।। হস্টেলের ঘরে বছরের পর বছর মজুত ত্রাণ! সন্দেশখালিতে উদ্ধার সামগ্রী ঘিরে তীব্র বিতর্ক ।।
বসিরহাট : সন্দেশখালির রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের নতুন বিতর্কের জন্ম দিল বহু বছরের পুরনো ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনা। অভিযোগ, আয়লা, বুলবুল ও আম্ফানের মতো ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বছরের পর বছর ধরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল একটি স্কুল হস্টেলের ঘরে। সম্প্রতি সেই মজুত ত্রাণসামগ্রী সামনে আসতেই উত্তাল হয়ে উঠলো বসিরহাটের সন্দেশখালি-২ নম্বর ব্লকের খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাটগাছা হাই স্কুলের হস্টেলের একটি ঘর খুলে বিপুল পরিমাণ ত্রিপল সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার করেন এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ, দুর্যোগের সময় দুর্গত মানুষের মধ্যে সেগুলি বিতরণ না করে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মজুত করে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষ।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন খুলনা অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন প্রাক্তন নেতা। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কিছু প্রভাবশালী নেতা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ত্রাণসামগ্রী সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছতে দেননি। তাদের অভিযোগ, সরকারি সাহায্য প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে না পৌঁছে বছরের পর বছর ধরে একটি হস্টেল ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা মালতী পাত্রের অভিযোগ, আম্ফানের সময় থেকেই ওই সামগ্রী সেখানে রাখা হয়েছিল। তার দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বহু মানুষ সরকারি ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। একই সুর শোনা গিয়েছে শোভা বরের কথাতেও। তিনি বলেন, এলাকার মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি ত্রাণসামগ্রী মানুষের হাতে না পৌঁছে গোপনে মজুত করে রাখা হয়েছিল, যা অত্যন্ত গুরুতর ঘটনা।
ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে সামনে এসেছে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগও। স্থানীয়দের দাবি, শুধু ত্রাণ বণ্টন নয়, সরকারি আবাসন প্রকল্পে কাটমানি, একশো দিনের কাজের প্রকল্পে অনিয়ম এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের উপর চাপ সৃষ্টি করার মতো ঘটনাও দীর্ঘদিন ধরে চলে এসেছে। তাদের অভিযোগ, ক্ষমতার প্রভাবেই এতদিন এসব অভিযোগ চাপা পড়ে ছিল। ঘটনার জেরে এলাকায় বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন তারা। যদিও যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
সন্দেশখালিতে একের পর এক বিতর্ক ও দুর্নীতির অভিযোগের আবহে এই নতুন ‘ত্রাণ কাণ্ড’ ফের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে। দুর্যোগের সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি সাহায্য আদৌ প্রকৃত প্রাপকদের হাতে পৌঁছেছিল কি না, সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকায়। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের ভূমিকার দিকে নজর রয়েছে সকলের। একই সঙ্গে ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের দাবি, দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কড়া পদক্ষেপ করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে মানুষের প্রাপ্য সরকারি সাহায্য আর কোনওভাবেই বঞ্চিত না হয়।![]()

বসিরহাট : সন্দেশখালির রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের নতুন বিতর্কের জন্ম দিল বহু বছরের পুরনো ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনা। অভিযোগ, আয়লা, বুলবুল ও আম্ফানের মতো ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বছরের পর বছর ধরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল একটি স্কুল হস্টেলের ঘরে। সম্প্রতি সেই মজুত ত্রাণসামগ্রী সামনে আসতেই উত্তাল হয়ে উঠলো বসিরহাটের সন্দেশখালি-২ নম্বর ব্লকের খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাটগাছা হাই স্কুলের হস্টেলের একটি ঘর খুলে বিপুল পরিমাণ ত্রিপল সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার করেন এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ, দুর্যোগের সময় দুর্গত মানুষের মধ্যে সেগুলি বিতরণ না করে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মজুত করে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষ।

বসিরহাট : বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের কৈজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের সীমান্তবর্তী গাবর্ডাহ্ গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাঁটাতার নির্মাণ প্রকল্পের জট খুলতে উদ্যোগী হলো রাজ্য প্রশাসন। সেই লক্ষ্যে শনিবার এলাকায় পরিদর্শনে এলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হওয়ায় আশার আলো দেখছেন সীমান্তবাসীরা। জানা গিয়েছে, স্বরূপনগরের সীমান্তবর্তী বড়ুল গাবর্ডাহ্ এলাকায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর কাজ বহুদিন ধরে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে ছিল। কোথাও বসতবাড়ির উপর দিয়ে, আবার কোথাও ব্যক্তিগত কৃষিজমির মধ্য দিয়ে সীমান্তরেখা চলে যাওয়ায় কাঁটাতার নির্মাণে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল প্রশাসন ও বিএসএফকে। ফলে সীমান্তের বেশ কিছু অংশ এখনও সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত করা সম্ভব হয়নি। এদিন গাবর্ডাহ্ গ্রামে পৌঁছে প্রথমে সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বসিরহাটের এসডিও জসলিন কৌর, বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার আলোকনন্দা ভাওয়াল ও স্বরূপনগরের বিজেপি নেতা তারক সাহা সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। পরে বিএসএফ আধিকারিকদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন তিনি। বৈঠকে সীমান্ত এলাকার বিস্তারিত মানচিত্র তুলে ধরে আধিকারিকরা কাঁটাতার নির্মাণের সম্ভাব্য রূপরেখা, জমির অবস্থান, সীমান্ত নির্ধারণের বিভিন্ন দিক এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। কোন অংশে কীভাবে কাঁটাতার বসানো হবে এবং জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সৌমাভ মণ্ডল,বসিরহাট : পাঁচ বছর আগে রাজনৈতিক হিংসার আতঙ্কে রাতের অন্ধকারে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। সঙ্গে ছিল না কোনও আসবাব, জামাকাপড় কিংবা মূল্যবান জিনিসপত্র। কোলে আঁকড়ে ছিলেন শুধু পরিবারের গৃহদেবতা ‘গোপাল’। সেই স্মৃতি বুকে নিয়েই দীর্ঘ পাঁচ বছর পর অবশেষে নিজের ভিটেমাটিতে ফিরলেন হাড়োয়ার বিজেপি নেত্রী পারমিতা দাস। গৃহদেবতাকে সঙ্গে নিয়ে স্বামী ও সন্তানকে পাশে রেখেই বাড়িতে ফেরেন তিনি। তার সঙ্গে ছিলেন এলাকার শতাধিক বিজেপি কর্মী ও সমর্থক।
বসিরহাট : ক্ষণিকের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড বাসন্তী হাইওয়ে, গাছ পড়ে অবরুদ্ধ রাস্তা। বাসন্তী হাইওয়ের হাড়োয়ার ঘোষপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় আচমকাই ঝড়-বৃষ্টির দাপটে বিপর্যস্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার জেরে রাস্তার ধারে থাকা একটি বড় গাছ ভেঙে সরাসরি হাইওয়ের উপর পড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে। হঠাৎ এই ঘটনায় পথচলতি মানুষ ও গাড়ির চালকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গাছ পড়ে যাওয়ার ফলে বাসন্তী হাইওয়ের দু’দিকেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। অফিসফেরত যাত্রী থেকে শুরু করে নিত্যযাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ির চালকেরা সমস্যায় পড়েন। হাইওয়ের উপর গাছ পড়ে থাকায় কিছুক্ষণ পরিস্থিতি কার্যত অচল হয়ে যায়। বহু যাত্রীকে দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় আটকে থাকতে হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের প্রাচীনতম পৌরসভা হল উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত পৌরসভা।১৫০ বছরেও বেশি পুরাতন এই পৌরসভার দুর্নীতি নিয়ে এবার সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব হলেন বারাসাতের নব নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর চ্যাটার্জি। শুক্রবার বারাসাত পৌরসভা পরিদর্শনে যান বিধায়ক। প্রথমেই তিনি এই পৌরসভার বর্তমানে দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ অফিসারের সাথে দীর্ঘক্ষণ মিটিং করেন। মিটিং সেরে এসে তিনি সাংবাদিকদের জানান," যেভাবে বারাসাত পৌরসভা দুর্নীতিতে ভরে গেছে, যেখানেই হাত দেওয়া হবে না কেন সেখানেই দুর্নীতি আর দুর্নীতি"। তিনি জানিয়ে দেন দরকার হলে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাবো।সরকার বদলের পর বর্তমান পরিস্থিতিতে পৌরসভার পরিসেবা নিয়ে সরব হন তিনি।তার দাবি, পৌরসভা এলাকায় যে সমস্ত নাগরিকরা বসবাস করেন তাদের যাতে কোনরকম পরিষেবা পেতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য সমস্ত পরিষেবা চালু রাখতে হবে। তবে তিনি এদিন পৌরসভার চেয়ারম্যান অফিসে উপস্থিত থাকলেও তার সাথে দেখা করেন নি।

4 hours ago
- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
1- Whatsapp
- Facebook
- Linkedin
- Google Plus
0.1k