বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, ‘কোন আইনে এই বিজ্ঞপ্তি?’ কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের
![]()
*নিজস্ব প্রতিনিধি* : বাইক রালি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত সঙ্গে একমত হলেও কোন আইনে ব্যক্তিগত বাইক ব্যবহারকারীদের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হল, কলকাতা হাইকোর্টে তার কোনো সদুত্তর উ
দিতে পারল না কমিশন। শুক্রবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও একাধিকবার কমিশনের কাছে, আইনের কোন ধারায় এই ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা তার ব্যাখ্যা চান।তিনি জানতে চান, এই অপব্যবহার নিয়েও কত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। কিন্তু তার উত্তর দিতে পারেনি কমিশন। শুক্রবার মামলার শুনানি শেষে রায়দান স্থগিত রাখল আদালত। এদিনের শুনানিতে কমিশনের আইনজীবি জিষ্ণু সেনগুপ্ত বলেন, আমাদের কাছে অনবরত অভিযোগ আসছে যে বাইক চড়ে এসে হুমকি দিয়ে গেছে। বাইকে করে পালিয়ে যাওয়া সহজ। তার দাবি, বাইকে করে নাকা তল্লাশির এলাকা এড়িয়ে যাওয়া সহজ। কমিশনের যুক্তি, যে ব্যক্তি বাইকের পিছনে বসে থাকে সেই অপরাধ বেশি করে থাকে। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী একযোগে আইন রক্ষায় কাজ করছেন বলে সওয়াল করেন জীষ্ণু। সেটা শুনে বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, আইনের কোন ধারায় আপনারা এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তাঁর মন্তব্য, বাইক মিছিলের ক্ষেত্রে আপনারা ১১০ ভাগ সঠিক। পাল্টা কমিশন জানায়, যারা কাজে যাচ্ছেন, অফিসে যাচ্ছেন তাদের ছাড় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিচারপতি বলেন, যারা মজদুর, যারা কোচিং সেন্টার চালান, যারা সাধারণ শ্রমিক তারা আইডি কার্ড কোথায় পাবেন। আইডি না দেখালে তো আপনারা ছাড় দেবেন না বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। তাঁর প্রশ্ন, নির্বাচনের দিন এই বিধিনিষেধ আরোপ করলে বোঝা যায়, কিন্তু এতো তাড়াতাড়ি কেন।
বিচারপতি মন্তব্য করেন, আপনার কাছে রাজ্য পুলিশ আছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে। আপনারা তাদের ব্যবহার করুন। কেউ যেন বাইক নিয়ে বুথের কাছে যেতে না পারেন সেটা দেখুন। কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, এই রাজ্যে ভোটে হিংসার ইতিহাস আছে। আমার সব তথ্য খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে অস্বাভাবিক কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। তিনি বলেন, রাজ্য সহযোগিতা না করলে আমরা নিয়ম লাগু করতে পারব না, আর এখানে রাজ্য বলছে যে আমরা বেআইনি কাজ করছি।তাঁর সওয়াল, এই বিধিনিষেধ নতুন কিছু নয়, প্রতিবার ২৪ ঘণ্টা আগে থেকে করা হয়, এবার আরও আগে থেকে করা হচ্ছে। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, যান নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধু বাইক-কেই কেন বাছলেন।
কমিশন বলে, নিজের অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান থেকে এই কাজ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি। রাজ্য বলে, এই নির্দেশিকা জারি করার ক্ষমতার উৎস কোথায় সেটা কমিশন জানাতে পারেনি। আইন তৈরির ক্ষমতা কমিশনের নেই।
আইনের কোন ধারায় বাইক নিষিদ্ধ করা হল জানাতে পারেনি কমিশন বলে জানায় রাজ্য। মামলাকারীর আইনজীবী শামীম আহমেদ বলেন, কমিশনের একই ধরনের বিজ্ঞপ্তি মাদ্রাজ ও গুজরাট হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছিল। এদিন মামলার শুনানি শেষে রায়দান স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি।


ছবি: প্রবীর রায়।
*ডেস্ক* : পশ্চিমবঙ্গে আজ ভোট মহারণের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ চলছে সকাল ৭ টা থেকে। এদিন ১৬ জেলায় ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোট গ্রহণ হবে। গোটা উত্তরবঙ্গে আজ যেমন ভোটগ্রহণ হবে, তেমনই ভোট গ্রহণ চলছে জঙ্গলমহল ও মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়।দুপুর ১টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ভোট পড়েছে ৬২.১৮ শতাংশ।
নিজস্ব প্রতিনিধি:পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি হাজিরা থেকে সাময়িক স্বস্তি পেলেন তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু। দুবছর আগে এই মামলায় চার্জসিট জমা দিয়েছে সিবিআই। সেখানে সুজিত বসুর নাম নেই। অথচ সেই মামলায় ভোটের মুখে ২ এপ্রিল থেকে ইডি বারেবারে সমন দিয়ে তলব করেছে বলে অভিযোগ সুজিতের। এরমধ্যে তিনি সমন পেয়ে ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ইডি তার হাজিরা গ্রাহ্য করেনি। আবার আজ, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) তাকে তলব করেছে ইডি। তাই সুজিতের আবেদন, ভোট মেটার পরে তাকে তলবের নির্দেশ দেওয়া হোক। কারণ তিনি প্রার্থী। যদিও ইডির দাবি, অভিযুক্তের এই মামলা গ্রহণযোগ্য নয়। তাকে একাধিকবার তলব করলেও তিনি সহযোগিতা করছেন না। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের নির্দেশ, সুজিতকে আগামী ১ মে সাড়ে ১০ টায় হাজির হতে হবে ইডি অফিসে। তবে তিনি ছেলেকে নিজের জায়গায় পাঠাতে পারবেন না। আদালতের বক্তব্য, একের পর এক সমন পেয়ে তিনি না গেলেও তার জবাব দিয়েছেন, তাই তাকে এই সময় দেওয়া হচ্ছে ভোটে প্রার্থী হওয়ায়।


4 hours ago
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
0.1k