/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs1/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs4/1632639995521680.png/home/streetbuzz1/public_html/testnewsapp/system/../storage/avatars/thumbs5/1632639995521680.png StreetBuzz s:bengalpolitics
বিজেপি নেতা গ্রেফতার কাণ্ডে চাঞ্চল্য খড়দহে

#Khardah

মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সহ-সভাপতি রমজান আলী

উৎপল দাস,খড়দহ: এক মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে বিজেপির এক রাজ্য নেতাকে গ্রেফতার করল উত্তর ২৪ পরগনার রহড়া থানার পুলিশ। ধৃত নেতার নাম রমজান আলী। তিনি বিজেপি মাইনরিটি মোর্চার রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি পদে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, খড়দহের বন্দিপুর বলাগড় এলাকায় এক মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে রমজান আলীর বিরুদ্ধে। ওই মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতেই রহড়া থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

আজ ধৃতকে ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের সামনে রমজান আলী দাবি করেন, "আমাকে তৃণমূলের লোকজন ফাঁসিয়ে দিয়েছে। খড়দার এমএলএ অফিসে বসে আমাকে খুনের হুমকি দিচ্ছে। আমি প্রতিবাদ করায় আমাকেই ফাঁসানো হয়েছে। এই ঘটনায় আমার কোনও অপরাধ ছিল না।"

ঘটনাকে কেন্দ্র করে খড়দহ এলাকায় রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপির তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

লেখা ও ছবি: উৎপল দাস।

গ্রেফতারি পরোয়ানা খারিজ, বড় স্বস্তিতে মহুয়া মৈত্র!
#MahuaMoitra #CalcuttaHighCourt #MPMLACourt #Krishnanagar #TMC #BreakingNews #BengalPolitics .

*কলকাতা:* কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে বড় স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। খারিজ হয়ে গেল তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা।

সোমবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি আর্য্যক দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, কৃষ্ণনগর আদালতের সমস্ত নির্দেশ বাতিল করা হল। মামলাটি আর কৃষ্ণনগরে চলবে না, স্থানান্তরিত করা হল বিধাননগরের এমপি-এমএলএ বিশেষ আদালতে।

*কি ছিল অভিযোগ?*

ভারতীয় সেনাবাহিনী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য এবং মহিলাদের তুলসীমালা, বোরখা ও হিজাব পরা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কৃষ্ণনগরের এক বাসিন্দা BNSS ও BNS-এর একাধিক ধারায় মামলা করেন।

অভিযোগ ছিল, তিনি নারীর শালীনতা ক্ষুণ্ণ করেছেন, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছেন ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বে উস্কানি দিয়েছেন।

সমনের পরেও হাজিরা না দেওয়ায় কৃষ্ণনগর আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যান মহুয়া।

আইনজীবীর যুক্তি ছিল, বর্তমান সাংসদ হওয়ায় তাঁর মামলার এক্তিয়ার এমপি-এমএলএ কোর্টের। সেই যুক্তি মেনেই রায় দিল হাইকোর্ট।আপাতত স্বস্তিতে মহুয়া শিবির।
বিজেপি নেতা গ্রেফতার কাণ্ডে চাঞ্চল্য খড়দহে

#Khardah

মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সহ-সভাপতি রমজান আলী

উৎপল দাস,খড়দহ: এক মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে বিজেপির এক রাজ্য নেতাকে গ্রেফতার করল উত্তর ২৪ পরগনার রহড়া থানার পুলিশ। ধৃত নেতার নাম রমজান আলী। তিনি বিজেপি মাইনরিটি মোর্চার রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি পদে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, খড়দহের বন্দিপুর বলাগড় এলাকায় এক মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে রমজান আলীর বিরুদ্ধে। ওই মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতেই রহড়া থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

আজ ধৃতকে ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের সামনে রমজান আলী দাবি করেন, "আমাকে তৃণমূলের লোকজন ফাঁসিয়ে দিয়েছে। খড়দার এমএলএ অফিসে বসে আমাকে খুনের হুমকি দিচ্ছে। আমি প্রতিবাদ করায় আমাকেই ফাঁসানো হয়েছে। এই ঘটনায় আমার কোনও অপরাধ ছিল না।"

ঘটনাকে কেন্দ্র করে খড়দহ এলাকায় রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপির তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

লেখা ও ছবি: উৎপল দাস।

গ্রেফতারি পরোয়ানা খারিজ, বড় স্বস্তিতে মহুয়া মৈত্র!
#MahuaMoitra #CalcuttaHighCourt #MPMLACourt #Krishnanagar #TMC #BreakingNews #BengalPolitics .

*কলকাতা:* কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে বড় স্বস্তি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। খারিজ হয়ে গেল তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা।

সোমবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি আর্য্যক দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, কৃষ্ণনগর আদালতের সমস্ত নির্দেশ বাতিল করা হল। মামলাটি আর কৃষ্ণনগরে চলবে না, স্থানান্তরিত করা হল বিধাননগরের এমপি-এমএলএ বিশেষ আদালতে।

*কি ছিল অভিযোগ?*

ভারতীয় সেনাবাহিনী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য এবং মহিলাদের তুলসীমালা, বোরখা ও হিজাব পরা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কৃষ্ণনগরের এক বাসিন্দা BNSS ও BNS-এর একাধিক ধারায় মামলা করেন।

অভিযোগ ছিল, তিনি নারীর শালীনতা ক্ষুণ্ণ করেছেন, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেছেন ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বে উস্কানি দিয়েছেন।

সমনের পরেও হাজিরা না দেওয়ায় কৃষ্ণনগর আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যান মহুয়া।

আইনজীবীর যুক্তি ছিল, বর্তমান সাংসদ হওয়ায় তাঁর মামলার এক্তিয়ার এমপি-এমএলএ কোর্টের। সেই যুক্তি মেনেই রায় দিল হাইকোর্ট।আপাতত স্বস্তিতে মহুয়া শিবির।