আরও দু'টি রাউন্ড অফ ১৬-এ যাওয়ার লড়াই। তারমধ্যে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে আর্লিংটনে মুখোমুখি হবে দুই ইউরোপীয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পর্তুগাল ও স্পেন। অন্যদিকে, এবারের বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক আমেরিকা সিয়াটলে বেলজিয়ামকে আতিথ্য দেবে দুই দশকের বেশি সময় পর কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন নিয়ে। আর দু'টি দলই যারা শেষ মুহূর্তের নাটকের পর এখানে পৌঁছেছে।

*পর্তুগাল বনাম স্পেন*

*পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বী, নতুন দাঁও*

পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমান্তও আছে, একশো বছরের বেশি পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা। কিন্তু বিশ্বকাপে তাদের দেখা হয়েছে মাত্র দু'বার। ২০১০-এ রাউন্ড অফ ১৬-এর কাঁটায় কাঁটায় ম্যাচে জিতেছিল স্পেন। আর ২০১৮-তে দু'দল মিলে উপহার দিয়েছিল ক্লাসিক ৩-৩ ড্র, যা আজও আলোচনায়। সাম্প্রতিকতম সাক্ষাত আরও নাটকীয়। গত বছরের ইউইএফএ নেসন্স লিগ ফাইনালে টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে দু'বার ট্রফি জেতে পর্তুগাল। এবার স্পেনকে ফেভারিট ধরলেও এই ম্যাচের হিসেব সবসময় উল্টেপাল্টে যায়।

*যে কোনও ভাবেই হোক রোনাল্ডোর স্মরণীয় রাত*

৪১ বছর বয়সে এটাই খুব সম্ভবত ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ষষ্ঠ এবং শেষ বিশ্বকাপ। আর তিনি নিশ্চিত করেছেন যে মানুষ তাঁকে নিয়েই কথা বলবে। এখনও পর্যন্ত ৩ টি গোল, যার মধ্যে উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে ৫-০ গোলের শুরুর ম্যাচে দু'টি গোল। আর রাউন্ড অফ ৩২-তে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে পেনাল্টি থেকে তাঁর প্রথম বিশ্বকাপ নকআউট গোল। মঙ্গলবার যা-ই হোক, তিনি ইতিমধ্যেই ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ৬'টি আলাদা বিশ্বকাপে গোল করার নজির গড়েছেন। স্পেনের কাছেও নিজস্ব বক্স-অফিস নাম রয়েছে লামিন ইয়ামালের, চোটের পর পুরো ফিটনেসে ফিরছেন তিনি।

তবে স্পেন শিবিরে যে পরিসংখ্যান নিয়ে আলোচনা চলছে তা হল ৪ ম্যাচ, গোল হজম শূন্য। গ্রুপ পর্ব থেকে নকআউট পর্যন্ত নিখুঁত ডিফেন্সিভ রেকর্ড। রাউন্ড অফ ৩২-তে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ উড়িয়ে দিয়ে তা আরও পাকা করেছে দলটি। অন্য দিকে, পর্তুগাল ৪ ম্যাচে ৮ গোল করেছে, তবে ডিফেন্সে কিছুটা নড়বড়ে। দু'টি গোল খেয়েছে, যার মধ্যে শুরুর ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে স্নায়ুর চাপ বাড়ানো ড্রও ছিল। টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত যে ডিফেন্স ভাঙেনি, তার মুখোমুখি যখন গোল-মেশিন, তখন একটা কিছু ভাঙবেই।

স্পেন আসছে ডিফেন্ডিং ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে, আর ট্রফির অন্যতম ফেভারিট হিসেবে। বেশিরভাগ বুকমেকারের তালিকায় ফ্রান্সের ঠিক পরেই তাদের নাম। অন্যদিকে,পর্তুগাল ২০২-এর কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর কাছে হারের হিসেব মেটাতে চায়। এই ম্যাচ জিতলে সেমিফাইনালের পথে রোমাঞ্চকর লড়াই অপেক্ষা করছে। রোনাল্ডো ফ্যাক্টর ছাড়াও নিরপেক্ষ সমর্থকদের ম্যাচ দেখার জন্য এটাই যথেষ্ট কারণ।

এই বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট গোলের নিরিখে অবিশ্বাস্য। শুধু গ্রুপ পর্বেই হয়েছে ২১৫টি গোল, যা আগের যে কোনও বিশ্বকাপের গোটা টুর্নামেন্টের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গেছে। পুরনো রেকর্ড ছিল ২০২২ কাতারে ১৭২টি গোল। পর্তুগাল ও স্পেনও নিজেদের ভাগের কাজ করেছে, ইতিমধ্যেই দু'দলেরই ৮টি করে গোল। আর দু'দলকেই এখনও পর্যন্ত আক্রমণের গতি কমাতে দেখা যায়নি।

এদিনের খেলায় নজরে থাকবেন,পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, ব্রুনো ফার্নান্ডেজ, নুনো মেন্ডেস এবং স্পেনের লামিন ইয়ামাল, মিকেল ওয়ার্জাবাল, পেদ্রি । ছবি: সংগৃহীত।
খেলা বিশ্বকাপ ফুটবল,২০২৬

*আজতেকায় দর্পচূর্ণ মেক্সিকোর*

*ইংল্যান্ড ৩–২ মেক্সিকো*

স্পোর্টস ডেস্ক: আজতেকায় দর্পচূর্ণ হল মেক্সিকোর। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম বার এই মাঠে হারল তারা।লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যেতে হয় ইংল্যান্ডের এক ফুটবলার কে। তারপরও ১০ জনের ইংল্যান্ডকে আটকাতে পারল না মেক্সিকো। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে হ্যারি কেনেরা।

ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে এটাই কি এবারের বিশ্বকাপের সেরা ম্যাচ? এমন প্রশ্ন এবার আগেও উঠেছে। মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামের ম্যাচ নিয়েও একই প্রশ্ন উঠছিল শেষ বাঁশি বাজার আগেই। ৫ গোলের এই ম্যাচে কী ছিল না।আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ, লাল কার্ড, পেনাল্টি এবং শেষ বেলায় মেক্সিকানদের কান্না, ইংলিশদের মুখে হাসি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ থেকে সাধারণ দর্শকও বলছিলেন, মেক্সিকো–ইংল্যান্ডের মধ্যে শেষ ১৬ র এই ম্যাচই এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের সেরা ম্যাচ। যেখানে স্কোরলাইন বলছে ইংল্যান্ড জিতেছে ৩–২ গোলে। তবে ম্যাচটি দেখে থাকলে হৃদয় বলবে মেক্সিকো হারেনি।

কিন্তু মেক্সিকো সমর্থকদের কাছে নির্মম বাস্তবতা হলো, শেষ বাঁশি বাজার পর কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ডই। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নরওয়ে।

ছবি:  সংগৃহীত।
একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়ির সামনে মহিলাদের বিক্ষোভ

বসিরহাট : একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়ির সামনে বিক্ষোভে সামিল হলেন এলাকার মহিলারা। ঘটনাটি বসিরহাটের মিনাখাঁ ব্লকের মিনাখাঁ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৮৭ নম্বর বুথ এলাকার। অভিযোগের তীর গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যা ঝুমা চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। রবিবার দুপুরে তার বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান বহু মহিলা। বিক্ষোভকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবা ঘিরে অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদে নেমেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, পথের সাথী প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সেখানে মধুচক্রের আখড়ায় পরিণত করা হয়েছে। পাশাপাশি মিনাখাঁ গ্রামীণ হাসপাতালে রোগীদের খাবার সরবরাহের দায়িত্বেও ছিলেন ওই সদস্যা। অভিযোগ, সেখানে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করা হতো, যার ফলে রোগীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে।
এছাড়াও, আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে একাধিক পরিবারের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের দাবি, টাকা নেওয়া হলেও বহু মানুষ এখনও সরকারি আবাস পাননি। ফলে তারা আর্থিকভাবে প্রতারিত হয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, অভিযুক্ত গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তির দাবি জানান তারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হৎ মিনাখাঁ থানার পুলিশ। তবে অভিযোগের বিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যা ঝুমা চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।