/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz হালান্ডের নরওয়ের স্বপ্নের সামনে ব্রাজিল পরীক্ষা West Bengal Bangla
হালান্ডের নরওয়ের স্বপ্নের সামনে ব্রাজিল পরীক্ষা
*খেলা*

*বিশ্বকাপ ফুটবল,২০২৬*



*স্পোর্টস ডেস্ক:* ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর রাউন্ড অফ ১৬-তে রবিবার উপহার দিচ্ছে স্মরণীয় ডাবল-হেডার। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের সামনে এরলিং হালান্ডের নেতৃত্বাধীন নরওয়ে। 

কাগজে-কলমে ব্রাজিলই স্পষ্টতই ফেভারিট।১৯৯০ সালের পর থেকে একবারও রাউন্ড অফ ১৬ থেকে ছিটকে যায়নি তারা, আর শেষ ৮ এ পৌঁছলে তা হবে এক অসাধারণ ধারাবাহিকতা। কিন্তু নরওয়ে মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে এগিয়ে। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে তারা কখনও হারেনি। ৪ ম্যাচে দু'টি জয়, ২ টি ড্র। তার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ফ্রান্স '৯৮-এর ২-১ গোলের অঘটন, যা নরওয়ের সমর্থকরা আজও মনে রাখে। রবিবার জিতলে নরওয়ে ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।

*হালান্ডের ধাওয়া, ব্রাজিলও পিছিয়ে নেই*

এই বিশ্বকাপে নরওয়ের গল্পের নামই হালান্ড। প্রথম বিশ্বকাপেই পাঁচ গোল করে মেসি, এমবাপে ও কেনের সঙ্গে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে ঢুকে পড়েছেন তিনি। ব্রাজিলের আক্রমণভাগও কম শক্তিশালী নয়। ভিনিসিয়াস জুনিয়রের নামের পাশে চার গোল ও একটি অ্যাসিস্ট, আর মাতেউস কুনহা করেছেন ৩ টি গোল। ম্যাচ টাইট হলে কার্লো আনচেলত্তির হাতে একাধিক ম্যাচ-উইনার রয়েছেন।

*টানা আটবার কোয়ার্টার ফাইনাল — এবং চলছে*

টানা ৮ টি বিশ্বকাপে ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে, যা নিজেই সব কথা বলে দেয়। নরওয়ে এর আগে কখনও এতদূর আসেনি, আর সেটাই রবিবারের ম্যাচকে করে তুলেছে আকর্ষণীয়: প্রতিষ্ঠিত জায়ান্ট বনাম হারানোর কিছু নেই এমন এক দল।

*নরওয়ের গোলের ফোয়ারা, ব্রাজিলের পাঁচিল*

নরওয়েকে দেখতে দারুণ লাগছে। ৪ ম্যাচে ১০ গোল করেছে তারা, তবে পাল্টা ৮ গোলও হজম করেছে। তাই তাদের খেলায় কড়া লড়াইয়ের সম্ভাবনা কম। ব্রাজিল ঠিক উল্টো। গোটা টুর্নামেন্টে মাত্র দু'টি গোল খেয়েছে তারা। রাউন্ড অফ ৩২-তে জাপানের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে জিতেছে, অতিরিক্ত সময়ে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির গোলে। আক্রমণ বনাম ডিফেন্স, একেবারে খাঁটি অর্থে।

তবে এদিন নজরে থাকবেন,নরওয়ের এরলিং হালান্ড, মার্টিন ওডেগার্ড, আন্তোনিও নুসা এবং ব্রাজিলের ভিনিসিয়াস জুনিয়র, মাতেউস কুনহা, লুকাস পাকেতা।

ছবি: সংগৃহীত।


জার্মানি, আর্জেন্তিনা, ইতালির মতো শক্তিধরদের বারবার মাটিতে নামিয়েছে তারা। ঝুলিতে পাঁচ-পাঁচটি বিশ্বকাপ। বিশ্বফুটবলের সেই ‘চিরকালীন মানদণ্ড’ হয়ে ওঠা ব্রাজিলের সামনে এবার এমন এক প্রতিপক্ষ, যাদের বিরুদ্ধে ইতিহাস রীতিমতো হতাশাজনক! সোমবার গভীর রাতে (৬ জুলাই, রাত ১:৩০ মিনিট) চলতি বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ব্রাজিলের সামনে নরওয়ে।

আর্লিং হালান্ড এবং মার্টিন ওডেগার্ডের মতো তারকায় ঠাসা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দলটির বিরুদ্ধে নামার আগে সেলেকাও শিবিরের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ এক অদ্ভুত পরিসংখ্যান। পেশাদার ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিল আজ পর্যন্ত কোনও দিন নরওয়েকে হারাতে পারেনি।বিশ্বমঞ্চে বারবার দাপট দেখানো ভিনিসিয়াস জুনিয়রদের কাছে নরওয়ে-জুজু আক্ষরিক অর্থেই এক চরম মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষা।
*বিশ্বকাপ ফুটবল,২০২৬,ইংল্যান্ড বনাম মেক্সিকো*
খেলা


*মেক্সিকোর মাটিতে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে খেলা, সহজ নয় কোনওদিনই*
স্পোর্টস ডেস্ক: ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নামছে ইংল্যান্ড, কিন্তু মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে ২০১৩ সালের পর থেকে একটাও ম্যাচ হারেনি তারা। এমন হোম রেকর্ডই বল পায়ে পড়ার আগেই প্রতিপক্ষ দলকে চাপে ফেলে দেয়। আবার ইংল্যান্ডও জানে কীভাবে নকআউটের পথ পাড়ি দিতে হয়। গত চারটি বিশ্বকাপের মধ্যে তিনবারই তারা কোয়ার্টার ফাইনাল বা তার বেশি দূর গিয়েছে।

*একটা কিছু ভাঙতে হবেই*

এই টুর্নামেন্টে মেক্সিকো গোটা কৌশলই সাজিয়েছে ডিফেন্সকে ঘিরে। এখানে পৌঁছনোর পথে টানা চার ম্যাচে গোল হজম করেনি তারা। ইংল্যান্ডকেও ভাঙা সহজ নয়, তবে শুধু ডিফেন্সের উপর নির্ভর করতে হয় না তাদের। হ্যারি কেন পাঁচটি গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে রয়েছেন, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ জুড বেলিংহামের হাতে, আর অ্যান্থনি গর্ডন উইং দিয়ে ক্রমাগত সমস্যা তৈরি করছেন।

*কাঁটায় কাঁটায় লড়াইয়ের ইঙ্গিত*

যে পরিসংখ্যান সব বলে দিচ্ছে তা হল: মেক্সিকো চার ম্যাচে একটাও গোল খায়নি, আর ইংল্যান্ড খেয়েছে মাত্র তিনটি। টুর্নামেন্টের বাকি থাকা সেরা দুই ডিফেন্স যখন মুখোমুখি, তখন গোলের বন্যা বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। বরং এক মুহূর্তের জাদুকরী দক্ষতার উপরই ম্যাচের ফয়সালা হতে পারে।

*নকআউট ফুটবল, সহজ হয় না কখনও*

রাউন্ড অফ ৩২-তে ডিআর কঙ্গোর বিরুদ্ধে সব শক্তি উজাড় করে জিততে হয়েছিল ইংল্যান্ডকে। নকআউটে যে কিছুই সহজে মেলে না, তারই প্রমাণ। অন্যদিকে মেক্সিকো চুপিসারে টুর্নামেন্টের অন্যতম শৃঙ্খলাবদ্ধ দলের সুনাম অর্জন করেছে। ডিফেন্সে পাথর, আর পাল্টা আক্রমণে বিদ্যুতের গতি। ঘরের মাঠের সমর্থকদের পাশে পেয়ে ইউরোপের এই জায়ান্টের বিরুদ্ধে বড় জয় ছিনিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছেই এল ত্রি।

*নজরে থাকবেন:*

*ইংল্যান্ড*: হ্যারি কেন, জুড বেলিংহাম, অ্যান্থনি গর্ডন ।
*মেক্সিকো*: রাউল হিমেনেজ, রবার্তো আলভারাদো, জুলিয়ান কিনোনেস। ছবি: সংগৃহীত।
লিভ-ইন সম্পর্কের করুণ শেষ! একই দিনে উদ্ধার মামি ও ভাগ্নের মৃতদেহ
সৌমাভ মণ্ডল,বসিরহাট : অবৈধ সম্পর্কের নৃশংস পরিণতি, ভাগ্নের মৃত্যুর পর রেললাইনে মামীর দেহ! চাঞ্চল্য বসিরহাটে। দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের জেরে একসঙ্গে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন বলে অভিযোগ। সেই সম্পর্কেরই মর্মান্তিক পরিণতি ঘটলো বসিরহাটে। একই দিনে উদ্ধার হল ভাগ্নে ও মামীর মৃতদেহ। পরিবারের অভিযোগ, প্রথমে ভাগ্নেকে খুন করে পরে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন মামি। যদিও গোটা ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে বসিরহাট থানার পুলিশ।

মৃত ভাগ্নের নাম দেবাশীষ মণ্ডল (৩২) এবং মৃত মামির নাম রুনু মণ্ডল (৩৩)। দু'জনেরই বাড়ি বসিরহাটের ট্যাটরা এলাকায়। প্রায় ১৪ বছর আগে রুনুর বিয়ে হয় বনগাঁয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে বাপের বাড়িতে আসার সূত্রে পূর্ব পরিচিত দেবাশীষের সঙ্গে আবার যোগাযোগ হয়। পরিবারের দাবি, সেই পরিচয় থেকেই দু'জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং পরে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে তারা বসিরহাটের সাঁইপালায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে লিভ-ইন সম্পর্কে বসবাস করছিলেন।

দেবাশীষের পরিবারের দাবি, গত কয়েকদিন ধরে তিনি মানসিকভাবে অত্যন্ত অশান্তিতে ছিলেন। এমনকি নিজের বাবাকে ফোন করে বাড়ি ফিরে আসতে চেয়েছিলেন বলেও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
অভিযোগের আরও বিস্ফোরক দিক, দেবাশীষের পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ঘটনার আগের রাতে রুনু মণ্ডল ফোন করে দেবাশীষের বাবাকে বলেন, "দেবাশীষকে মেরে ফেলেছি, এবার আমিও আত্মহত্যা করব।" এরপর থেকেই দু'জনের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

শনিবার সকালে বসিরহাট স্টেশন সংলগ্ন অনন্তপুর এলাকার রেললাইন থেকে রুনু মণ্ডলের দেহ উদ্ধার হয়। অন্যদিকে, ময়লাখোলা সংলগ্ন ভাড়া বাড়ির দরজা ভেঙে দেবাশীষ মণ্ডলের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দুটি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। রুনু মণ্ডলের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে দেবাশীষের পরিবারের অভিযোগ, রুনুই প্রথমে দেবাশীষকে খুন করেন এবং পরে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

যদিও পুলিশ এখনও এই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেনি। কী কারণে এই জোড়া মৃত্যুর ঘটনা, আদৌ এটি খুনের পর আত্মহত্যা, নাকি অন্য কোনও রহস্য রয়েছে তা জানতে মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করেছে বসিরহাট থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং ফরেন্সিক পরীক্ষার ফল হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা মিলবে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।

ছবি সৌজন্যে:সৌমাভ মণ্ডল।
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে স্বরূপনগর বিডিও অফিসে বিক্ষোভ
বসিরহাট : অন্নপূর্ণা যোজনার দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে না পৌঁছানোর অভিযোগে শুক্রবার সকাল থেকে বসিরহাটের স্বরূপনগর বিডিও দপ্তরে বিক্ষোভ দেখান একদল মহিলা উপভোক্তা। তাদের অভিযোগ, গত মাসে প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও এ মাসে আবেদন করা সত্ত্বেও অনেকের অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ জমা পড়েনি।
রাজ্য সরকার বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত জুন মাস থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তাদের অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ শুরু করে। প্রথম কিস্তি প্রদানের পর অনলাইন ও অফলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার জন্য ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। গত ১ জুলাই দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া শুরু হলেও বহু উপভোক্তার অভিযোগ, তাদের অ্যাকাউন্টে এখনও সেই অর্থ পৌঁছায়নি। এদিন বিক্ষুব্ধ মহিলারা বিডিওর সঙ্গে দেখা করে সমস্যার কথা জানান। বিডিও তাদের অভিযোগ শোনেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন। তবে অভিযোগ, এরপরও ক্ষুব্ধ উপভোক্তাদের একাংশ দপ্তরে ঢুকে আধিকারিকদের বাইরে বের করে দিয়ে অফিসের দরজা বন্ধ করে বিক্ষোভে সামিল হন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু সময়ের জন্য বিডিও দপ্তরে উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপভোক্তাদের অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
'খেলার মাঠ ফেরত চাই'- দখলের অভিযোগে বিক্ষোভে ফেটে পড়লো পড়ুয়ারা

বসিরহাট : খেলার মাঠ দখলের চেষ্টার অভিযোগে বিক্ষোভ, মাঠ বাঁচানোর দাবিতে পথে নামল পড়ুয়ারা। বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের সাণ্ডেলেরবিল গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঁকড়া দক্ষিণ-পূর্ব বাঁকড়া স্কুলের খেলার মাঠ দখলের চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার উত্তেজনা ছড়ায়। মাঠ রক্ষার দাবিতে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবক ও গ্রামবাসীরা বিক্ষোভে সামিল হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলের সামনের সরকারি জমিটি দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ওই মাঠেই নিয়মিত খেলাধুলা করে ছাত্র-ছাত্রীরা এবং এলাকাবাসীর কাছেও এটি স্কুলের মাঠ হিসেবেই পরিচিত। অভিযোগ, শুক্রবার মাঠের সংলগ্ন জমির মালিকরা পিলার পুঁতে ওই মাঠের একটি অংশ দখলের চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক এবং গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রতিবাদ শুরু করেন। পরে মাঠ রক্ষার দাবিতে পড়ুয়ারা মিছিলও বের করে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দখলের কাজ বন্ধ করে দেয়। অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে উঠেছে, তাদের প্রয়োজনীয় জমির নথি নিয়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এদিকে ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যে মাঠে পড়ুয়ারা খেলাধুলা করছে, সেই মাঠের বর্তমান অবস্থাই বজায় রাখতে হবে। ভবিষ্যতেও যাতে ছাত্র-ছাত্রীরা নির্বিঘ্নে ওই মাঠ ব্যবহার করতে পারে, তার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শর্ত সাপেক্ষে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার।সল্টলেকে বাড়ি দখল মামলায় জামিন পেলেন জয়প্রকাশ।সম্প্রতি বিধাননগর থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।শর্ত অনুযায়ী আগামী, পুলিশ কে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং কলকাতার বাইরে যেতে পারবেন না জয়প্রকাশ। এদিন তার
জামিন মঞ্জুর করলেন বিচারপতি অজয় কুমার মুখোপাধ্যায়।

গত ৩ জুন জয়প্রকাশকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ১৪ বছর ধরে বেআইনি ভাবে একটি ফ্ল্যাট দখল করে রাখার অভিযোগ রয়েছে। জামিন চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন জয়প্রকাশ। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে ওই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ২৯ জুন বিচারপতি ঘোষ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সেই মামলা থেকে সরে দাঁড়ান। এর পর বিচারপতি অজয়কুমার মুখোপাধ্যায়ের বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য যায়। বিচারপতি মুখোপাধ্যায়ই বুধবার জয়প্রকাশের আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
হাইকোর্টের নির্দেশে ইছামতির তীরে বুলডোজার, টাকির অবৈধ হোটেল ভাঙতে প্রশাসনের অভিযান

বসিরহাট :টাকির ইছামতির তীরে অবৈধ নির্মাণে বুলডোজার। বুধবার হাইকোর্টের নির্দেশে টাকির দুই হোটেল ভাঙার কাজ শুরু হল। বসিরহাটের টাকিতে ইছামতি নদীর তীরে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা টাকী সিটি গেস্ট হাউস  অবৈধ হোটেলের বিরুদ্ধে অবশেষে শুরু হল প্রশাসনিক অভিযান। বুধবার সকাল ১০টা থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর করতে টাকি পৌর এলাকার সেচ দপ্তরের জমিতে নির্মিত 'টাকি সিটি গেস্ট হাউস'  ভাঙার কাজ শুরু করে প্রশাসন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইছামতি নদীর তীরবর্তী সেচ দপ্তরের জমি দখল করে ওই দুটি হোটেল নির্মাণ করা হয়েছিল। বিষয়টি আদালতের নজরে আসার পর তদন্ত ও শুনানি শেষে হাইকোর্ট অবৈধ নির্মাণ অপসারণের নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশ অনুযায়ী বুধবার সকাল থেকেই বিশাল পুলিশ বাহিনী, প্রশাসনিক আধিকারিক, সেচ দপ্তরের প্রতিনিধি এবং টাকি পৌরসভার কর্মীদের উপস্থিতিতে বুলডোজার নামিয়ে ভাঙার কাজ শুরু হয়। অভিযানকে ঘিরে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথমে এলাকা ঘিরে ফেলা হয়, তারপর ধাপে ধাপে হোটেল দুটির বিভিন্ন অংশ ভাঙার কাজ শুরু হয়।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ইছামতি নদীর পাড়ে সরকারি জমি দখল করে এই নির্মাণ হয়েছিল। একাধিকবার অভিযোগ ওঠার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত আদালতের নির্দেশের পর প্রশাসন অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে বাধ্য হয়।
প্রশাসনের দাবি, সরকারি জমি দখল করে কোনও ধরনের স্থায়ী নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না। আদালতের নির্দেশ মেনেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও সরকারি জমি দখল বা নদী সংলগ্ন এলাকায় অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে একই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। হাইকোর্টের নির্দেশে শুরু হওয়া এই উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে টাকি জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নদী সংলগ্ন এলাকায় বেআইনি নির্মাণ রুখতে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
নেফ্রো কেয়ার ইন্ডিয়া লিমিটেডের স্বাস্থ্য কার্ডের উদ্বোধন
নিজস্ব প্রতিনিধি: বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিন উপলক্ষ্যে জাতীয় চিকিৎসক দিবসে কলকাতার প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে নেফ্রো কেয়ার ইন্ডিয়া লিমিটেড। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কারিগরী দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন,নেফ্রো কেয়ারের কর্ণধার ডাক্তার প্রতীম সেনগুনগুপ্ত , ডাক্তার সুতপা সেন সহ একাধিক সম্মানীয় চিকিৎসকরা। মন্ত্রী তাঁর ভাষণে পূরাণের নারদের ভূমিকা সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে তুলে ধরেন। তিনি বলেন,সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য পরিবেশন করা উচিত।এ ছাড়া আধুনিক রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বায়োটেকনোলজির ভূমিকা , উন্নত পরিষেবা ও আধুনিক চিকিৎসার সুদূর প্রসারী ফলের কথা তুলে ধরেন। ডাক্তার সেনগুপ্ত তাঁর ভাষণে বলেন, "প্রত্যেক সাধারণ মানুষকে শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকতে গেলে তাদের প্রত্যেকের শুভ জন্মদিনে নিদেন পক্ষে কয়েকটি সাধারণ পরীক্ষা যেমন, সুগার, প্রেসার, লিপিড প্রোফাইল ইত্যাদি প্রতিবছর করিয়ে নেওয়া উচিত। তাতে নিজেদের সুস্থ জীবন এতবং জীবনে অনভিপ্রেত অসুখগুলি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকবে।"
এদিন এই সভাগৃহে মন্ত্রী সাংবাদিকদের জন্য একটি স্বাস্থ্য কার্ডেরও উদ্বোধন করেন। বি: সঞ্জয় হাজরা।
কলকাতা লিগে শুরুর আগে দলগুলির গ্রুপ বিন্যাস চূড়ান্ত,আজ থেকেই অনুশীলন শুরু করল মহামেডান
স্পোর্টস ডেস্ক: কলকাতা লিগের ঢাকে কাঠে পড়ে গেল। প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগ শুরুর আগে দলগুলির গ্রুপ বিন্যাস চূড়ান্ত হয়ে গেল।গত  বৃহস্পতিবার আই এস এ কার্যালয়ে প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাব প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে দুই গ্রুপ তৈরি করা হয়। গত মরশুমের চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল এবং রানার্স-আপ ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবকে আলাদা দুই গ্রুপে রেখে বাকি দলগুলিকে ভাগ করা হয়েছে। ফলে নতুন মরশুম শুরুর আগেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ, ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান একই গ্রুপে জায়গা পেয়েছে।দুই গ্রুপে ভাগ করা হল ২৪টি দল।আই এস এ-এর নিয়ম অনুযায়ী, ২৪টি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, বিএসএস, ইউনাইটেড স্পোর্টস কলকাতা, মেসার্স, কালীঘাট এমএস, রেলওয়ে এফসি, ক্যালকাটা কাস্টমস, পাঠচক্র, জর্জ টেলিগ্রাফ, বিধাননগর এবং ভবানীপুর।
অন্যদিকে,আজ থেকেই মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের খেলোয়াড়রা তাদের অনুশীলন শুরু করে দিলেন তাদের নিজস্ব মাঠে।

ছবি: সঞ্জয় হাজরা।
বিশ্বকাপ ২০২৬ এবারের বিশ্বকাপে আন্ডারডগরাই কেন জিতছে, অঘটনের পিছনের কৌশলগত গল্প
স্পোর্টস ডেস্ক: এবারের বিশ্বকাপে জার্মানি জাতীয় ফুটবল দল এবং নেদারল্যান্ডস জাতীয় ফুটবল দলের বিদায় কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়। এই বিশ্বকাপে একটি ক্রমবর্ধমান প্রবণতা তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে,আন্ডারডগ দলগুলি আর শুধু রক্ষণ করে ভাগ্যের উপর ভরসা করছে না।তারা কৌশলগতভাবে বড় দলগুলিকে হারানোর জন্য তৈরি।

*প্যারাগুয়ে ১-১ জার্মানি (পেনাল্টিতে প্যারাগুয়ে ৪-৩ জয়ী)*

এদিনের খেলায় জার্মানি বল দখলে আধিপত্য বিস্তার করে এবং কয়েকশো বেশি পাস খেলে। তুলনা মূলক প্যারাগুয়ে কমপ্যাক্ট লো ব্লকে রক্ষণ করে, লাইনের মাঝে জায়গা বন্ধ করে দেয় এবং জার্মান আক্রমণভাগকে হতাশ করে। এছাড়াও বল নিয়ন্ত্রণে রাখা সত্ত্বেও জার্মানির সৃজনশীলতার অভাব ছিল এবং পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে লড়াই করতে হয়েছে।

অন্যদিকে,প্যারাগুয়ে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলিকে কাজে লাগায়, এরপর পেনাল্টি শ্যুটআউটে স্নায়ুর চাপ ধরে রাখে।

নকআউট ফুটবলে শুধু বল দখলে রাখলে হয় না, আক্রমণে ঢুকতে হবে। জার্মানির কাছে বল ছিল, প্যারাগুয়ের কাছে ছিল পরিকল্পনা। তাই তাদের জিত হল।


*মরক্কো ১-১ নেদারল্যান্ডস (পেনাল্টিতে মরক্কো ৩-২ জয়ী)*

মরক্কো শুরু থেকেই বিপজ্জনক দেখিয়েছে এবং ৭০% বল দখলে রেখে কিছু ভাল সুযোগ তৈরি করে। 
ডাচরা এগিয়ে গেলেও ম্যাচ শেষ করতে ব্যর্থ হয়।  মরক্কো দেরিতে গোল শোধ করে, সেমিফাইনালে ওঠা মানসিকতা দেখায়। অতিরিক্ত সময়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে মরক্কোকেই শক্তিশালী লাগে।এখন
মরক্কো আর নিজেদের আন্ডারডগ ভাবে না। তারা বিশ্ব মঞ্চে বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতা নিয়ে খেলে।

এক দিনের ব্যবধানে জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডস—দুটি দেশ যাদের মধ্যে মোট ৭ টি বিশ্বকাপ ফাইনাল এবং ৪ টি বিশ্বকাপ শিরোপা আছে—তারা প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর কাছে বিদায় নিল।

এটাই হতে পারে সেই মুহূর্ত যার জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপ মনে রাখা হবে সেটা হল,সংগঠিত, শক্তিশালী এবং নির্ভীক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইউরোপের বড় দলগুলি লড়াই করছে।ফুটবলের অভিজাতদের সঙ্গে পিছনে ধাওয়া করা দলগুলির মধ্যে ফারাক এখন সবচেয়ে কম। 
আফ্রিকা, এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার দলগুলির খেলোয়াড়রা এখন ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব স্তরে খেলছে এবং আর হীনমন্যতায় ভোগে না।

ছবি সৌজন্যে: এপি।