সীমান্তে ফেরার ভিড়, কড়াকড়ির জেরে হাকিমপুর চেকপোস্টে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভিড়
![]()
সৌমাভ মণ্ডল,বসিরহাট : রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম সীমান্ত এলাকা। ইতিমধ্যেই রাজ্যে লাগু হয়ে গিয়েছে ডিডিডি। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্টে সোমবার ফের দেখা গেল বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষায় বহু সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর ভিড়। প্রশাসনের কড়া নজরদারি এবং রাজ্য সরকারের কঠোর অবস্থানের জেরে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস আগেও এসআইআর ঘোষণার পর একইভাবে হাজার হাজার অনুপ্রবেশকারী হাকিমপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিল। তাদের অধিকাংশই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অবৈধভাবে বসবাস করছিল এবং নির্মাণ শ্রমিক, রাজমিস্ত্রির সহকারী, মাছের ভেঁড়ি ও অন্যান্য দৈনিক মজুরির কাজে যুক্ত ছিল বলে জানা যায়। সোমবার দুপুরে বিথারী হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় দেখা যায়, বহু নারী-পুরুষ ও যুবক ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে সীমান্তের কাছে অপেক্ষা করছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের দাবি, এক থেকে দেড় বছর আগে দালালচক্রের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে তারা এ রাজ্যে এসেছিল। বিভিন্ন এলাকায় কাজ করলেও বর্তমানে প্রশাসনিক কড়াকড়ি বেড়ে যাওয়ায় তারা বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিচয়পত্র যাচাই, ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি এবং বিভিন্ন এলাকায় সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এর জেরেই আতঙ্কে বহু অনুপ্রবেশকারী এলাকা ছাড়ছে বলে অভিযোগ। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই সীমান্ত এলাকায় এই প্রবণতা আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত। প্রশাসনিক সূত্রে যদিও এই বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, তবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদারের কথা স্বীকার করেছেন কয়েকজন আধিকারিক।
অন্যদিকে, সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় দালালচক্র নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। অভিযোগ, মোটা টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে এই চক্র। ফলে একদিকে যেমন অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটছে, অন্যদিকে পরিস্থিতি বদলাতেই ফের সীমান্ত পেরিয়ে ফিরে যাওয়ার ঘটনাও সামনে আসছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বরূপনগর ও সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্ত দিয়ে অবাধ অনুপ্রবেশ চললেও তা রুখতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিরোধী তৃণমূল শিবির। সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।


ছবি: প্রবীর রায়।
সংবাদদাতা, আনন্দ বাংলা:প্রয়াত কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। জানা গিয়েছে, লিভার-সহ একাধিক বয়সজনিত সমস্যা নিয়ে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন দুঁদে এই আইনজীবী। সেখানেই সোমবার জীবনাবসান হয় তাঁর। ফিরোজ এডুলজির মৃত্যুতে শোকের ছায়া আইনজীবীমহলে।
বসিরহাট : কেন্দ্রীয় আবাস যোজনার প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে হাসনাবাদে গ্রেপ্তার হল তৃণমূল নেত্রী সঞ্চিতা ঋষি দাস। অভিযোগ, রাজ্যে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা অঙ্কের টাকা তোলা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার রাতে অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীকে গ্রেপ্তার করে হাসনাবাদ থানার পুলিশ।
বসিরহাট : মেছোভেঁড়িতে কীটনাশক মিশিয়ে মাছ মেরে ফেলার অভিযোগকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ালো হাড়োয়ায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে, অন্যদিকে তেমনি সামনে এসেছে রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবি। ফলে বিজেপি ও তৃণমূলকে ঘিরে নতুন করে সরগরম হয়ে উঠেছে বসিরহাটের হাড়োয়া থানার কুলটি এলাকার রাজনীতি।
বসিরহাট : বিধায়ক হওয়ার পর প্রথমবার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক অফিসে গেলেন রেখা পাত্র। শনিবার দুপুরের দিকে তিনি ব্লক অফিসে পৌঁছান। সেখানে ব্লক আধিকারিক দেবদাস গাঙ্গুলীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, প্রায় কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে এলাকার বিভিন্ন প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি: আই এস এল এ ইস্টবেঙ্গলের বিজয়কে ঘিরে শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল মাঠে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। খেলোয়াড়, কোচ, ক্লাব কর্মকর্তা, সমর্থক সব একসাথে আনন্দে মিলে মিশে একাকার হয়েগিয়েছিল। ট্রফি হাতে ছবি তুলতে দেখা গেল কোচ অস্কার ব্রুজো সহ অন্যান্য খেলোয়াড়দের। এদিন বাম প্রার্থী দীপ্সিতা ধর কেও দেখা গেল সমর্থকদের ভিড়ে আনন্দে ভেসে যেতে।
ছ
বি: সঞ্জয় হাজরা।
বসিরহাট : হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভায় রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে এবার ধর্মীয় আবেগ ও উৎসবের মেলবন্ধন দেখা গেল ক্যাওড়াখালী গ্রামে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় এবং দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসানকে কেন্দ্র করে শুরু হলো ৩২ প্রহর ব্যাপী হরিনাম মহাযজ্ঞ। গঙ্গা বারি আনয়নের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হয় এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের। আর সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাওড়াখালী গ্রামে ভিড় জমাতে শুরু করেন এলাকার মানুষজন।

34 min ago
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1